‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে বিশ্ব প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করা: হুমায়ুন কবির

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে বিশ্ব প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করা: হুমায়ুন কবির
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে একা করে রাখা নয়; বরং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য দেশকে প্রস্তুত করা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ‘এআই অ্যান্ড ইনোভেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে যার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল, সেই পোশাক ও প্রবাসী আয় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘ডাবল হেলিক্স’ বা দ্বৈত ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০৩৪ সালের মধ্যে যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তা অর্জনে অর্থনীতির তৃতীয় একটি ভিত্তি- ‘জ্ঞানভিত্তিক কর্মী’ প্রয়োজন হবে।
তিনি আরও বলেন, পোশাক ও প্রবাসী আয় খাতের পাশাপাশি জ্ঞানভিত্তিক কর্মীদের অর্থনীতির নতুন ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তিকে দেশের অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতির এজেন্ডার কেন্দ্রে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়ার প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে বাংলাদেশের যাত্রায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হবে।
সম্প্রতি সিলিকন ভ্যালিতে তার মন্ত্রিসভা পর্যায়ের সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি ঢাকা ও সিলিকন ভ্যালির মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের উদীয়মান প্রযুক্তি কূটনীতির অংশ হিসেবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
জুন মাসে মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি’ সম্মেলনের পর এটি ছিল তৃতীয় থিম্যাটিক রাউন্ডটেবিল।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিহুল্লাহ প্রধান অতিথি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে সংলাপে উপস্থিত ছিলেন। সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রসচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে একা করে রাখা নয়; বরং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য দেশকে প্রস্তুত করা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ‘এআই অ্যান্ড ইনোভেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে যার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল, সেই পোশাক ও প্রবাসী আয় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘ডাবল হেলিক্স’ বা দ্বৈত ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০৩৪ সালের মধ্যে যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তা অর্জনে অর্থনীতির তৃতীয় একটি ভিত্তি- ‘জ্ঞানভিত্তিক কর্মী’ প্রয়োজন হবে।
তিনি আরও বলেন, পোশাক ও প্রবাসী আয় খাতের পাশাপাশি জ্ঞানভিত্তিক কর্মীদের অর্থনীতির নতুন ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তিকে দেশের অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতির এজেন্ডার কেন্দ্রে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়ার প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে বাংলাদেশের যাত্রায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হবে।
সম্প্রতি সিলিকন ভ্যালিতে তার মন্ত্রিসভা পর্যায়ের সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি ঢাকা ও সিলিকন ভ্যালির মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের উদীয়মান প্রযুক্তি কূটনীতির অংশ হিসেবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
জুন মাসে মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি’ সম্মেলনের পর এটি ছিল তৃতীয় থিম্যাটিক রাউন্ডটেবিল।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিহুল্লাহ প্রধান অতিথি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে সংলাপে উপস্থিত ছিলেন। সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রসচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে বিশ্ব প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করা: হুমায়ুন কবির
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে একা করে রাখা নয়; বরং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য দেশকে প্রস্তুত করা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ‘এআই অ্যান্ড ইনোভেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে যার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল, সেই পোশাক ও প্রবাসী আয় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘ডাবল হেলিক্স’ বা দ্বৈত ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০৩৪ সালের মধ্যে যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তা অর্জনে অর্থনীতির তৃতীয় একটি ভিত্তি- ‘জ্ঞানভিত্তিক কর্মী’ প্রয়োজন হবে।
তিনি আরও বলেন, পোশাক ও প্রবাসী আয় খাতের পাশাপাশি জ্ঞানভিত্তিক কর্মীদের অর্থনীতির নতুন ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তিকে দেশের অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতির এজেন্ডার কেন্দ্রে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়ার প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে বাংলাদেশের যাত্রায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হবে।
সম্প্রতি সিলিকন ভ্যালিতে তার মন্ত্রিসভা পর্যায়ের সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি ঢাকা ও সিলিকন ভ্যালির মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের উদীয়মান প্রযুক্তি কূটনীতির অংশ হিসেবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
জুন মাসে মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি’ সম্মেলনের পর এটি ছিল তৃতীয় থিম্যাটিক রাউন্ডটেবিল।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিহুল্লাহ প্রধান অতিথি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে সংলাপে উপস্থিত ছিলেন। সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রসচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।









