জার্মানিতে তরুণদের বিক্ষোভ: লুটপাট-ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ

জার্মানিতে তরুণদের বিক্ষোভ: লুটপাট-ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে জার্মানির ৩২টিরও বেশি শহরে তরুণদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত সহিংসতায় রূপ নেয়। বিশেষ করে ফ্রাঙ্কফুর্ট ও কোলনের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শপিং মলে হামলা, দোকান থেকে পণ্য লুট এবং পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘জেন জি রেগেল্ট’ সংগঠনের ডাকে দেশজুড়ে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। তরুণদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে ছিল- শিক্ষায় বাজেট বাড়ানো, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ বন্ধ করা। দিনের বেলায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। দেশের অধিকাংশ শহরে আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও রাতের চিত্র ছিল ভিন্ন। ২০ নভেম্বর আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।
জার্মানির সংবাদমাধ্যম ‘হেসেনশাওয়ার’ জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান শপিং সেন্টার এলাকা ‘জাইলে’ মুখোশধারী একদল লোক বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত দোকানের কাচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। সেখান থেকে জুতা ও বিভিন্ন পণ্য লুট করা হয়। এমনকি একটি অস্ত্রের দোকানেও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করে এবং কয়েকজনকে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো এলাকাটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দিনের কর্মসূচি শেষ হলেও রাতের দিকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে একটি দল। পুলিশের ওপর ইট, পাথর, বোতল ও আতশবাজি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। তবে জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতের হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে দিনের মূল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তরুণদের সরাসরি কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, ছোট ছোট কয়েকটি দল এ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তারা আদৌ মূল বিক্ষোভের অংশ ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। আয়োজক সংগঠন ‘জেন জি রেগেল্ট’ শুরু থেকেই সহিংসতামুক্ত কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শান্তিপূর্ণ জমায়েতের সুযোগ নিয়ে বাম উগ্রপন্থি দলের কিছু সদস্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে জড়িয়ে পড়েছিল।
ফ্রাঙ্কফুর্টের পাশাপাশি কোলন শহরেও রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের প্রধান রেলস্টেশন এবং বিখ্যাত ক্যাথেড্রাল এলাকা ঘিরে সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডব্লিউডিআর জানিয়েছে, মূল বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর রাতের দিকে কয়েকটি ছোট গ্রুপ শহরের দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে ভাঙচুরে লিপ্ত হয়।
সূত্র: বিবিসি

শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে জার্মানির ৩২টিরও বেশি শহরে তরুণদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত সহিংসতায় রূপ নেয়। বিশেষ করে ফ্রাঙ্কফুর্ট ও কোলনের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শপিং মলে হামলা, দোকান থেকে পণ্য লুট এবং পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘জেন জি রেগেল্ট’ সংগঠনের ডাকে দেশজুড়ে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। তরুণদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে ছিল- শিক্ষায় বাজেট বাড়ানো, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ বন্ধ করা। দিনের বেলায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। দেশের অধিকাংশ শহরে আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও রাতের চিত্র ছিল ভিন্ন। ২০ নভেম্বর আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।
জার্মানির সংবাদমাধ্যম ‘হেসেনশাওয়ার’ জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান শপিং সেন্টার এলাকা ‘জাইলে’ মুখোশধারী একদল লোক বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত দোকানের কাচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। সেখান থেকে জুতা ও বিভিন্ন পণ্য লুট করা হয়। এমনকি একটি অস্ত্রের দোকানেও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করে এবং কয়েকজনকে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো এলাকাটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দিনের কর্মসূচি শেষ হলেও রাতের দিকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে একটি দল। পুলিশের ওপর ইট, পাথর, বোতল ও আতশবাজি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। তবে জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতের হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে দিনের মূল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তরুণদের সরাসরি কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, ছোট ছোট কয়েকটি দল এ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তারা আদৌ মূল বিক্ষোভের অংশ ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। আয়োজক সংগঠন ‘জেন জি রেগেল্ট’ শুরু থেকেই সহিংসতামুক্ত কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শান্তিপূর্ণ জমায়েতের সুযোগ নিয়ে বাম উগ্রপন্থি দলের কিছু সদস্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে জড়িয়ে পড়েছিল।
ফ্রাঙ্কফুর্টের পাশাপাশি কোলন শহরেও রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের প্রধান রেলস্টেশন এবং বিখ্যাত ক্যাথেড্রাল এলাকা ঘিরে সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডব্লিউডিআর জানিয়েছে, মূল বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর রাতের দিকে কয়েকটি ছোট গ্রুপ শহরের দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে ভাঙচুরে লিপ্ত হয়।
সূত্র: বিবিসি

জার্মানিতে তরুণদের বিক্ষোভ: লুটপাট-ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে জার্মানির ৩২টিরও বেশি শহরে তরুণদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত সহিংসতায় রূপ নেয়। বিশেষ করে ফ্রাঙ্কফুর্ট ও কোলনের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শপিং মলে হামলা, দোকান থেকে পণ্য লুট এবং পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপের মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘জেন জি রেগেল্ট’ সংগঠনের ডাকে দেশজুড়ে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। তরুণদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে ছিল- শিক্ষায় বাজেট বাড়ানো, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ বন্ধ করা। দিনের বেলায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। দেশের অধিকাংশ শহরে আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও রাতের চিত্র ছিল ভিন্ন। ২০ নভেম্বর আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।
জার্মানির সংবাদমাধ্যম ‘হেসেনশাওয়ার’ জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান শপিং সেন্টার এলাকা ‘জাইলে’ মুখোশধারী একদল লোক বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত দোকানের কাচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। সেখান থেকে জুতা ও বিভিন্ন পণ্য লুট করা হয়। এমনকি একটি অস্ত্রের দোকানেও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করে এবং কয়েকজনকে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো এলাকাটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দিনের কর্মসূচি শেষ হলেও রাতের দিকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে একটি দল। পুলিশের ওপর ইট, পাথর, বোতল ও আতশবাজি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। তবে জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতের হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে দিনের মূল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তরুণদের সরাসরি কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, ছোট ছোট কয়েকটি দল এ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তারা আদৌ মূল বিক্ষোভের অংশ ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। আয়োজক সংগঠন ‘জেন জি রেগেল্ট’ শুরু থেকেই সহিংসতামুক্ত কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শান্তিপূর্ণ জমায়েতের সুযোগ নিয়ে বাম উগ্রপন্থি দলের কিছু সদস্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে জড়িয়ে পড়েছিল।
ফ্রাঙ্কফুর্টের পাশাপাশি কোলন শহরেও রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের প্রধান রেলস্টেশন এবং বিখ্যাত ক্যাথেড্রাল এলাকা ঘিরে সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডব্লিউডিআর জানিয়েছে, মূল বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর রাতের দিকে কয়েকটি ছোট গ্রুপ শহরের দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে ভাঙচুরে লিপ্ত হয়।
সূত্র: বিবিসি

পর্তুগালে বাড়ি ভাড়া কমানোর দাবিতে আবারও বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ







