নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করলো দূতাবাস

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করলো দূতাবাস

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নাগরিকদের সতর্ক করে এ বার্তা দেওয়া হয়। নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, তা জানিয়ে সাত দফা নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একযোগে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সময় রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থীদের আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। যার লক্ষ্যবস্তুতে সমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং ধর্মীয় স্থান থাকতে পারে। মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকা উচিত, বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা উচিত এবং যেকোনো বৃহৎ সমাবেশের আশপাশে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল পরিবহন এবং ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে সব পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। সেই অনুযায়ী, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সীমিত পরিসরে অনসাইট পরিষেবা দেবে।
মার্কিন নাগরিকদের জন্য সাত দফা নির্দেশিকা–
বড় জনতা এবং বিক্ষোভ এড়িয়ে চলুন।
সর্বদা আপনার আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
স্থানীয় সংবাদ পর্যবেক্ষণ করুন।
সতর্ক থাকুন এবং বাইরে কম বের হন।
জরুরি যোগাযোগের জন্য সর্বদা আপনার চার্জ করা মোবাইল ফোনটি সঙ্গে রাখুন।
আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করুন।
বিকল্প ভ্রমণ রুটের পরিকল্পনা করুন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নাগরিকদের সতর্ক করে এ বার্তা দেওয়া হয়। নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, তা জানিয়ে সাত দফা নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একযোগে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সময় রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থীদের আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। যার লক্ষ্যবস্তুতে সমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং ধর্মীয় স্থান থাকতে পারে। মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকা উচিত, বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা উচিত এবং যেকোনো বৃহৎ সমাবেশের আশপাশে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল পরিবহন এবং ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে সব পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। সেই অনুযায়ী, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সীমিত পরিসরে অনসাইট পরিষেবা দেবে।
মার্কিন নাগরিকদের জন্য সাত দফা নির্দেশিকা–
বড় জনতা এবং বিক্ষোভ এড়িয়ে চলুন।
সর্বদা আপনার আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
স্থানীয় সংবাদ পর্যবেক্ষণ করুন।
সতর্ক থাকুন এবং বাইরে কম বের হন।
জরুরি যোগাযোগের জন্য সর্বদা আপনার চার্জ করা মোবাইল ফোনটি সঙ্গে রাখুন।
আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করুন।
বিকল্প ভ্রমণ রুটের পরিকল্পনা করুন।

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করলো দূতাবাস

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নাগরিকদের সতর্ক করে এ বার্তা দেওয়া হয়। নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, তা জানিয়ে সাত দফা নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একযোগে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সময় রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থীদের আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। যার লক্ষ্যবস্তুতে সমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং ধর্মীয় স্থান থাকতে পারে। মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকা উচিত, বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা উচিত এবং যেকোনো বৃহৎ সমাবেশের আশপাশে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল পরিবহন এবং ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে সব পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। সেই অনুযায়ী, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সীমিত পরিসরে অনসাইট পরিষেবা দেবে।
মার্কিন নাগরিকদের জন্য সাত দফা নির্দেশিকা–
বড় জনতা এবং বিক্ষোভ এড়িয়ে চলুন।
সর্বদা আপনার আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
স্থানীয় সংবাদ পর্যবেক্ষণ করুন।
সতর্ক থাকুন এবং বাইরে কম বের হন।
জরুরি যোগাযোগের জন্য সর্বদা আপনার চার্জ করা মোবাইল ফোনটি সঙ্গে রাখুন।
আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করুন।
বিকল্প ভ্রমণ রুটের পরিকল্পনা করুন।




