ঢাকায় চালু তুরস্কের ভিসা কেন্দ্র: ফি, সময়সূচি ও আবেদনের নিয়ম

ঢাকায় চালু তুরস্কের ভিসা কেন্দ্র: ফি, সময়সূচি ও আবেদনের নিয়ম

ঢাকায় চালু হয়েছে তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে মোসাইক ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার তুরস্কের ভিসা আবেদন গ্রহণ শুরু করবে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত তুরস্কের দূতাবাস এই তথ্য জানায়। মোসাইক ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার ইতিমধ্যেই দেশের বাইরে কয়েকটি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায়ও কার্যক্রম শুরু করেছে।
ভিসা আবেদনকেন্দ্রটি রাজধানী বনানীর ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৭ নম্বর বাড়িতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করবে। আর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। তবে ভিসা আবেদনের আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।
ভিসা ফি:
সিঙ্গেল এন্ট্রি (৩ মাস): ২৪,৭৫০ টাকা
সিঙ্গেল এন্ট্রি (৬ মাস): ২৭,৬২৫ টাকা
সিঙ্গেল এন্ট্রি (১২ মাস): ৩০,৫০০ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (৩ মাস): ৪১,০০০ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (৬ মাস): ৪৩,৮৭৫ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (১২ মাস): ৪৬,৭৫০ টাকা
ডাবল ট্রানজিট (৩ মাস): ৩২,২৫০ টাকা
অন্যান্য চার্জ:
প্রিমিয়াম লাউঞ্জ ফি: ৮,০০০ টাকা
ফ্লাইট রিজার্ভেশন ফি: ২৫০ টাকা
হোটেল রিজার্ভেশন ফি: ২৫০ টাকা
বায়োমেট্রিক ফটো ফি: ২০০ টাকা
এসএমএস চার্জ: ৪০ টাকা
ফটোকপি ও প্রিন্টআউট (প্রতি পিস): ১০ টাকা
তুরস্ক ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (চেকলিস্ট)
পাসপোর্ট: অন্তত ৬ মাস মেয়াদ থাকা অরিজিনাল পাসপোর্ট; আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটিও জমা দিতে হবে।
ভিসা আবেদন ফরম: সঠিকভাবে পূরণ ও স্বাক্ষরিত ফরম।
বায়োমেট্রিক ছবি: সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৫x৫ সেমি আকারের ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট ছবি; ছবি ৬ মাসের বেশি পুরনো হতে পারবে না।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট: গত ৬ মাসের ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট; পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা বাঞ্ছনীয়।
পেশাগত প্রমাণপত্র:
- চাকরিজীবী: এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড এবং শেষ ৩ মাসের স্যালারি স্লিপ।
- ব্যবসায়ী: আপডেট ট্রেড লাইসেন্সের ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারি কপি, কোম্পানির প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড।
- শিক্ষার্থী: স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটির অনুমতিপত্র।
হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং: নিশ্চিত টিকিট নয়, সাময়িক বুকিং কপি যথেষ্ট।
ভ্রমণ বীমা: তুরস্ক ভ্রমণের জন্য স্বীকৃত ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স পলিসি।
ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট: পরিবারের সঙ্গে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট বা বিবাহ সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

