সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অমান্য করলেই ব্যবস্থা

সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অমান্য করলেই ব্যবস্থা
বিশেষ প্রতিনিধি

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরগুলোতে একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) সংশ্লিষ্ট সচিবদের কাছে পাঠানো হয়। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এ ক্ষেত্রে সচিবদের ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অফিসে বিদ্যমান বৈদ্যুতিক বাতির অর্ধেক (৫০ শতাংশ) ব্যবহার করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত আলো জ্বালানো যাবে না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি নির্ধারণ করে রাখতে হবে।
এ ছাড়া অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় ফ্যান, লাইট, এসি ও কম্পিউটারসহ সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও লিফট এলাকায় অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কেটলিতে পানি গরম করার মতো কাজে বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে আনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অফিসের ভেতরে পুরোনো ফাইল বা অব্যবহৃত আসবাবপত্র স্তূপ করে না রেখে বিধি মোতাবেক দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ অধিদপ্তর, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিসসহ অধীনস্থ সব সংস্থাকে নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের কথা বলা হয়েছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরগুলোতে একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) সংশ্লিষ্ট সচিবদের কাছে পাঠানো হয়। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এ ক্ষেত্রে সচিবদের ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অফিসে বিদ্যমান বৈদ্যুতিক বাতির অর্ধেক (৫০ শতাংশ) ব্যবহার করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত আলো জ্বালানো যাবে না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি নির্ধারণ করে রাখতে হবে।
এ ছাড়া অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় ফ্যান, লাইট, এসি ও কম্পিউটারসহ সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও লিফট এলাকায় অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কেটলিতে পানি গরম করার মতো কাজে বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে আনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অফিসের ভেতরে পুরোনো ফাইল বা অব্যবহৃত আসবাবপত্র স্তূপ করে না রেখে বিধি মোতাবেক দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ অধিদপ্তর, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিসসহ অধীনস্থ সব সংস্থাকে নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের কথা বলা হয়েছে।

সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অমান্য করলেই ব্যবস্থা
বিশেষ প্রতিনিধি

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরগুলোতে একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) সংশ্লিষ্ট সচিবদের কাছে পাঠানো হয়। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এ ক্ষেত্রে সচিবদের ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অফিসে বিদ্যমান বৈদ্যুতিক বাতির অর্ধেক (৫০ শতাংশ) ব্যবহার করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত আলো জ্বালানো যাবে না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি নির্ধারণ করে রাখতে হবে।
এ ছাড়া অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় ফ্যান, লাইট, এসি ও কম্পিউটারসহ সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও লিফট এলাকায় অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কেটলিতে পানি গরম করার মতো কাজে বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে আনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অফিসের ভেতরে পুরোনো ফাইল বা অব্যবহৃত আসবাবপত্র স্তূপ করে না রেখে বিধি মোতাবেক দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ অধিদপ্তর, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিসসহ অধীনস্থ সব সংস্থাকে নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের কথা বলা হয়েছে।




