নমুনা ছাড়াই ৫৫টি রোগ নির্ণয় করছে যে হাসপাতাল

নমুনা ছাড়াই ৫৫টি রোগ নির্ণয় করছে যে হাসপাতাল
আয়নাল হোসেন, হংকং থেকে ফিরে

অসুস্থ হয়ে পড়লেই চিকিৎসকের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হয়। সাধারণত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীর থেকে নানা ধরনের নমুনা নেওয়া হয়। এসব নমুনার সাহায্যে আলট্রাসনোগ্রাফি, এন্ডোস্কোপি, প্রক্টোস্কোপি, কোলোনোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, এক্স-রেসহ নানা ধরনের পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু হংকংয়ের ‘লাইভফরওয়েল’ হাসপাতালে কোনো ধরনের নমুনা ছাড়াই শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে ৫৫টি রোগ নির্ণয় করা যাচ্ছে। নতুন এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনের শুরুতে লাইভফরওয়েলের প্রতিনিধিরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সাতটি এআই ডিভাইস এবং স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিশেষভাবে তৈরি বৃহৎ ভাষার মডেল ‘মেডআইএলএলএম’ প্রদর্শন করে। এছাড়া তারা এই প্রযুক্তি কীভাবে শারীরিক নমুনার তথ্য বিশ্লেষণসহ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি শনাক্ত ও পরামর্শ দেয় সে-বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়।

ই-সেন্স ইনোভেশন অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. রাসেল চ্যান ‘ইলেকট্রিক্যাল ইম্পিডেন্স টোমোগ্রাফি’ (ইআইটি) স্ক্যানিং প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও নানা ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। এ সময় তিনি তাদের চিকিৎসাকেন্দ্রে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ৫৫টি রোগ নির্ণয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে রক্ত, প্রস্রাব, মল, কফ, শরীরের কোষ, হাড়ের মজ্জা, বীর্য, লালা এবং সোয়াবসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশি সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা এআই স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্ভুলতা, সেবামূল্য, সাধারণ মানুষের জন্য সেবার সুযোগ নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। লাইভফরওয়েলের সহপ্রতিষ্ঠাতা মিজ মিরান্ডা ওং এবং ড. রাসেল চ্যান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। পরে বাংলাদেশি গণমাধ্যমের একাধিক সাংবাদিক তাদের বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসাসেবা পরিদর্শন এবং এআই স্ক্রিনিং প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

লাইভফরওয়েলের সহপ্রতিষ্ঠাতা মিজ মিরান্ডা ওং বলেন, ‘বাংলাদেশের এই প্রতিনিধিদলের সফর আমাদের তাদের অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সেবামূল্য এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কে গভীর ধারণা দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আমরা কোনো নির্দিষ্ট দেশের সেবা মডেল সরাসরি চাপিয়ে দিই না; বরং স্থানীয় মানুষের আয়, প্রয়োজন এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে সাশ্রয়ী সেবামূল্য ও কার্যকর মডেল নির্ধারণ করি।’
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, লাইভফরওয়েল হলো হংকংভিত্তিক এশিয়ার প্রথম ডিজিটাল হেলথ ইকোসিস্টেম, যা প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা, এআই এবং আচরণগত উৎসাহের সমন্বয়ে গঠিত। আন্তর্জাতিক মেডিকেল-গ্রেডের ডিভাইস এবং এআই মোশন ক্যাপচার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি শারীরিক অবস্থার মূল্যায়ন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমাধান দিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির ফ্ল্যাগশিপ সেবা ‘ভিআইভি পাস’ ২৪/৭ স্বাস্থ্য মনিটরিং, এক্সারসাইজ প্রেসক্রিপশন ও ফুড সাপ্লিমেন্টের বিষয়েও পরামর্শ দেয়। এছাড়া ‘সুইট পয়েন্ট’ ও ‘ওয়েলসপ’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাত্রার চর্চাকে পয়েন্ট ও পুরস্কারে রূপান্তর করে ‘মোভ টু আর্ন’ ধারণাকে বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অসুস্থ হয়ে পড়লেই চিকিৎসকের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হয়। সাধারণত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীর থেকে নানা ধরনের নমুনা নেওয়া হয়। এসব নমুনার সাহায্যে আলট্রাসনোগ্রাফি, এন্ডোস্কোপি, প্রক্টোস্কোপি, কোলোনোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, এক্স-রেসহ নানা ধরনের পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু হংকংয়ের ‘লাইভফরওয়েল’ হাসপাতালে কোনো ধরনের নমুনা ছাড়াই শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে ৫৫টি রোগ নির্ণয় করা যাচ্ছে। নতুন এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনের শুরুতে লাইভফরওয়েলের প্রতিনিধিরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সাতটি এআই ডিভাইস এবং স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিশেষভাবে তৈরি বৃহৎ ভাষার মডেল ‘মেডআইএলএলএম’ প্রদর্শন করে। এছাড়া তারা এই প্রযুক্তি কীভাবে শারীরিক নমুনার তথ্য বিশ্লেষণসহ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি শনাক্ত ও পরামর্শ দেয় সে-বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়।

