বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
সিজেডএন ডেস্ক

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ জীবনের হাড়ভাঙা খাটুনি আর মানসিক চাপের পর বৃদ্ধ বয়সে অনেকেই রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। সেইসঙ্গে তারা ধীরে ধীরে কী খেতে হবে আর কী খাওয়া উচিত নয় এগুলো বুঝে উঠতে পারেন না। সুস্বাদু বলে অনেক সময় এমন খাবার খেয়ে ফেলেন, যা শরীরে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই বয়স যখন ষাটের কাছাকাছি, বা তার বেশি, তখন কিছু খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্রক্রিয়াজাত মাংস
প্রক্রিয়াজাত মাংসে উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। অনেকের পছন্দের খাবার হলেও এটি রক্তচাপ বৃদ্ধি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এর ব্যবহার কমানো অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে ষাট বছর বয়সের পর। কারণ তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ভালো রাখতে মুরগি বা মাছের মতো তাজা খাবার বেছে নিন।
এ বয়সে বেশি করে উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিন গ্রহণ করাও উপকারী হতে পারে।
মিষ্টি পানীয়
তৃষ্ণা মেটানোর জন্য অনেকেই মিষ্টি পানীয় পান করেন। কিন্তু এটি অতিরিক্ত ক্যালোরি ও চিনি বহন করে। যা ওজন বৃদ্ধি এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে আসে। তাই পানীয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে সাধারণ পানিই সর্বোত্তম বিকল্প। এটা অতিরিক্ত ক্যালোরি ছাড়াই শরীরকে আর্দ্র রাখে। স্বাদের জন্য পানিতে ফল বা ভেষজ মিশিয়ে পান করার কথা ভাবতে পারেন।
সাদা পাউরুটি
সাদা পাউরুটি নরম এবং সুবিধাজনক মনে হয়। তবে বার্ধক্যজনিত শরীরের জন্য এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকে। পাউরুটিতে থাকা উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমস্যা তৈরি করে। এর পরিবর্তে পূর্ণ শস্যের খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে। এতে উন্নত পুষ্টি এবং টেকসই শক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি উচ্চ মাত্রায় ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তি এবং হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ভাজা খাবার
ভাজা খাবারে পুষ্টিগুণ থাকে না। এতে অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ক্যালোরি থাকে। এগুলো হৃদপিণ্ড এবং কোমরের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ষাটোর্ধ্বদের জন্য এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।
ফুল ফ্যাট দুগ্ধজাত পণ্য
ফুল ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার তৃপ্তিদায়ক হলেও, এগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। যা কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর পরিবর্তে কম-ফ্যাটযুক্ত বা নন-ডেইরি বেছে নিলে অতিরিক্ত ঝুঁকি ছাড়াই একই রকম তৃপ্তি পাওয়া যায়।
উচ্চ-সোডিয়ামযুক্ত খাবার
টিনজাত এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্যে উচ্চ-সোডিয়াম বেশি পাওয়া যায়। এগুলো উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই বয়স্কদের এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে তাজা ফল ও সবজি এবং কম সোডিয়ামযুক্ত খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে।
পেস্ট্রি এবং কেক
পেস্ট্রি এবং কেক খেতে সুস্বাদু। তবে এগুলোতে উচ্চ মাত্রার চিনি এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। নিয়মিত এসব খেলে ওজন বৃদ্ধি এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর পরিবর্তে ফল বা দই খেলে একদিকে মিষ্টির তৃপ্তি পাওয়া যায়, অন্যদিকে পুষ্টিও পাওয়া যায়।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ জীবনের হাড়ভাঙা খাটুনি আর মানসিক চাপের পর বৃদ্ধ বয়সে অনেকেই রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। সেইসঙ্গে তারা ধীরে ধীরে কী খেতে হবে আর কী খাওয়া উচিত নয় এগুলো বুঝে উঠতে পারেন না। সুস্বাদু বলে অনেক সময় এমন খাবার খেয়ে ফেলেন, যা শরীরে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই বয়স যখন ষাটের কাছাকাছি, বা তার বেশি, তখন কিছু খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্রক্রিয়াজাত মাংস
প্রক্রিয়াজাত মাংসে উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। অনেকের পছন্দের খাবার হলেও এটি রক্তচাপ বৃদ্ধি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এর ব্যবহার কমানো অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে ষাট বছর বয়সের পর। কারণ তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ভালো রাখতে মুরগি বা মাছের মতো তাজা খাবার বেছে নিন।
এ বয়সে বেশি করে উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিন গ্রহণ করাও উপকারী হতে পারে।
মিষ্টি পানীয়
তৃষ্ণা মেটানোর জন্য অনেকেই মিষ্টি পানীয় পান করেন। কিন্তু এটি অতিরিক্ত ক্যালোরি ও চিনি বহন করে। যা ওজন বৃদ্ধি এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে আসে। তাই পানীয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে সাধারণ পানিই সর্বোত্তম বিকল্প। এটা অতিরিক্ত ক্যালোরি ছাড়াই শরীরকে আর্দ্র রাখে। স্বাদের জন্য পানিতে ফল বা ভেষজ মিশিয়ে পান করার কথা ভাবতে পারেন।
সাদা পাউরুটি
সাদা পাউরুটি নরম এবং সুবিধাজনক মনে হয়। তবে বার্ধক্যজনিত শরীরের জন্য এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকে। পাউরুটিতে থাকা উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমস্যা তৈরি করে। এর পরিবর্তে পূর্ণ শস্যের খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে। এতে উন্নত পুষ্টি এবং টেকসই শক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি উচ্চ মাত্রায় ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তি এবং হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ভাজা খাবার
ভাজা খাবারে পুষ্টিগুণ থাকে না। এতে অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ক্যালোরি থাকে। এগুলো হৃদপিণ্ড এবং কোমরের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ষাটোর্ধ্বদের জন্য এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।
ফুল ফ্যাট দুগ্ধজাত পণ্য
ফুল ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার তৃপ্তিদায়ক হলেও, এগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। যা কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর পরিবর্তে কম-ফ্যাটযুক্ত বা নন-ডেইরি বেছে নিলে অতিরিক্ত ঝুঁকি ছাড়াই একই রকম তৃপ্তি পাওয়া যায়।
উচ্চ-সোডিয়ামযুক্ত খাবার
টিনজাত এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্যে উচ্চ-সোডিয়াম বেশি পাওয়া যায়। এগুলো উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই বয়স্কদের এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে তাজা ফল ও সবজি এবং কম সোডিয়ামযুক্ত খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে।
পেস্ট্রি এবং কেক
পেস্ট্রি এবং কেক খেতে সুস্বাদু। তবে এগুলোতে উচ্চ মাত্রার চিনি এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। নিয়মিত এসব খেলে ওজন বৃদ্ধি এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর পরিবর্তে ফল বা দই খেলে একদিকে মিষ্টির তৃপ্তি পাওয়া যায়, অন্যদিকে পুষ্টিও পাওয়া যায়।

বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
সিজেডএন ডেস্ক

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ জীবনের হাড়ভাঙা খাটুনি আর মানসিক চাপের পর বৃদ্ধ বয়সে অনেকেই রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। সেইসঙ্গে তারা ধীরে ধীরে কী খেতে হবে আর কী খাওয়া উচিত নয় এগুলো বুঝে উঠতে পারেন না। সুস্বাদু বলে অনেক সময় এমন খাবার খেয়ে ফেলেন, যা শরীরে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই বয়স যখন ষাটের কাছাকাছি, বা তার বেশি, তখন কিছু খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্রক্রিয়াজাত মাংস
প্রক্রিয়াজাত মাংসে উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। অনেকের পছন্দের খাবার হলেও এটি রক্তচাপ বৃদ্ধি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এর ব্যবহার কমানো অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে ষাট বছর বয়সের পর। কারণ তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ভালো রাখতে মুরগি বা মাছের মতো তাজা খাবার বেছে নিন।
এ বয়সে বেশি করে উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিন গ্রহণ করাও উপকারী হতে পারে।
মিষ্টি পানীয়
তৃষ্ণা মেটানোর জন্য অনেকেই মিষ্টি পানীয় পান করেন। কিন্তু এটি অতিরিক্ত ক্যালোরি ও চিনি বহন করে। যা ওজন বৃদ্ধি এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে আসে। তাই পানীয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে সাধারণ পানিই সর্বোত্তম বিকল্প। এটা অতিরিক্ত ক্যালোরি ছাড়াই শরীরকে আর্দ্র রাখে। স্বাদের জন্য পানিতে ফল বা ভেষজ মিশিয়ে পান করার কথা ভাবতে পারেন।
সাদা পাউরুটি
সাদা পাউরুটি নরম এবং সুবিধাজনক মনে হয়। তবে বার্ধক্যজনিত শরীরের জন্য এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থাকে। পাউরুটিতে থাকা উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমস্যা তৈরি করে। এর পরিবর্তে পূর্ণ শস্যের খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে। এতে উন্নত পুষ্টি এবং টেকসই শক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি উচ্চ মাত্রায় ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তি এবং হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ভাজা খাবার
ভাজা খাবারে পুষ্টিগুণ থাকে না। এতে অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ক্যালোরি থাকে। এগুলো হৃদপিণ্ড এবং কোমরের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ষাটোর্ধ্বদের জন্য এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।
ফুল ফ্যাট দুগ্ধজাত পণ্য
ফুল ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার তৃপ্তিদায়ক হলেও, এগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। যা কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর পরিবর্তে কম-ফ্যাটযুক্ত বা নন-ডেইরি বেছে নিলে অতিরিক্ত ঝুঁকি ছাড়াই একই রকম তৃপ্তি পাওয়া যায়।
উচ্চ-সোডিয়ামযুক্ত খাবার
টিনজাত এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্যে উচ্চ-সোডিয়াম বেশি পাওয়া যায়। এগুলো উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই বয়স্কদের এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে তাজা ফল ও সবজি এবং কম সোডিয়ামযুক্ত খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে।
পেস্ট্রি এবং কেক
পেস্ট্রি এবং কেক খেতে সুস্বাদু। তবে এগুলোতে উচ্চ মাত্রার চিনি এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। নিয়মিত এসব খেলে ওজন বৃদ্ধি এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর পরিবর্তে ফল বা দই খেলে একদিকে মিষ্টির তৃপ্তি পাওয়া যায়, অন্যদিকে পুষ্টিও পাওয়া যায়।

কোরিয়ানদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে খাবেন যেসব খাবার







