নির্বাচন উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়, ভাড়া ৩ গুণ

নির্বাচন উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়, ভাড়া ৩ গুণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এ কারণে গতকাল সোমবার বিকেল থেকেই রাজধানীর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। অনেক জায়গায় ট্রেনের ছাদে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী বহনের দৃশ্য দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে কমলাপুর, বিমানবন্দর ও গাজীপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। আসন সংকটের কারণে অনেকে ট্রেনের ছাদে উঠে যাত্রা করতে বাধ্য হয়েছে।
এ বিষয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, সোমবার থেকে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ বেড়েছে। মঙ্গলবার সকালেও যাত্রীদের ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য। সব ট্রেন সময়মতো ছেড়ে গেলেও বুড়িমারী এক্সপ্রেস দেরিতে আসে এবং দেরিতে ছেড়ে যায়। রেলওয়ের পক্ষ থেকে ট্রেনের ছাদে ওঠার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনেক যাত্রী বিভিন্নভাবে ছাদে ওঠার চেষ্টা করছে।
সড়কপথেও একই ধরনের চাপ লক্ষ করা গেছে। বাস রিকুইজিশনের কারণে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন বাসমালিকেরা। এতে ঘরমুখী যাত্রীরা গাড়ির সংকটে পড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাস, ট্রাক কিংবা যে গাড়ি পাচ্ছে; সেটিতে যাত্রা করছে। পর্যাপ্ত গাড়ি না থাকায় টিকিট না পাওয়ার অভিযোগও আছে যাত্রীদের।
এছাড়া ৫০০ টাকার ভাড়া ১২০০ থেকে ১৫০০ চাওয়া হচ্ছে। এতে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা মাওনা এলাকায় কিছু সময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টঙ্গী কলেজ গেট থেকে মাওনা চৌরাস্তা ও গাজীপুরের ভোগড়া এলাকা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর বাইপাস পর্যন্ত যানজট রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন।
এক পরিবহনের ম্যানেজার বলেন, সড়কপথে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে, তবে মহাসড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। বিভিন্ন জায়গায় যানজটের কারণে গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে চন্দ্রা এলাকায় তীব্র যানজট হচ্ছে। এ কারণে আজ রাতের অনেক বাসের নির্ধারিত সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রীর চাপ থাকলেও গাড়ির স্বল্পতায় টিকিট বিক্রি করা যাচ্ছে না।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
নির্বাচনের ছুটিতে ঘরে ফেরার এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে না পারায় সব পথেই যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে বলে মনে করছেন পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এ কারণে গতকাল সোমবার বিকেল থেকেই রাজধানীর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। অনেক জায়গায় ট্রেনের ছাদে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী বহনের দৃশ্য দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে কমলাপুর, বিমানবন্দর ও গাজীপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। আসন সংকটের কারণে অনেকে ট্রেনের ছাদে উঠে যাত্রা করতে বাধ্য হয়েছে।
এ বিষয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, সোমবার থেকে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ বেড়েছে। মঙ্গলবার সকালেও যাত্রীদের ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য। সব ট্রেন সময়মতো ছেড়ে গেলেও বুড়িমারী এক্সপ্রেস দেরিতে আসে এবং দেরিতে ছেড়ে যায়। রেলওয়ের পক্ষ থেকে ট্রেনের ছাদে ওঠার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনেক যাত্রী বিভিন্নভাবে ছাদে ওঠার চেষ্টা করছে।
সড়কপথেও একই ধরনের চাপ লক্ষ করা গেছে। বাস রিকুইজিশনের কারণে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন বাসমালিকেরা। এতে ঘরমুখী যাত্রীরা গাড়ির সংকটে পড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাস, ট্রাক কিংবা যে গাড়ি পাচ্ছে; সেটিতে যাত্রা করছে। পর্যাপ্ত গাড়ি না থাকায় টিকিট না পাওয়ার অভিযোগও আছে যাত্রীদের।
এছাড়া ৫০০ টাকার ভাড়া ১২০০ থেকে ১৫০০ চাওয়া হচ্ছে। এতে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা মাওনা এলাকায় কিছু সময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টঙ্গী কলেজ গেট থেকে মাওনা চৌরাস্তা ও গাজীপুরের ভোগড়া এলাকা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর বাইপাস পর্যন্ত যানজট রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন।
এক পরিবহনের ম্যানেজার বলেন, সড়কপথে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে, তবে মহাসড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। বিভিন্ন জায়গায় যানজটের কারণে গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে চন্দ্রা এলাকায় তীব্র যানজট হচ্ছে। এ কারণে আজ রাতের অনেক বাসের নির্ধারিত সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রীর চাপ থাকলেও গাড়ির স্বল্পতায় টিকিট বিক্রি করা যাচ্ছে না।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
নির্বাচনের ছুটিতে ঘরে ফেরার এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে না পারায় সব পথেই যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে বলে মনে করছেন পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

নির্বাচন উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়, ভাড়া ৩ গুণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এ কারণে গতকাল সোমবার বিকেল থেকেই রাজধানীর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। অনেক জায়গায় ট্রেনের ছাদে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী বহনের দৃশ্য দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে কমলাপুর, বিমানবন্দর ও গাজীপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। আসন সংকটের কারণে অনেকে ট্রেনের ছাদে উঠে যাত্রা করতে বাধ্য হয়েছে।
এ বিষয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, সোমবার থেকে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ বেড়েছে। মঙ্গলবার সকালেও যাত্রীদের ভিড় ছিল উল্লেখযোগ্য। সব ট্রেন সময়মতো ছেড়ে গেলেও বুড়িমারী এক্সপ্রেস দেরিতে আসে এবং দেরিতে ছেড়ে যায়। রেলওয়ের পক্ষ থেকে ট্রেনের ছাদে ওঠার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনেক যাত্রী বিভিন্নভাবে ছাদে ওঠার চেষ্টা করছে।
সড়কপথেও একই ধরনের চাপ লক্ষ করা গেছে। বাস রিকুইজিশনের কারণে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন বাসমালিকেরা। এতে ঘরমুখী যাত্রীরা গাড়ির সংকটে পড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাস, ট্রাক কিংবা যে গাড়ি পাচ্ছে; সেটিতে যাত্রা করছে। পর্যাপ্ত গাড়ি না থাকায় টিকিট না পাওয়ার অভিযোগও আছে যাত্রীদের।
এছাড়া ৫০০ টাকার ভাড়া ১২০০ থেকে ১৫০০ চাওয়া হচ্ছে। এতে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা মাওনা এলাকায় কিছু সময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টঙ্গী কলেজ গেট থেকে মাওনা চৌরাস্তা ও গাজীপুরের ভোগড়া এলাকা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর বাইপাস পর্যন্ত যানজট রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন।
এক পরিবহনের ম্যানেজার বলেন, সড়কপথে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে, তবে মহাসড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। বিভিন্ন জায়গায় যানজটের কারণে গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে চন্দ্রা এলাকায় তীব্র যানজট হচ্ছে। এ কারণে আজ রাতের অনেক বাসের নির্ধারিত সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রীর চাপ থাকলেও গাড়ির স্বল্পতায় টিকিট বিক্রি করা যাচ্ছে না।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
নির্বাচনের ছুটিতে ঘরে ফেরার এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে না পারায় সব পথেই যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে বলে মনে করছেন পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।