ই-সেন্স ইনোভেশন অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. রাসেল চ্যান ‘ইলেকট্রিক্যাল ইম্পিডেন্স টোমোগ্রাফি’ (ইআইটি) স্ক্যানিং প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও নানা ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। এ সময় তিনি তাদের চিকিৎসাকেন্দ্রে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ৫৫টি রোগ নির্ণয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে রক্ত, প্রস্রাব, মল, কফ, শরীরের কোষ, হাড়ের মজ্জা, বীর্য, লালা এবং সোয়াবসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশি সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা এআই স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্ভুলতা, সেবামূল্য, সাধারণ মানুষের জন্য সেবার সুযোগ নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। লাইভফরওয়েলের সহপ্রতিষ্ঠাতা মিজ মিরান্ডা ওং এবং ড. রাসেল চ্যান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। পরে বাংলাদেশি গণমাধ্যমের একাধিক সাংবাদিক তাদের বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসাসেবা পরিদর্শন এবং এআই স্ক্রিনিং প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

লাইভফরওয়েলের সহপ্রতিষ্ঠাতা মিজ মিরান্ডা ওং বলেন, ‘বাংলাদেশের এই প্রতিনিধিদলের সফর আমাদের তাদের অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সেবামূল্য এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কে গভীর ধারণা দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আমরা কোনো নির্দিষ্ট দেশের সেবা মডেল সরাসরি চাপিয়ে দিই না; বরং স্থানীয় মানুষের আয়, প্রয়োজন এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে সাশ্রয়ী সেবামূল্য ও কার্যকর মডেল নির্ধারণ করি।’
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, লাইভফরওয়েল হলো হংকংভিত্তিক এশিয়ার প্রথম ডিজিটাল হেলথ ইকোসিস্টেম, যা প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা, এআই এবং আচরণগত উৎসাহের সমন্বয়ে গঠিত। আন্তর্জাতিক মেডিকেল-গ্রেডের ডিভাইস এবং এআই মোশন ক্যাপচার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি শারীরিক অবস্থার মূল্যায়ন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমাধান দিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির ফ্ল্যাগশিপ সেবা ‘ভিআইভি পাস’ ২৪/৭ স্বাস্থ্য মনিটরিং, এক্সারসাইজ প্রেসক্রিপশন ও ফুড সাপ্লিমেন্টের বিষয়েও পরামর্শ দেয়। এছাড়া ‘সুইট পয়েন্ট’ ও ‘ওয়েলসপ’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাত্রার চর্চাকে পয়েন্ট ও পুরস্কারে রূপান্তর করে ‘মোভ টু আর্ন’ ধারণাকে বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নমুনা ছাড়াই ৫৫টি রোগ নির্ণয় করছে যে হাসপাতাল
আয়নাল হোসেন, হংকং থেকে ফিরে

অসুস্থ হয়ে পড়লেই চিকিৎসকের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হয়। সাধারণত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীর থেকে নানা ধরনের নমুনা নেওয়া হয়। এসব নমুনার সাহায্যে আলট্রাসনোগ্রাফি, এন্ডোস্কোপি, প্রক্টোস্কোপি, কোলোনোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, এক্স-রেসহ নানা ধরনের পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু হংকংয়ের ‘লাইভফরওয়েল’ হাসপাতালে কোনো ধরনের নমুনা ছাড়াই শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে ৫৫টি রোগ নির্ণয় করা যাচ্ছে। নতুন এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনের শুরুতে লাইভফরওয়েলের প্রতিনিধিরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সাতটি এআই ডিভাইস এবং স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিশেষভাবে তৈরি বৃহৎ ভাষার মডেল ‘মেডআইএলএলএম’ প্রদর্শন করে। এছাড়া তারা এই প্রযুক্তি কীভাবে শারীরিক নমুনার তথ্য বিশ্লেষণসহ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি শনাক্ত ও পরামর্শ দেয় সে-বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়।

ই-সেন্স ইনোভেশন অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. রাসেল চ্যান ‘ইলেকট্রিক্যাল ইম্পিডেন্স টোমোগ্রাফি’ (ইআইটি) স্ক্যানিং প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও নানা ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। এ সময় তিনি তাদের চিকিৎসাকেন্দ্রে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ৫৫টি রোগ নির্ণয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে রক্ত, প্রস্রাব, মল, কফ, শরীরের কোষ, হাড়ের মজ্জা, বীর্য, লালা এবং সোয়াবসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশি সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা এআই স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্ভুলতা, সেবামূল্য, সাধারণ মানুষের জন্য সেবার সুযোগ নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। লাইভফরওয়েলের সহপ্রতিষ্ঠাতা মিজ মিরান্ডা ওং এবং ড. রাসেল চ্যান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। পরে বাংলাদেশি গণমাধ্যমের একাধিক সাংবাদিক তাদের বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসাসেবা পরিদর্শন এবং এআই স্ক্রিনিং প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

লাইভফরওয়েলের সহপ্রতিষ্ঠাতা মিজ মিরান্ডা ওং বলেন, ‘বাংলাদেশের এই প্রতিনিধিদলের সফর আমাদের তাদের অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সেবামূল্য এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কে গভীর ধারণা দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আমরা কোনো নির্দিষ্ট দেশের সেবা মডেল সরাসরি চাপিয়ে দিই না; বরং স্থানীয় মানুষের আয়, প্রয়োজন এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে সাশ্রয়ী সেবামূল্য ও কার্যকর মডেল নির্ধারণ করি।’
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, লাইভফরওয়েল হলো হংকংভিত্তিক এশিয়ার প্রথম ডিজিটাল হেলথ ইকোসিস্টেম, যা প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা, এআই এবং আচরণগত উৎসাহের সমন্বয়ে গঠিত। আন্তর্জাতিক মেডিকেল-গ্রেডের ডিভাইস এবং এআই মোশন ক্যাপচার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি শারীরিক অবস্থার মূল্যায়ন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমাধান দিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির ফ্ল্যাগশিপ সেবা ‘ভিআইভি পাস’ ২৪/৭ স্বাস্থ্য মনিটরিং, এক্সারসাইজ প্রেসক্রিপশন ও ফুড সাপ্লিমেন্টের বিষয়েও পরামর্শ দেয়। এছাড়া ‘সুইট পয়েন্ট’ ও ‘ওয়েলসপ’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাত্রার চর্চাকে পয়েন্ট ও পুরস্কারে রূপান্তর করে ‘মোভ টু আর্ন’ ধারণাকে বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।









