মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধে ব্রিকসের সঙ্গে কাজ চীন: শি জিনপিং

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধে ব্রিকসের সঙ্গে কাজ চীন: শি জিনপিং
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দ্রুত বন্ধ করতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে চীন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এ সংকট থেকে উত্তরণে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ‘ইতিহাসের সঠিক পক্ষে’ দাঁড়ানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। চীনা প্রেসিডেন্টের মতে, এ যুদ্ধ কেবল সাধারণ মানুষের জীবনেই মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনেনি, বরং তা পুরো আন্তর্জাতিক সমাজের স্বার্থের পরিপন্থী।
এবারের সম্মেলনে ভূ-রাজনীতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়টিও বিশেষভাবে সামনে এনেছেন শি জিনপিং। ওপেন সোর্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার পাশাপাশি বেইজিংয়ের নেতৃত্বাধীন এ জোটে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হতে ব্রিকস সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শুধু তাই নয়, সাইবার স্পেস, মহাশূন্য কিংবা গভীর সমুদ্রের সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের একাধিপত্য ভেঙে ব্রিকস নিজেই যাতে একটি নিজস্ব ও স্বাধীন বৈশ্বিক শাসনকাঠামো গড়ে তুলতে পারে সে বিষয়েও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
এগারোটি দেশের এ গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন সংঘাতের পাশাপাশি বাণিজ্যের প্রসার এবং জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পেয়েছে। কূটনৈতিক দিক থেকে এ সম্মেলনটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ২০১৯ সালের পর এটিই ছিল শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় ঘটা সংঘাতের পর দুই দেশের বরফ গলতে শুরু করার ক্ষেত্রে এ সফরকে একটি বড় কূটনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় কূটনীতিতেও বেশ চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমবারের মতো ভারত সফরে এসেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন সংঘাতের প্রসঙ্গ ধরে ভারতের সঙ্গে তার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ফিলিস্তিন সংকটে যুদ্ধবিরতির পক্ষে চীনের জোরালো অবস্থান এবং ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে পশ্চিমা ফোরামগুলোর একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বিকল্প হিসেবে এই জোটকে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দ্রুত বন্ধ করতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে চীন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এ সংকট থেকে উত্তরণে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ‘ইতিহাসের সঠিক পক্ষে’ দাঁড়ানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। চীনা প্রেসিডেন্টের মতে, এ যুদ্ধ কেবল সাধারণ মানুষের জীবনেই মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনেনি, বরং তা পুরো আন্তর্জাতিক সমাজের স্বার্থের পরিপন্থী।
এবারের সম্মেলনে ভূ-রাজনীতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়টিও বিশেষভাবে সামনে এনেছেন শি জিনপিং। ওপেন সোর্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার পাশাপাশি বেইজিংয়ের নেতৃত্বাধীন এ জোটে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হতে ব্রিকস সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শুধু তাই নয়, সাইবার স্পেস, মহাশূন্য কিংবা গভীর সমুদ্রের সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের একাধিপত্য ভেঙে ব্রিকস নিজেই যাতে একটি নিজস্ব ও স্বাধীন বৈশ্বিক শাসনকাঠামো গড়ে তুলতে পারে সে বিষয়েও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
এগারোটি দেশের এ গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন সংঘাতের পাশাপাশি বাণিজ্যের প্রসার এবং জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পেয়েছে। কূটনৈতিক দিক থেকে এ সম্মেলনটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ২০১৯ সালের পর এটিই ছিল শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় ঘটা সংঘাতের পর দুই দেশের বরফ গলতে শুরু করার ক্ষেত্রে এ সফরকে একটি বড় কূটনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় কূটনীতিতেও বেশ চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমবারের মতো ভারত সফরে এসেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন সংঘাতের প্রসঙ্গ ধরে ভারতের সঙ্গে তার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ফিলিস্তিন সংকটে যুদ্ধবিরতির পক্ষে চীনের জোরালো অবস্থান এবং ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে পশ্চিমা ফোরামগুলোর একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বিকল্প হিসেবে এই জোটকে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধে ব্রিকসের সঙ্গে কাজ চীন: শি জিনপিং
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দ্রুত বন্ধ করতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে চীন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এ সংকট থেকে উত্তরণে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ‘ইতিহাসের সঠিক পক্ষে’ দাঁড়ানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। চীনা প্রেসিডেন্টের মতে, এ যুদ্ধ কেবল সাধারণ মানুষের জীবনেই মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনেনি, বরং তা পুরো আন্তর্জাতিক সমাজের স্বার্থের পরিপন্থী।
এবারের সম্মেলনে ভূ-রাজনীতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়টিও বিশেষভাবে সামনে এনেছেন শি জিনপিং। ওপেন সোর্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার পাশাপাশি বেইজিংয়ের নেতৃত্বাধীন এ জোটে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হতে ব্রিকস সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শুধু তাই নয়, সাইবার স্পেস, মহাশূন্য কিংবা গভীর সমুদ্রের সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের একাধিপত্য ভেঙে ব্রিকস নিজেই যাতে একটি নিজস্ব ও স্বাধীন বৈশ্বিক শাসনকাঠামো গড়ে তুলতে পারে সে বিষয়েও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
এগারোটি দেশের এ গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন সংঘাতের পাশাপাশি বাণিজ্যের প্রসার এবং জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব পেয়েছে। কূটনৈতিক দিক থেকে এ সম্মেলনটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ২০১৯ সালের পর এটিই ছিল শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় ঘটা সংঘাতের পর দুই দেশের বরফ গলতে শুরু করার ক্ষেত্রে এ সফরকে একটি বড় কূটনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় কূটনীতিতেও বেশ চাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমবারের মতো ভারত সফরে এসেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন সংঘাতের প্রসঙ্গ ধরে ভারতের সঙ্গে তার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ফিলিস্তিন সংকটে যুদ্ধবিরতির পক্ষে চীনের জোরালো অবস্থান এবং ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে পশ্চিমা ফোরামগুলোর একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বিকল্প হিসেবে এই জোটকে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লিতে শি জিনপিং, বিতর্কিত সীমান্তে কী করছে চীনা বাহিনী







