স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল
বিশেষ প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা তখনই সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী হয়, যখন তার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যকর ও ক্ষমতাবান হয়। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের করণীয়’-শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে স্থানীয় সরকারই প্রশাসন, বিচার, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারকে সেই কাঙ্ক্ষিত শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এখন সময় এসেছে স্থানীয় সরকারকে প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়নের।
তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিনিধি হচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। জনগণের সমস্যা, চাহিদা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে তাদের মতো আর কেউ এতটা জানেন না। তাই দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনের একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের শাসনামলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছিলো। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের কল্যাণে ট্রাস্ট ও তহবিল গঠনের বিষয়েও সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে বলে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনসহ আগামীতে সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণের ভোটেই চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা নির্বাচিত হবেন।
তিনি বলেন, সব বিভাগ ও জেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিটি গঠন করতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে নয়, দেশের স্বার্থে বিশ্বাসী সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা তখনই সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী হয়, যখন তার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যকর ও ক্ষমতাবান হয়। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের করণীয়’-শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে স্থানীয় সরকারই প্রশাসন, বিচার, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারকে সেই কাঙ্ক্ষিত শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এখন সময় এসেছে স্থানীয় সরকারকে প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়নের।
তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিনিধি হচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। জনগণের সমস্যা, চাহিদা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে তাদের মতো আর কেউ এতটা জানেন না। তাই দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনের একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের শাসনামলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছিলো। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের কল্যাণে ট্রাস্ট ও তহবিল গঠনের বিষয়েও সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে বলে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনসহ আগামীতে সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণের ভোটেই চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা নির্বাচিত হবেন।
তিনি বলেন, সব বিভাগ ও জেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিটি গঠন করতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে নয়, দেশের স্বার্থে বিশ্বাসী সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল
বিশেষ প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা তখনই সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী হয়, যখন তার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যকর ও ক্ষমতাবান হয়। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের করণীয়’-শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে স্থানীয় সরকারই প্রশাসন, বিচার, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারকে সেই কাঙ্ক্ষিত শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এখন সময় এসেছে স্থানীয় সরকারকে প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়নের।
তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিনিধি হচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। জনগণের সমস্যা, চাহিদা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে তাদের মতো আর কেউ এতটা জানেন না। তাই দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনের একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের শাসনামলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছিলো। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের কল্যাণে ট্রাস্ট ও তহবিল গঠনের বিষয়েও সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে বলে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনসহ আগামীতে সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণের ভোটেই চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা নির্বাচিত হবেন।
তিনি বলেন, সব বিভাগ ও জেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিটি গঠন করতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে নয়, দেশের স্বার্থে বিশ্বাসী সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‘স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা’







