মার্কিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হরমুজে হামলার কৌশল বদলাচ্ছে ইরান

মার্কিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হরমুজে হামলার কৌশল বদলাচ্ছে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্ববাজারে তেলের দাম চড়া রাখতে এবং মার্কিন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার কৌশল পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা শুরু করে তেহরান। টানা কয়েক মাস প্রণালিটি কার্যতভাবে বন্ধ রাখার ফলে বিশ্ববাজারের একটি বড় অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, এ সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এ পথ দিয়েই পরিবাহিত হতো।
ইরানের এ পদক্ষেপে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার চরম অস্থির হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ এখন জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ই এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ। নির্বাচনি ফলাফলের ওপর মার্কিন কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ের নীতি নির্ধারণ নির্ভর করছে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, হরমুজে আরোপিত বিধিনিষেধ যারা অমান্য করছে, তাদের জন্য হামলার ধরন বদলাচ্ছে তেহরান। ফলে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক বাড়তে পারে। কর্মকর্তা আরও বলেন, এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া এবং তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার আশা করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জানান, ইরান তাদের কৌশলে যে পরিবর্তনগুলো এনেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ছোট নৌকায় নিরস্ত্র পর্যবেক্ষক পাঠানো, যাতে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজের মতো সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সহজে শনাক্ত করা যায়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি সামুদ্রিক মাইনের আঘাতে একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে।
তবে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা (ইউকেএমটিও), তাৎক্ষণিকভাবে আইআরজিসির এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
সূত্র: রয়টার্স

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্ববাজারে তেলের দাম চড়া রাখতে এবং মার্কিন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার কৌশল পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা শুরু করে তেহরান। টানা কয়েক মাস প্রণালিটি কার্যতভাবে বন্ধ রাখার ফলে বিশ্ববাজারের একটি বড় অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, এ সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এ পথ দিয়েই পরিবাহিত হতো।
ইরানের এ পদক্ষেপে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার চরম অস্থির হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ এখন জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ই এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ। নির্বাচনি ফলাফলের ওপর মার্কিন কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ের নীতি নির্ধারণ নির্ভর করছে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, হরমুজে আরোপিত বিধিনিষেধ যারা অমান্য করছে, তাদের জন্য হামলার ধরন বদলাচ্ছে তেহরান। ফলে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক বাড়তে পারে। কর্মকর্তা আরও বলেন, এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া এবং তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার আশা করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জানান, ইরান তাদের কৌশলে যে পরিবর্তনগুলো এনেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ছোট নৌকায় নিরস্ত্র পর্যবেক্ষক পাঠানো, যাতে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজের মতো সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সহজে শনাক্ত করা যায়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি সামুদ্রিক মাইনের আঘাতে একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে।
তবে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা (ইউকেএমটিও), তাৎক্ষণিকভাবে আইআরজিসির এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হরমুজে হামলার কৌশল বদলাচ্ছে ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্ববাজারে তেলের দাম চড়া রাখতে এবং মার্কিন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার কৌশল পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা শুরু করে তেহরান। টানা কয়েক মাস প্রণালিটি কার্যতভাবে বন্ধ রাখার ফলে বিশ্ববাজারের একটি বড় অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, এ সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এ পথ দিয়েই পরিবাহিত হতো।
ইরানের এ পদক্ষেপে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার চরম অস্থির হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ এখন জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটির ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ই এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ। নির্বাচনি ফলাফলের ওপর মার্কিন কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ের নীতি নির্ধারণ নির্ভর করছে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, হরমুজে আরোপিত বিধিনিষেধ যারা অমান্য করছে, তাদের জন্য হামলার ধরন বদলাচ্ছে তেহরান। ফলে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক বাড়তে পারে। কর্মকর্তা আরও বলেন, এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া এবং তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার আশা করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জানান, ইরান তাদের কৌশলে যে পরিবর্তনগুলো এনেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ছোট নৌকায় নিরস্ত্র পর্যবেক্ষক পাঠানো, যাতে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজের মতো সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সহজে শনাক্ত করা যায়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি সামুদ্রিক মাইনের আঘাতে একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে।
তবে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা (ইউকেএমটিও), তাৎক্ষণিকভাবে আইআরজিসির এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
সূত্র: রয়টার্স

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান







