সেচ পাম্প চলবে সৌরবিদ্যুতে, ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

সেচ পাম্প চলবে সৌরবিদ্যুতে, ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে বিদ্যমান ডিজেলচালিত সেচ পাম্পগুলোকে সৌরশক্তিতে রূপান্তরের জন্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় দেশের প্রায় ৫১ হাজার ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রকে সৌরচালিত সেচযন্ত্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ২৭ হাজার টন ডিজেল সাশ্রয় হবে। বাঁচবে ৩৬১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে বছরে প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আয় হবে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় ‘বিদ্যমান ডিজেলচালিত সেচ পাম্পসমূহ সৌরশক্তিতে রূপান্তরকরণ’ শীর্ষক এ মেগা প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুনে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)।
প্রকল্পটি দেশের আট বিভাগের ৫৬ জেলার ৩৪৯টি উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় ২ কিউসেক ক্ষমতার ২৫০টি ডিজেলচালিত এলএলপি, ১ কিউসেক ক্ষমতার ৫৫০টি এলএলপি এবং ০.৫ কিউসেক ক্ষমতার ৫০ হাজার শ্যালো টিউবওয়েল সৌরশক্তিতে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ১০০টি বিদ্যুত্চালিত গভীর নলকূপও সৌরশক্তিতে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব সেচযন্ত্রের মাধ্যমে বছরে ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হবে। এতে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৫ টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের আশা করছে বিএডিসি।
বছরে সাশ্রয় ৩৬১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার ৮০৭টি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র রয়েছে। গ্রিড বিদ্যুতের সুবিধা না থাকায় দেশের প্রায় ৭১ শতাংশ সেচপাম্প ডিজেলে চলে। ফলে প্রতিবছর সেচ মৌসুমে বিপুল পরিমাণ ডিজেল আমদানি করতে হয়। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে ২৬ হাজার ৭১১ দশমিক ২৬ টন ডিজেল আমদানির প্রয়োজন পড়বে না বা অন্য খাতে ব্যবহার করা যাবে। এতে বছরে ৩৬১ কোটি ৪১ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে আয়
প্রকল্পের আওতায় ২৫ হাজার সৌরচালিত সেচযন্ত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থা বসানো হবে। এর ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। সেচ কাজ শেষে বা সেচ মৌসুমের বাইরে যখন সৌর প্যানেলগুলো অব্যবহৃত থাকবে, তখন উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট-মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এতে প্রতি বছর প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের যৌক্তিকতা
বিএডিসি জানিয়েছে, দেশে বিদ্যুত উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়লেও সরবরাহের ঘাটতি ও নিম্ন ভোল্টেজের কারণে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পরিচালনায় সমস্যা হয়। এমন পরিস্থিতিতে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সেচব্যবস্থা চালু রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি কৃষিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পাবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারা বিশ্ব যেখানে দ্রুত সৌরবিদ্যুতের দিকে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। তেলের দাম ও সরবরাহের অনিশ্চয়তা বিবেচনায় কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। তবে শুধু প্রকল্প হাতে নিলেই হবে না, কৃষকদের ভর্তুকি ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

দেশে বিদ্যমান ডিজেলচালিত সেচ পাম্পগুলোকে সৌরশক্তিতে রূপান্তরের জন্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় দেশের প্রায় ৫১ হাজার ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রকে সৌরচালিত সেচযন্ত্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ২৭ হাজার টন ডিজেল সাশ্রয় হবে। বাঁচবে ৩৬১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে বছরে প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আয় হবে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় ‘বিদ্যমান ডিজেলচালিত সেচ পাম্পসমূহ সৌরশক্তিতে রূপান্তরকরণ’ শীর্ষক এ মেগা প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুনে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)।
প্রকল্পটি দেশের আট বিভাগের ৫৬ জেলার ৩৪৯টি উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় ২ কিউসেক ক্ষমতার ২৫০টি ডিজেলচালিত এলএলপি, ১ কিউসেক ক্ষমতার ৫৫০টি এলএলপি এবং ০.৫ কিউসেক ক্ষমতার ৫০ হাজার শ্যালো টিউবওয়েল সৌরশক্তিতে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ১০০টি বিদ্যুত্চালিত গভীর নলকূপও সৌরশক্তিতে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব সেচযন্ত্রের মাধ্যমে বছরে ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হবে। এতে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৫ টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের আশা করছে বিএডিসি।
বছরে সাশ্রয় ৩৬১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার ৮০৭টি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র রয়েছে। গ্রিড বিদ্যুতের সুবিধা না থাকায় দেশের প্রায় ৭১ শতাংশ সেচপাম্প ডিজেলে চলে। ফলে প্রতিবছর সেচ মৌসুমে বিপুল পরিমাণ ডিজেল আমদানি করতে হয়। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে ২৬ হাজার ৭১১ দশমিক ২৬ টন ডিজেল আমদানির প্রয়োজন পড়বে না বা অন্য খাতে ব্যবহার করা যাবে। এতে বছরে ৩৬১ কোটি ৪১ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে আয়
প্রকল্পের আওতায় ২৫ হাজার সৌরচালিত সেচযন্ত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থা বসানো হবে। এর ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। সেচ কাজ শেষে বা সেচ মৌসুমের বাইরে যখন সৌর প্যানেলগুলো অব্যবহৃত থাকবে, তখন উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট-মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এতে প্রতি বছর প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের যৌক্তিকতা
বিএডিসি জানিয়েছে, দেশে বিদ্যুত উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়লেও সরবরাহের ঘাটতি ও নিম্ন ভোল্টেজের কারণে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পরিচালনায় সমস্যা হয়। এমন পরিস্থিতিতে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সেচব্যবস্থা চালু রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি কৃষিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পাবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারা বিশ্ব যেখানে দ্রুত সৌরবিদ্যুতের দিকে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। তেলের দাম ও সরবরাহের অনিশ্চয়তা বিবেচনায় কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। তবে শুধু প্রকল্প হাতে নিলেই হবে না, কৃষকদের ভর্তুকি ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সেচ পাম্প চলবে সৌরবিদ্যুতে, ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে বিদ্যমান ডিজেলচালিত সেচ পাম্পগুলোকে সৌরশক্তিতে রূপান্তরের জন্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় দেশের প্রায় ৫১ হাজার ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রকে সৌরচালিত সেচযন্ত্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ২৭ হাজার টন ডিজেল সাশ্রয় হবে। বাঁচবে ৩৬১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে বছরে প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আয় হবে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় ‘বিদ্যমান ডিজেলচালিত সেচ পাম্পসমূহ সৌরশক্তিতে রূপান্তরকরণ’ শীর্ষক এ মেগা প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুনে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)।
প্রকল্পটি দেশের আট বিভাগের ৫৬ জেলার ৩৪৯টি উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় ২ কিউসেক ক্ষমতার ২৫০টি ডিজেলচালিত এলএলপি, ১ কিউসেক ক্ষমতার ৫৫০টি এলএলপি এবং ০.৫ কিউসেক ক্ষমতার ৫০ হাজার শ্যালো টিউবওয়েল সৌরশক্তিতে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ১০০টি বিদ্যুত্চালিত গভীর নলকূপও সৌরশক্তিতে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব সেচযন্ত্রের মাধ্যমে বছরে ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হবে। এতে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৫ টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের আশা করছে বিএডিসি।
বছরে সাশ্রয় ৩৬১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার ৮০৭টি ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র রয়েছে। গ্রিড বিদ্যুতের সুবিধা না থাকায় দেশের প্রায় ৭১ শতাংশ সেচপাম্প ডিজেলে চলে। ফলে প্রতিবছর সেচ মৌসুমে বিপুল পরিমাণ ডিজেল আমদানি করতে হয়। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে ২৬ হাজার ৭১১ দশমিক ২৬ টন ডিজেল আমদানির প্রয়োজন পড়বে না বা অন্য খাতে ব্যবহার করা যাবে। এতে বছরে ৩৬১ কোটি ৪১ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে আয়
প্রকল্পের আওতায় ২৫ হাজার সৌরচালিত সেচযন্ত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থা বসানো হবে। এর ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। সেচ কাজ শেষে বা সেচ মৌসুমের বাইরে যখন সৌর প্যানেলগুলো অব্যবহৃত থাকবে, তখন উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট-মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এতে প্রতি বছর প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের যৌক্তিকতা
বিএডিসি জানিয়েছে, দেশে বিদ্যুত উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়লেও সরবরাহের ঘাটতি ও নিম্ন ভোল্টেজের কারণে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পরিচালনায় সমস্যা হয়। এমন পরিস্থিতিতে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সেচব্যবস্থা চালু রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি কৃষিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমবে, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পাবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারা বিশ্ব যেখানে দ্রুত সৌরবিদ্যুতের দিকে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। তেলের দাম ও সরবরাহের অনিশ্চয়তা বিবেচনায় কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। তবে শুধু প্রকল্প হাতে নিলেই হবে না, কৃষকদের ভর্তুকি ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ছয় মাসের শুল্ক-কর ছাড়







