গণপূর্তে বদলি ও পদায়ন নিয়ে অসত্য সংবাদের প্রতিবাদ

গণপূর্তে বদলি ও পদায়ন নিয়ে অসত্য সংবাদের প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ-প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৩ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ-প্রতিবেদন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্প্রতি প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়নের লটারি পদ্ধতিতে অনিয়ম, গ্রেডিং শিট পরিবর্তন, পূর্বনির্ধারিত পদায়ন এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সমর্থনে সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অনুমাননির্ভর এসব অভিযোগের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এসব সংবাদ ও অভিযোগের প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
এতে বলা হয়, গণপূর্ত অধিদপ্তরে বদলি ও পদায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল। তদবির ও অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত নীতিমালার ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এ বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। লটারি কার্যক্রমটি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে উন্মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলো এ লটারি কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে উন্মুক্ত ছিল। এমন একটি প্রকাশ্য কার্যক্রম নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ তোলা কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, লটারির মাধ্যমে পদায়নের পরে কোনো কর্মকর্তা সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করে মানবিকভাবে তাদের আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে।
আরও বলা হয়, বদলি ও পদায়নে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এ লটারি পদ্ধতি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও অনুসরণ করা হচ্ছে। এমন একটি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সম্পূর্ণ কাল্পনিকভাবে ১২০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অথচ এ বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। এমন একটি অভিযোগপত্রে স্বাক্ষরকারী হিসেবে সিনিয়র সাংবাদিক রুস্তম মল্লিক-এর নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ওই মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কে বা কারা তার নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে অভিযোগ দায়ের করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি ওই অভিযোগের সঙ্গেও তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রত্যাহার করে ভবিষ্যতে তথ্য-প্রমাণ যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ-প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৩ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ-প্রতিবেদন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্প্রতি প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়নের লটারি পদ্ধতিতে অনিয়ম, গ্রেডিং শিট পরিবর্তন, পূর্বনির্ধারিত পদায়ন এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সমর্থনে সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অনুমাননির্ভর এসব অভিযোগের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এসব সংবাদ ও অভিযোগের প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
এতে বলা হয়, গণপূর্ত অধিদপ্তরে বদলি ও পদায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল। তদবির ও অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত নীতিমালার ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এ বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। লটারি কার্যক্রমটি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে উন্মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলো এ লটারি কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে উন্মুক্ত ছিল। এমন একটি প্রকাশ্য কার্যক্রম নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ তোলা কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, লটারির মাধ্যমে পদায়নের পরে কোনো কর্মকর্তা সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করে মানবিকভাবে তাদের আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে।
আরও বলা হয়, বদলি ও পদায়নে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এ লটারি পদ্ধতি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও অনুসরণ করা হচ্ছে। এমন একটি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সম্পূর্ণ কাল্পনিকভাবে ১২০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অথচ এ বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। এমন একটি অভিযোগপত্রে স্বাক্ষরকারী হিসেবে সিনিয়র সাংবাদিক রুস্তম মল্লিক-এর নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ওই মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কে বা কারা তার নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে অভিযোগ দায়ের করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি ওই অভিযোগের সঙ্গেও তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রত্যাহার করে ভবিষ্যতে তথ্য-প্রমাণ যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গণপূর্তে বদলি ও পদায়ন নিয়ে অসত্য সংবাদের প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ-প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৩ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ-প্রতিবেদন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্প্রতি প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়নের লটারি পদ্ধতিতে অনিয়ম, গ্রেডিং শিট পরিবর্তন, পূর্বনির্ধারিত পদায়ন এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সমর্থনে সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অনুমাননির্ভর এসব অভিযোগের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এসব সংবাদ ও অভিযোগের প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
এতে বলা হয়, গণপূর্ত অধিদপ্তরে বদলি ও পদায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল। তদবির ও অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত নীতিমালার ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এ বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। লটারি কার্যক্রমটি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে উন্মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলো এ লটারি কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে উন্মুক্ত ছিল। এমন একটি প্রকাশ্য কার্যক্রম নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ তোলা কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, লটারির মাধ্যমে পদায়নের পরে কোনো কর্মকর্তা সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করে মানবিকভাবে তাদের আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে।
আরও বলা হয়, বদলি ও পদায়নে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এ লটারি পদ্ধতি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও অনুসরণ করা হচ্ছে। এমন একটি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সম্পূর্ণ কাল্পনিকভাবে ১২০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অথচ এ বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। এমন একটি অভিযোগপত্রে স্বাক্ষরকারী হিসেবে সিনিয়র সাংবাদিক রুস্তম মল্লিক-এর নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ওই মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কে বা কারা তার নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে অভিযোগ দায়ের করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি ওই অভিযোগের সঙ্গেও তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রত্যাহার করে ভবিষ্যতে তথ্য-প্রমাণ যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

লটারিতে প্রকৌশলীদের বদলি নিয়ে বিতর্ক দুঃখজনক: গণপূর্তমন্ত্রী 






