তুরস্কে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

তুরস্কে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

তুরস্কে উড্ডয়নের পরপরই একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই বিমানটির চালক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বালিকেসিরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাতে রুশ সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে (আরটি) জানিয়েছে, বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানটি ছিল তুরস্ক বিমানবাহিনীর নবম মেইন জেট কমান্ডের অধীনে একটি সামরিক বিমান। রুটিন মিশন ফ্লাইটের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে নবম মেইন জেট কমান্ডের ঘাঁটি থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। এর প্রায় ৫ মিনিটের মধ্যেই রাত ১টার দিকে বুরসা-ইজমির হাইওয়ের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে বিমানঘাঁটির নিরাপত্তা কর্মীরা বিধ্বস্ত বিমানের অবস্থান সনাক্ত করেন এবং সেখান থেকে চালককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, যেখানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তার আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধ্বংসাবশেষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় নিহত পাইলটকে ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। পোস্টে বলা হয়েছে, ‘আমাদের একজন পাইলট শহীদ হয়েছেন। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেই কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’
এফ-১৬ এর পুরো নাম এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন। এটি চতুর্থ প্রজন্মের এক ইঞ্জিনের যুদ্ধবিমান। এটি সুপারসনিক, অর্থাৎ শব্দের গতির চেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন। প্রথমবার এই বিমান তৈরি হয় ১৯৭৬ সালে। শুরু থেকেই এফ-১৬ নির্মাণ করছে মার্কিন সামরিক বিমান নির্মাতা কোম্পানি লকহিড মার্টিন।
সাম্প্রতিককালে কয়েকটি এফ-১৬ বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রুটিন মিশন ফ্লাইটের সময় তাইওয়ানের বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ সাগরে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট বিমান থেকে বের হতে সক্ষম হলেও পরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, গত বছরের আগস্টে পোল্যান্ডে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এয়ার শো প্রদর্শনের সময় বিধ্বস্ত হয়। সেই ঘটনায়ও পাইলট ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আরটি

তুরস্কে উড্ডয়নের পরপরই একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই বিমানটির চালক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বালিকেসিরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাতে রুশ সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে (আরটি) জানিয়েছে, বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানটি ছিল তুরস্ক বিমানবাহিনীর নবম মেইন জেট কমান্ডের অধীনে একটি সামরিক বিমান। রুটিন মিশন ফ্লাইটের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে নবম মেইন জেট কমান্ডের ঘাঁটি থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। এর প্রায় ৫ মিনিটের মধ্যেই রাত ১টার দিকে বুরসা-ইজমির হাইওয়ের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে বিমানঘাঁটির নিরাপত্তা কর্মীরা বিধ্বস্ত বিমানের অবস্থান সনাক্ত করেন এবং সেখান থেকে চালককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, যেখানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তার আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধ্বংসাবশেষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় নিহত পাইলটকে ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। পোস্টে বলা হয়েছে, ‘আমাদের একজন পাইলট শহীদ হয়েছেন। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেই কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’
এফ-১৬ এর পুরো নাম এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন। এটি চতুর্থ প্রজন্মের এক ইঞ্জিনের যুদ্ধবিমান। এটি সুপারসনিক, অর্থাৎ শব্দের গতির চেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন। প্রথমবার এই বিমান তৈরি হয় ১৯৭৬ সালে। শুরু থেকেই এফ-১৬ নির্মাণ করছে মার্কিন সামরিক বিমান নির্মাতা কোম্পানি লকহিড মার্টিন।
সাম্প্রতিককালে কয়েকটি এফ-১৬ বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রুটিন মিশন ফ্লাইটের সময় তাইওয়ানের বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ সাগরে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট বিমান থেকে বের হতে সক্ষম হলেও পরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, গত বছরের আগস্টে পোল্যান্ডে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এয়ার শো প্রদর্শনের সময় বিধ্বস্ত হয়। সেই ঘটনায়ও পাইলট ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আরটি

তুরস্কে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

তুরস্কে উড্ডয়নের পরপরই একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই বিমানটির চালক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বালিকেসিরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাতে রুশ সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে (আরটি) জানিয়েছে, বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানটি ছিল তুরস্ক বিমানবাহিনীর নবম মেইন জেট কমান্ডের অধীনে একটি সামরিক বিমান। রুটিন মিশন ফ্লাইটের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে নবম মেইন জেট কমান্ডের ঘাঁটি থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। এর প্রায় ৫ মিনিটের মধ্যেই রাত ১টার দিকে বুরসা-ইজমির হাইওয়ের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে বিমানঘাঁটির নিরাপত্তা কর্মীরা বিধ্বস্ত বিমানের অবস্থান সনাক্ত করেন এবং সেখান থেকে চালককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, যেখানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তার আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধ্বংসাবশেষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় নিহত পাইলটকে ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। পোস্টে বলা হয়েছে, ‘আমাদের একজন পাইলট শহীদ হয়েছেন। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেই কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’
এফ-১৬ এর পুরো নাম এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন। এটি চতুর্থ প্রজন্মের এক ইঞ্জিনের যুদ্ধবিমান। এটি সুপারসনিক, অর্থাৎ শব্দের গতির চেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন। প্রথমবার এই বিমান তৈরি হয় ১৯৭৬ সালে। শুরু থেকেই এফ-১৬ নির্মাণ করছে মার্কিন সামরিক বিমান নির্মাতা কোম্পানি লকহিড মার্টিন।
সাম্প্রতিককালে কয়েকটি এফ-১৬ বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রুটিন মিশন ফ্লাইটের সময় তাইওয়ানের বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ সাগরে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট বিমান থেকে বের হতে সক্ষম হলেও পরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, গত বছরের আগস্টে পোল্যান্ডে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এয়ার শো প্রদর্শনের সময় বিধ্বস্ত হয়। সেই ঘটনায়ও পাইলট ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আরটি




