জামায়াত আমিরকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

জামায়াত আমিরকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক শুভেচ্ছা বার্তায় জামায়াত আমিরের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে ফলাফল শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম ও দায়িত্বশীল বক্তব্য দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। কর্মীদের শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বানও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনের সময় জামায়াত যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছে, তার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে দেশের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে সরকার ও বিরোধী দল– উভয়ের দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ প্রদান, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে– এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অতীতে এ ক্ষেত্রে জামায়াত আমির যে ভূমিকা রেখেছেন, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তার বিশ্বাস। ‘জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি’– বলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক শুভেচ্ছা বার্তায় জামায়াত আমিরের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে ফলাফল শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম ও দায়িত্বশীল বক্তব্য দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। কর্মীদের শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বানও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনের সময় জামায়াত যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছে, তার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে দেশের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে সরকার ও বিরোধী দল– উভয়ের দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ প্রদান, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে– এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অতীতে এ ক্ষেত্রে জামায়াত আমির যে ভূমিকা রেখেছেন, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তার বিশ্বাস। ‘জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি’– বলেন তিনি।

জামায়াত আমিরকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক শুভেচ্ছা বার্তায় জামায়াত আমিরের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে ফলাফল শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম ও দায়িত্বশীল বক্তব্য দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। কর্মীদের শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বানও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনের সময় জামায়াত যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছে, তার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে দেশের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে সরকার ও বিরোধী দল– উভয়ের দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ প্রদান, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে– এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অতীতে এ ক্ষেত্রে জামায়াত আমির যে ভূমিকা রেখেছেন, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তার বিশ্বাস। ‘জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি’– বলেন তিনি।




