সিসিপির প্লেনাম: জিনপিংয়ের শুদ্ধি অভিযান, রাজনৈতিক আনুগত্যে জোর

সিসিপির প্লেনাম: জিনপিংয়ের শুদ্ধি অভিযান, রাজনৈতিক আনুগত্যে জোর
সিটিজেন ডেস্ক

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) শীর্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ‘পঞ্চম প্লেনাম’ সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে। আগামী বছরের একবিংশ পার্টি কংগ্রেসকে সামনে রেখে আয়োজিত ৪ দিনব্যাপী এ বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এক দশক ধরে চলা দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং নিঃশর্ত রাজনৈতিক আনুগত্য।
গত বছর দেশের ভেতরে শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ ১০০ জনের বেশি মন্ত্রী ও প্রাদেশিক পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ ১০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এ অভিযানের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির তিন শতাধিক সদস্যকে নিয়ে আয়োজিত এ বৈঠক। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, দলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ও কঠোর ‘স্বশাসন’ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। তবে চীনা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর মূল অর্থ দাঁড়ায়- দলের প্রতি আনুগত্য এবং দুর্নীতি দমন করা।
আগামী বছরের পার্টি কংগ্রেসে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে শি জিনপিং চতুর্থ মেয়াদের জন্য দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন। তাই এ কংগ্রেসের আগেই শীর্ষ পর্যায়ে নিজের একক কর্তৃত্ব ও আনুগত্য শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাইছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লন্ডনের কিংস কলেজের লাউ চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক কেরি ব্রাউন জানান, শি জিনপিংয়ের কাছে রাজনৈতিক আনুগত্য আর দুর্নীতিমুক্ত থাকা একই কথা। তার মতে, আপনি যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তবে আপনি রাজনৈতিকভাবে অনুগত নন। আর যদি অনুগত হন, তবে আপনি দুর্নীতিগ্রস্ত নন। ব্রাউন আরও মনে করেন, সিসিপি ব্যবস্থায় দুর্নীতি কেবল অর্থ বা সম্পদের বিষয় নয়। রাজনৈতিকভাবে অনুগত না হওয়াকেও এক ধরনের ‘আধ্যাত্মিক দুর্নীতি’ হিসেবে দেখা হয়।
এর আগে একাধিকবার শি জিনপিং সতর্ক করে বলেছিলেন, পার্টিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে না পারলে একসময় সিসিপি তার শাসনক্ষমতা হারাতে পারে এবং ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যেতে পারে। তিনি জানিয়েছিলেন, এটি কোনোভাবেই অতিরঞ্জন নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে চীনের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রশাসনের বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সামরিক কাঠামোর দ্বিতীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জেনারেল ঝাং ইউক্সিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় এবং গত মাসে তাকে দল ও সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন (সিএমসি) থেকে বহিষ্কার করা হয়। ফলে সাধারণত সাত সদস্যের সিএমসি এখন দুই সদস্যে নেমে এসেছে। এর প্রান্তে রয়েছেন শি জিনপিং নিজে এবং অন্য প্রান্তে সিএমসির শৃঙ্খলা প্রধান ঝাং শেংমিন। এছাড়া শিনজিয়াংয়ের সাবেক পার্টি প্রধান মা জিংরুই এবং নানা রাজনৈতিক সমীকরণ পেরিয়ে টিকে থাকা চংকিংয়ের সাবেক মেয়র হুয়াং কিফানের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) শীর্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ‘পঞ্চম প্লেনাম’ সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে। আগামী বছরের একবিংশ পার্টি কংগ্রেসকে সামনে রেখে আয়োজিত ৪ দিনব্যাপী এ বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এক দশক ধরে চলা দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং নিঃশর্ত রাজনৈতিক আনুগত্য।
গত বছর দেশের ভেতরে শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ ১০০ জনের বেশি মন্ত্রী ও প্রাদেশিক পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ ১০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এ অভিযানের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির তিন শতাধিক সদস্যকে নিয়ে আয়োজিত এ বৈঠক। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, দলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ও কঠোর ‘স্বশাসন’ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। তবে চীনা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর মূল অর্থ দাঁড়ায়- দলের প্রতি আনুগত্য এবং দুর্নীতি দমন করা।
আগামী বছরের পার্টি কংগ্রেসে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে শি জিনপিং চতুর্থ মেয়াদের জন্য দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন। তাই এ কংগ্রেসের আগেই শীর্ষ পর্যায়ে নিজের একক কর্তৃত্ব ও আনুগত্য শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাইছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লন্ডনের কিংস কলেজের লাউ চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক কেরি ব্রাউন জানান, শি জিনপিংয়ের কাছে রাজনৈতিক আনুগত্য আর দুর্নীতিমুক্ত থাকা একই কথা। তার মতে, আপনি যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তবে আপনি রাজনৈতিকভাবে অনুগত নন। আর যদি অনুগত হন, তবে আপনি দুর্নীতিগ্রস্ত নন। ব্রাউন আরও মনে করেন, সিসিপি ব্যবস্থায় দুর্নীতি কেবল অর্থ বা সম্পদের বিষয় নয়। রাজনৈতিকভাবে অনুগত না হওয়াকেও এক ধরনের ‘আধ্যাত্মিক দুর্নীতি’ হিসেবে দেখা হয়।
এর আগে একাধিকবার শি জিনপিং সতর্ক করে বলেছিলেন, পার্টিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে না পারলে একসময় সিসিপি তার শাসনক্ষমতা হারাতে পারে এবং ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যেতে পারে। তিনি জানিয়েছিলেন, এটি কোনোভাবেই অতিরঞ্জন নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে চীনের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রশাসনের বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সামরিক কাঠামোর দ্বিতীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জেনারেল ঝাং ইউক্সিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় এবং গত মাসে তাকে দল ও সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন (সিএমসি) থেকে বহিষ্কার করা হয়। ফলে সাধারণত সাত সদস্যের সিএমসি এখন দুই সদস্যে নেমে এসেছে। এর প্রান্তে রয়েছেন শি জিনপিং নিজে এবং অন্য প্রান্তে সিএমসির শৃঙ্খলা প্রধান ঝাং শেংমিন। এছাড়া শিনজিয়াংয়ের সাবেক পার্টি প্রধান মা জিংরুই এবং নানা রাজনৈতিক সমীকরণ পেরিয়ে টিকে থাকা চংকিংয়ের সাবেক মেয়র হুয়াং কিফানের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

সিসিপির প্লেনাম: জিনপিংয়ের শুদ্ধি অভিযান, রাজনৈতিক আনুগত্যে জোর
সিটিজেন ডেস্ক

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) শীর্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ‘পঞ্চম প্লেনাম’ সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে। আগামী বছরের একবিংশ পার্টি কংগ্রেসকে সামনে রেখে আয়োজিত ৪ দিনব্যাপী এ বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এক দশক ধরে চলা দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং নিঃশর্ত রাজনৈতিক আনুগত্য।
গত বছর দেশের ভেতরে শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ ১০০ জনের বেশি মন্ত্রী ও প্রাদেশিক পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ ১০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এ অভিযানের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির তিন শতাধিক সদস্যকে নিয়ে আয়োজিত এ বৈঠক। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, দলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ও কঠোর ‘স্বশাসন’ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। তবে চীনা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর মূল অর্থ দাঁড়ায়- দলের প্রতি আনুগত্য এবং দুর্নীতি দমন করা।
আগামী বছরের পার্টি কংগ্রেসে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে শি জিনপিং চতুর্থ মেয়াদের জন্য দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন। তাই এ কংগ্রেসের আগেই শীর্ষ পর্যায়ে নিজের একক কর্তৃত্ব ও আনুগত্য শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাইছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লন্ডনের কিংস কলেজের লাউ চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক কেরি ব্রাউন জানান, শি জিনপিংয়ের কাছে রাজনৈতিক আনুগত্য আর দুর্নীতিমুক্ত থাকা একই কথা। তার মতে, আপনি যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তবে আপনি রাজনৈতিকভাবে অনুগত নন। আর যদি অনুগত হন, তবে আপনি দুর্নীতিগ্রস্ত নন। ব্রাউন আরও মনে করেন, সিসিপি ব্যবস্থায় দুর্নীতি কেবল অর্থ বা সম্পদের বিষয় নয়। রাজনৈতিকভাবে অনুগত না হওয়াকেও এক ধরনের ‘আধ্যাত্মিক দুর্নীতি’ হিসেবে দেখা হয়।
এর আগে একাধিকবার শি জিনপিং সতর্ক করে বলেছিলেন, পার্টিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে না পারলে একসময় সিসিপি তার শাসনক্ষমতা হারাতে পারে এবং ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যেতে পারে। তিনি জানিয়েছিলেন, এটি কোনোভাবেই অতিরঞ্জন নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে চীনের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রশাসনের বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সামরিক কাঠামোর দ্বিতীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জেনারেল ঝাং ইউক্সিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় এবং গত মাসে তাকে দল ও সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন (সিএমসি) থেকে বহিষ্কার করা হয়। ফলে সাধারণত সাত সদস্যের সিএমসি এখন দুই সদস্যে নেমে এসেছে। এর প্রান্তে রয়েছেন শি জিনপিং নিজে এবং অন্য প্রান্তে সিএমসির শৃঙ্খলা প্রধান ঝাং শেংমিন। এছাড়া শিনজিয়াংয়ের সাবেক পার্টি প্রধান মা জিংরুই এবং নানা রাজনৈতিক সমীকরণ পেরিয়ে টিকে থাকা চংকিংয়ের সাবেক মেয়র হুয়াং কিফানের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

নোবেল না পেয়ে নরওয়ের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প