ঢাকায় চালু হয়েছে তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে মোসাইক ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার তুরস্কের ভিসা আবেদন গ্রহণ শুরু করবে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত তুরস্কের দূতাবাস এই তথ্য জানায়। মোসাইক ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার ইতিমধ্যেই দেশের বাইরে কয়েকটি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায়ও কার্যক্রম শুরু করেছে।
ভিসা আবেদনকেন্দ্রটি রাজধানী বনানীর ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৭ নম্বর বাড়িতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করবে। আর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। তবে ভিসা আবেদনের আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।
ভিসা ফি:
সিঙ্গেল এন্ট্রি (৩ মাস): ২৪,৭৫০ টাকা
সিঙ্গেল এন্ট্রি (৬ মাস): ২৭,৬২৫ টাকা
সিঙ্গেল এন্ট্রি (১২ মাস): ৩০,৫০০ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (৩ মাস): ৪১,০০০ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (৬ মাস): ৪৩,৮৭৫ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (১২ মাস): ৪৬,৭৫০ টাকা
ডাবল ট্রানজিট (৩ মাস): ৩২,২৫০ টাকা
অন্যান্য চার্জ:
প্রিমিয়াম লাউঞ্জ ফি: ৮,০০০ টাকা
ফ্লাইট রিজার্ভেশন ফি: ২৫০ টাকা
হোটেল রিজার্ভেশন ফি: ২৫০ টাকা
বায়োমেট্রিক ফটো ফি: ২০০ টাকা
এসএমএস চার্জ: ৪০ টাকা
ফটোকপি ও প্রিন্টআউট (প্রতি পিস): ১০ টাকা
তুরস্ক ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (চেকলিস্ট)
পাসপোর্ট: অন্তত ৬ মাস মেয়াদ থাকা অরিজিনাল পাসপোর্ট; আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটিও জমা দিতে হবে।
ভিসা আবেদন ফরম: সঠিকভাবে পূরণ ও স্বাক্ষরিত ফরম।
বায়োমেট্রিক ছবি: সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৫x৫ সেমি আকারের ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট ছবি; ছবি ৬ মাসের বেশি পুরনো হতে পারবে না।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট: গত ৬ মাসের ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট; পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা বাঞ্ছনীয়।
পেশাগত প্রমাণপত্র:
- চাকরিজীবী: এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড এবং শেষ ৩ মাসের স্যালারি স্লিপ।
- ব্যবসায়ী: আপডেট ট্রেড লাইসেন্সের ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারি কপি, কোম্পানির প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড।
- শিক্ষার্থী: স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটির অনুমতিপত্র।
হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং: নিশ্চিত টিকিট নয়, সাময়িক বুকিং কপি যথেষ্ট।
ভ্রমণ বীমা: তুরস্ক ভ্রমণের জন্য স্বীকৃত ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স পলিসি।
ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট: পরিবারের সঙ্গে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট বা বিবাহ সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

ঢাকায় চালু তুরস্কের ভিসা কেন্দ্র: ফি, সময়সূচি ও আবেদনের নিয়ম

ঢাকায় চালু হয়েছে তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে মোসাইক ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার তুরস্কের ভিসা আবেদন গ্রহণ শুরু করবে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত তুরস্কের দূতাবাস এই তথ্য জানায়। মোসাইক ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার ইতিমধ্যেই দেশের বাইরে কয়েকটি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায়ও কার্যক্রম শুরু করেছে।
ভিসা আবেদনকেন্দ্রটি রাজধানী বনানীর ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৭ নম্বর বাড়িতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করবে। আর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। তবে ভিসা আবেদনের আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।
ভিসা ফি:
সিঙ্গেল এন্ট্রি (৩ মাস): ২৪,৭৫০ টাকা
সিঙ্গেল এন্ট্রি (৬ মাস): ২৭,৬২৫ টাকা
সিঙ্গেল এন্ট্রি (১২ মাস): ৩০,৫০০ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (৩ মাস): ৪১,০০০ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (৬ মাস): ৪৩,৮৭৫ টাকা
মাল্টিপল ভিসা (১২ মাস): ৪৬,৭৫০ টাকা
ডাবল ট্রানজিট (৩ মাস): ৩২,২৫০ টাকা
অন্যান্য চার্জ:
প্রিমিয়াম লাউঞ্জ ফি: ৮,০০০ টাকা
ফ্লাইট রিজার্ভেশন ফি: ২৫০ টাকা
হোটেল রিজার্ভেশন ফি: ২৫০ টাকা
বায়োমেট্রিক ফটো ফি: ২০০ টাকা
এসএমএস চার্জ: ৪০ টাকা
ফটোকপি ও প্রিন্টআউট (প্রতি পিস): ১০ টাকা
তুরস্ক ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (চেকলিস্ট)
পাসপোর্ট: অন্তত ৬ মাস মেয়াদ থাকা অরিজিনাল পাসপোর্ট; আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটিও জমা দিতে হবে।
ভিসা আবেদন ফরম: সঠিকভাবে পূরণ ও স্বাক্ষরিত ফরম।
বায়োমেট্রিক ছবি: সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৫x৫ সেমি আকারের ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট ছবি; ছবি ৬ মাসের বেশি পুরনো হতে পারবে না।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট: গত ৬ মাসের ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট; পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা বাঞ্ছনীয়।
পেশাগত প্রমাণপত্র:
- চাকরিজীবী: এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড এবং শেষ ৩ মাসের স্যালারি স্লিপ।
- ব্যবসায়ী: আপডেট ট্রেড লাইসেন্সের ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারি কপি, কোম্পানির প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড।
- শিক্ষার্থী: স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটির অনুমতিপত্র।
হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং: নিশ্চিত টিকিট নয়, সাময়িক বুকিং কপি যথেষ্ট।
ভ্রমণ বীমা: তুরস্ক ভ্রমণের জন্য স্বীকৃত ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স পলিসি।
ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট: পরিবারের সঙ্গে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট বা বিবাহ সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।




