মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে জালিয়াতি, আটক ১১ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে জালিয়াতি, আটক ১১ বাংলাদেশি
সিজেডএন ডেস্ক

বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা জালিয়াতি এবং কর্মী সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ১১ বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় অভিযান শুরু হয়। পুত্রজায়ায় অবস্থিত অভিবাসন বিভাগের সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখা এবং দেশটির রাজস্ব বিভাগের দুটি ইউনিট যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। জনসাধারণের দেওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে অভিযানটি চালানো হয়।
জাকারিয়া শাবান বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি পুরুষ রয়েছেন, যারা সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যবস্থাপক বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ছয়জন মালয়েশীয় নারী কর্মী এবং ১২ জন বিদেশি গ্রাহককে আটক করা হয়েছে। বিদেশি গ্রাহকদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি পুরুষ ও তিনজন ইন্দোনেশীয় নারী রয়েছেন।
অভিযানে ২৬৫টি বাংলাদেশি, ৬৩টি ইন্দোনেশীয়, ১২টি পাকিস্তানি ও একটি ভারতীয় পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে, এমন ৬ হাজার ৭০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত জব্দ করেছে অভিযানকারী দল।
প্রাথমিক তদন্তে অভিবাসন বিভাগ জানতে পেরেছে, চক্রটি ‘এ-টু-বি’ পদ্ধতিতে বিদেশি কর্মী সরবরাহ করত। এ পদ্ধতিতে একটি প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি নিত এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসের (পিএলকেএস) আওতায় কর্মীদের মালয়েশিয়ায় আনত। পরে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ করানোর পরিবর্তে এসব কর্মীকে মুনাফার বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হতো।
বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় আনার পর কর্মীদের অনেকে অনুমোদন দেওয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে কাজ করতেন।
অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালকের ধারণা, এভাবে প্রত্যেক কর্মীকে মালয়েশিয়ায় এনে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত মুনাফা করত চক্রটি। কর ফাঁকি দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকৃত আয়ের তুলনায় কম মুনাফা দেখাত বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্যক্তিগত আয়ের হিসাবও জমা দেয়নি বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা অপব্যবহার করে যারা অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা ও মুনাফা অর্জন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা জালিয়াতি এবং কর্মী সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ১১ বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় অভিযান শুরু হয়। পুত্রজায়ায় অবস্থিত অভিবাসন বিভাগের সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখা এবং দেশটির রাজস্ব বিভাগের দুটি ইউনিট যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। জনসাধারণের দেওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে অভিযানটি চালানো হয়।
জাকারিয়া শাবান বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি পুরুষ রয়েছেন, যারা সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যবস্থাপক বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ছয়জন মালয়েশীয় নারী কর্মী এবং ১২ জন বিদেশি গ্রাহককে আটক করা হয়েছে। বিদেশি গ্রাহকদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি পুরুষ ও তিনজন ইন্দোনেশীয় নারী রয়েছেন।
অভিযানে ২৬৫টি বাংলাদেশি, ৬৩টি ইন্দোনেশীয়, ১২টি পাকিস্তানি ও একটি ভারতীয় পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে, এমন ৬ হাজার ৭০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত জব্দ করেছে অভিযানকারী দল।
প্রাথমিক তদন্তে অভিবাসন বিভাগ জানতে পেরেছে, চক্রটি ‘এ-টু-বি’ পদ্ধতিতে বিদেশি কর্মী সরবরাহ করত। এ পদ্ধতিতে একটি প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি নিত এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসের (পিএলকেএস) আওতায় কর্মীদের মালয়েশিয়ায় আনত। পরে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ করানোর পরিবর্তে এসব কর্মীকে মুনাফার বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হতো।
বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় আনার পর কর্মীদের অনেকে অনুমোদন দেওয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে কাজ করতেন।
অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালকের ধারণা, এভাবে প্রত্যেক কর্মীকে মালয়েশিয়ায় এনে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত মুনাফা করত চক্রটি। কর ফাঁকি দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকৃত আয়ের তুলনায় কম মুনাফা দেখাত বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্যক্তিগত আয়ের হিসাবও জমা দেয়নি বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা অপব্যবহার করে যারা অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা ও মুনাফা অর্জন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে জালিয়াতি, আটক ১১ বাংলাদেশি
সিজেডএন ডেস্ক

বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা জালিয়াতি এবং কর্মী সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ১১ বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় অভিযান শুরু হয়। পুত্রজায়ায় অবস্থিত অভিবাসন বিভাগের সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখা এবং দেশটির রাজস্ব বিভাগের দুটি ইউনিট যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। জনসাধারণের দেওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে অভিযানটি চালানো হয়।
জাকারিয়া শাবান বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি পুরুষ রয়েছেন, যারা সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যবস্থাপক বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ছয়জন মালয়েশীয় নারী কর্মী এবং ১২ জন বিদেশি গ্রাহককে আটক করা হয়েছে। বিদেশি গ্রাহকদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি পুরুষ ও তিনজন ইন্দোনেশীয় নারী রয়েছেন।
অভিযানে ২৬৫টি বাংলাদেশি, ৬৩টি ইন্দোনেশীয়, ১২টি পাকিস্তানি ও একটি ভারতীয় পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে, এমন ৬ হাজার ৭০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত জব্দ করেছে অভিযানকারী দল।
প্রাথমিক তদন্তে অভিবাসন বিভাগ জানতে পেরেছে, চক্রটি ‘এ-টু-বি’ পদ্ধতিতে বিদেশি কর্মী সরবরাহ করত। এ পদ্ধতিতে একটি প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি নিত এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসের (পিএলকেএস) আওতায় কর্মীদের মালয়েশিয়ায় আনত। পরে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ করানোর পরিবর্তে এসব কর্মীকে মুনাফার বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হতো।
বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় আনার পর কর্মীদের অনেকে অনুমোদন দেওয়া প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে কাজ করতেন।
অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালকের ধারণা, এভাবে প্রত্যেক কর্মীকে মালয়েশিয়ায় এনে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত মুনাফা করত চক্রটি। কর ফাঁকি দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকৃত আয়ের তুলনায় কম মুনাফা দেখাত বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্যক্তিগত আয়ের হিসাবও জমা দেয়নি বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
জাকারিয়া শাবান বলেন, বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা অপব্যবহার করে যারা অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা ও মুনাফা অর্জন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









