শিকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প

শিকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

গত সপ্তাহে চীনের নেতা শি জিনপিংকে আতিথ্য দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারডিউ জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন আমরা তো বিশ্বের অন্যান্য দেশে অস্ত্র বিক্রি করি। তিনি এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট শি-কে জিজ্ঞেসও করেছিলেন, তিনি কিছু কিনতে আগ্রহী কি না। তবে এ বিষয়ে শি জিনপিং ঠিক কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু খোলসা করেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মদ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিনের সফর শেষ করে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) চা-চক্রে আবারও দেখা করেন দুই নেতা।

এদিকে শি-র মার্কিন সফরকে ‘সফল’ অ্যাখ্যা দিয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেইজিং জানিয়েছে, যে তারা বিশ্ব শান্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘চীন তার নিজস্ব প্রয়োজনের ভিত্তিতে সামরিক বাহিনী গড়ে তুলেছে এবং বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
যদিও পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’কে জানান, মার্কিন আইন অনুযায়ী চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ এবং বেইজিংয়ের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনা মার্কিন প্রশাসনের নেই।
পারডিউ আরও বলেন, ওয়াশিংটনের তাইওয়ান নীতিতে বিন্দুপরিমাণ পরিবর্তন আসেনি। ট্রাম্প ইতোমধ্যে তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করেছেন, যা ১৯৭৯ সালের পর থেকে যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
আশির দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সহযোগিতার সময় ওয়াশিংটন বেইজিংকে বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছিল। এর মধ্যে এএন/টিপিকিউ-৩৭ কাউন্টার-আর্টিলারি রাডার ও মার্ক-৪৬ টর্পেডো অন্যতম। কিন্তু ১৯৯০ সালের পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো অস্ত্র চুক্তি হয়নি। তবে বেইজিং বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে আসায় এ দ্বীপে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গত সপ্তাহে চীনের নেতা শি জিনপিংকে আতিথ্য দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারডিউ জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন আমরা তো বিশ্বের অন্যান্য দেশে অস্ত্র বিক্রি করি। তিনি এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট শি-কে জিজ্ঞেসও করেছিলেন, তিনি কিছু কিনতে আগ্রহী কি না। তবে এ বিষয়ে শি জিনপিং ঠিক কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু খোলসা করেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মদ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিনের সফর শেষ করে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) চা-চক্রে আবারও দেখা করেন দুই নেতা।

এদিকে শি-র মার্কিন সফরকে ‘সফল’ অ্যাখ্যা দিয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেইজিং জানিয়েছে, যে তারা বিশ্ব শান্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘চীন তার নিজস্ব প্রয়োজনের ভিত্তিতে সামরিক বাহিনী গড়ে তুলেছে এবং বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
যদিও পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’কে জানান, মার্কিন আইন অনুযায়ী চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ এবং বেইজিংয়ের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনা মার্কিন প্রশাসনের নেই।
পারডিউ আরও বলেন, ওয়াশিংটনের তাইওয়ান নীতিতে বিন্দুপরিমাণ পরিবর্তন আসেনি। ট্রাম্প ইতোমধ্যে তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করেছেন, যা ১৯৭৯ সালের পর থেকে যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
আশির দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সহযোগিতার সময় ওয়াশিংটন বেইজিংকে বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছিল। এর মধ্যে এএন/টিপিকিউ-৩৭ কাউন্টার-আর্টিলারি রাডার ও মার্ক-৪৬ টর্পেডো অন্যতম। কিন্তু ১৯৯০ সালের পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো অস্ত্র চুক্তি হয়নি। তবে বেইজিং বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে আসায় এ দ্বীপে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

শিকে অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

গত সপ্তাহে চীনের নেতা শি জিনপিংকে আতিথ্য দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারডিউ জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন আমরা তো বিশ্বের অন্যান্য দেশে অস্ত্র বিক্রি করি। তিনি এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট শি-কে জিজ্ঞেসও করেছিলেন, তিনি কিছু কিনতে আগ্রহী কি না। তবে এ বিষয়ে শি জিনপিং ঠিক কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু খোলসা করেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মদ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিনের সফর শেষ করে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) চা-চক্রে আবারও দেখা করেন দুই নেতা।

এদিকে শি-র মার্কিন সফরকে ‘সফল’ অ্যাখ্যা দিয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেইজিং জানিয়েছে, যে তারা বিশ্ব শান্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘চীন তার নিজস্ব প্রয়োজনের ভিত্তিতে সামরিক বাহিনী গড়ে তুলেছে এবং বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
যদিও পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’কে জানান, মার্কিন আইন অনুযায়ী চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ এবং বেইজিংয়ের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনা মার্কিন প্রশাসনের নেই।
পারডিউ আরও বলেন, ওয়াশিংটনের তাইওয়ান নীতিতে বিন্দুপরিমাণ পরিবর্তন আসেনি। ট্রাম্প ইতোমধ্যে তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করেছেন, যা ১৯৭৯ সালের পর থেকে যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
আশির দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সহযোগিতার সময় ওয়াশিংটন বেইজিংকে বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছিল। এর মধ্যে এএন/টিপিকিউ-৩৭ কাউন্টার-আর্টিলারি রাডার ও মার্ক-৪৬ টর্পেডো অন্যতম। কিন্তু ১৯৯০ সালের পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো অস্ত্র চুক্তি হয়নি। তবে বেইজিং বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে আসায় এ দ্বীপে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি









