প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না: ইরান

প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না: ইরান
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এক ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তবে এ চুক্তি রিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের বার্তা- অন্যের ওপর ভরসা না করে নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনাই সৌদি আরবের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে এ চুক্তিতে সই করেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। নতুন এ চুক্তির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তারা একসঙ্গে জবাব দেবে। মূলত বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলা এবং নিজেদের প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতেই তিন দেশ এ জোট গড়ে তুলেছে।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ইরানের পার্লামেন্টের প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম রেজায়ি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বছরের পর বছর আমেরিকার ওপর একতরফা নির্ভর করেও সৌদি আরব কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পায়নি। তাই তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে এই কাগজের চুক্তিও তাদের নতুন কোনো সুরক্ষা দেবে না। নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য অন্যদের কাছে হাত না পেতে রিয়াদকে নিজেদের নীতিতে ইতিবাচক সংস্কার আনার পরামর্শ দেন তিনি।
অন্যদিকে এ চুক্তি নিয়ে কোনো ধরণের আতঙ্ক বা ভুল বোঝাবুঝি না রাখার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। আঙ্কারার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ‘মক্কা চুক্তি’ নির্দিষ্ট কোনো দেশকে শত্রু বানিয়ে করা হয়নি। এ তিন দেশের সম্মিলিত শক্তি মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এক ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তবে এ চুক্তি রিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের বার্তা- অন্যের ওপর ভরসা না করে নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনাই সৌদি আরবের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে এ চুক্তিতে সই করেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। নতুন এ চুক্তির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তারা একসঙ্গে জবাব দেবে। মূলত বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলা এবং নিজেদের প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতেই তিন দেশ এ জোট গড়ে তুলেছে।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ইরানের পার্লামেন্টের প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম রেজায়ি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বছরের পর বছর আমেরিকার ওপর একতরফা নির্ভর করেও সৌদি আরব কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পায়নি। তাই তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে এই কাগজের চুক্তিও তাদের নতুন কোনো সুরক্ষা দেবে না। নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য অন্যদের কাছে হাত না পেতে রিয়াদকে নিজেদের নীতিতে ইতিবাচক সংস্কার আনার পরামর্শ দেন তিনি।
অন্যদিকে এ চুক্তি নিয়ে কোনো ধরণের আতঙ্ক বা ভুল বোঝাবুঝি না রাখার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। আঙ্কারার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ‘মক্কা চুক্তি’ নির্দিষ্ট কোনো দেশকে শত্রু বানিয়ে করা হয়নি। এ তিন দেশের সম্মিলিত শক্তি মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না: ইরান
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এক ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তবে এ চুক্তি রিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের বার্তা- অন্যের ওপর ভরসা না করে নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনাই সৌদি আরবের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে এ চুক্তিতে সই করেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। নতুন এ চুক্তির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তারা একসঙ্গে জবাব দেবে। মূলত বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলা এবং নিজেদের প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতেই তিন দেশ এ জোট গড়ে তুলেছে।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ইরানের পার্লামেন্টের প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম রেজায়ি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বছরের পর বছর আমেরিকার ওপর একতরফা নির্ভর করেও সৌদি আরব কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পায়নি। তাই তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে এই কাগজের চুক্তিও তাদের নতুন কোনো সুরক্ষা দেবে না। নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য অন্যদের কাছে হাত না পেতে রিয়াদকে নিজেদের নীতিতে ইতিবাচক সংস্কার আনার পরামর্শ দেন তিনি।
অন্যদিকে এ চুক্তি নিয়ে কোনো ধরণের আতঙ্ক বা ভুল বোঝাবুঝি না রাখার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। আঙ্কারার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ‘মক্কা চুক্তি’ নির্দিষ্ট কোনো দেশকে শত্রু বানিয়ে করা হয়নি। এ তিন দেশের সম্মিলিত শক্তি মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: আল জাজিরা

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর







