অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড
সিজেডএন ডেস্ক

সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র অর্থনীতির অবদান ও কার্যকারিতা নতুনভাবে তুলে ধরে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। ‘সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার নীতির ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায়’ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদেরকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস নোবেলজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে।
রবার্ট ই হল ১৯৪৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং ঐতিহ্যবাহী হুভার ইনস্টিটিউশনের জ্যেষ্ঠ গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অন্যদিকে, ১৯৫৫ সালে ম্যাসাচুসেটসের চিকোপি শহরে জন্ম নেওয়া অপর নোবেলজয়ী মাইকেল উডফোর্ড বর্তমানে নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার নীতিকে নতুনভাবে কার্যকর করে তুলতে কীভাবে অর্থনৈতিক মডেল পুনর্গঠন করা যায়।
অর্থনীতিতে যেকোনো নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে গবেষকেরা এরআগে কেবল মূল্যস্ফীতি, মোট উৎপাদন ও সামগ্রিক ভোগের পরিসংখ্যানকে বড় ভিত্তি হিসেবে দেখতেন। কিন্তু হল ও উডফোর্ড এ ধারার বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণের ওপর গুরুত্ব দেন।
তারা দেখিয়েছেন, প্রতিটি মানুষ, পরিবার কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান প্রতিদিন যে আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো নেয়, দিনশেষে তার সম্মিলিত প্রভাবেই একটি দেশের অর্থনীতি চালিত হয়। তাই দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি টেকসই রাখতে হলে এসব ক্ষুদ্র সিদ্ধান্তের ভেতরের মনস্তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া বোঝা ভীষণ জরুরি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাহায্যে টেকসই প্রবৃদ্ধির গতিপথ সহজ করার জন্য জোয়েল এবং ‘সৃজনশীল ধ্বংসের’ (Creative Destruction) মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির নতুন তত্ত্ব দিয়ে নোবেল পুরস্কার পান ফিলিপ ও পিটার।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র অর্থনীতির অবদান ও কার্যকারিতা নতুনভাবে তুলে ধরে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। ‘সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার নীতির ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায়’ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদেরকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস নোবেলজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে।
রবার্ট ই হল ১৯৪৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং ঐতিহ্যবাহী হুভার ইনস্টিটিউশনের জ্যেষ্ঠ গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অন্যদিকে, ১৯৫৫ সালে ম্যাসাচুসেটসের চিকোপি শহরে জন্ম নেওয়া অপর নোবেলজয়ী মাইকেল উডফোর্ড বর্তমানে নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার নীতিকে নতুনভাবে কার্যকর করে তুলতে কীভাবে অর্থনৈতিক মডেল পুনর্গঠন করা যায়।
অর্থনীতিতে যেকোনো নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে গবেষকেরা এরআগে কেবল মূল্যস্ফীতি, মোট উৎপাদন ও সামগ্রিক ভোগের পরিসংখ্যানকে বড় ভিত্তি হিসেবে দেখতেন। কিন্তু হল ও উডফোর্ড এ ধারার বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণের ওপর গুরুত্ব দেন।
তারা দেখিয়েছেন, প্রতিটি মানুষ, পরিবার কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান প্রতিদিন যে আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো নেয়, দিনশেষে তার সম্মিলিত প্রভাবেই একটি দেশের অর্থনীতি চালিত হয়। তাই দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি টেকসই রাখতে হলে এসব ক্ষুদ্র সিদ্ধান্তের ভেতরের মনস্তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া বোঝা ভীষণ জরুরি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাহায্যে টেকসই প্রবৃদ্ধির গতিপথ সহজ করার জন্য জোয়েল এবং ‘সৃজনশীল ধ্বংসের’ (Creative Destruction) মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির নতুন তত্ত্ব দিয়ে নোবেল পুরস্কার পান ফিলিপ ও পিটার।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড
সিজেডএন ডেস্ক

সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র অর্থনীতির অবদান ও কার্যকারিতা নতুনভাবে তুলে ধরে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। ‘সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার নীতির ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায়’ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদেরকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস নোবেলজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে।
রবার্ট ই হল ১৯৪৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং ঐতিহ্যবাহী হুভার ইনস্টিটিউশনের জ্যেষ্ঠ গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অন্যদিকে, ১৯৫৫ সালে ম্যাসাচুসেটসের চিকোপি শহরে জন্ম নেওয়া অপর নোবেলজয়ী মাইকেল উডফোর্ড বর্তমানে নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার নীতিকে নতুনভাবে কার্যকর করে তুলতে কীভাবে অর্থনৈতিক মডেল পুনর্গঠন করা যায়।
অর্থনীতিতে যেকোনো নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে গবেষকেরা এরআগে কেবল মূল্যস্ফীতি, মোট উৎপাদন ও সামগ্রিক ভোগের পরিসংখ্যানকে বড় ভিত্তি হিসেবে দেখতেন। কিন্তু হল ও উডফোর্ড এ ধারার বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণের ওপর গুরুত্ব দেন।
তারা দেখিয়েছেন, প্রতিটি মানুষ, পরিবার কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান প্রতিদিন যে আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো নেয়, দিনশেষে তার সম্মিলিত প্রভাবেই একটি দেশের অর্থনীতি চালিত হয়। তাই দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি টেকসই রাখতে হলে এসব ক্ষুদ্র সিদ্ধান্তের ভেতরের মনস্তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া বোঝা ভীষণ জরুরি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাহায্যে টেকসই প্রবৃদ্ধির গতিপথ সহজ করার জন্য জোয়েল এবং ‘সৃজনশীল ধ্বংসের’ (Creative Destruction) মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির নতুন তত্ত্ব দিয়ে নোবেল পুরস্কার পান ফিলিপ ও পিটার।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

শান্তিতে নোবেল পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিল্লাই







