পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল

পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

জন্মনিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কি শুধুই নারীদের? দীর্ঘদিন ধরে পরিবার পরিকল্পনায় এই প্রশ্ন থাকলেও পুরুষদের জন্য কার্যকর বিকল্পের অভাব রয়েছে। বর্তমানে কনডম ও ভ্যাসেকটমিই পুরুষদের প্রধান জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। তবে এবার সেই চিত্র বদলানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা তৈরি করছেন এমন একটি হরমোনবিহীন পিল, যা যৌনমিলনের আগে সেবন করলে কয়েক ঘণ্টার জন্য শুক্রাণুর চলাচল বন্ধ রাখতে পারে।
চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণাটি এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট থেকে চার বছরে ৮২ লাখ ডলারের অনুদান পেয়েছেন তারা। প্রকল্পটির নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যাপক জোচেন বাক ও লনি লেভিন। ওষুধ উন্নয়নে যুক্ত আছেন পিটার মেইনও।
গবেষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পিলটি যৌনমিলনের প্রায় ৩০ মিনিট আগে সেবন করতে হবে। এর প্রভাব ছয় থেকে আট ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। এরপর শুক্রাণুর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসার কথা। তবে এগুলো পরীক্ষাধীন ওষুধটির সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য, এখনো নিশ্চিত ফল নয়।
নতুন ওষুধটির লক্ষ্য সলিউবল অ্যাডেনাইল সাইক্লেজ (এসএসি) নামের একটি এনজাইম। শুক্রাণুর চলাচল ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকেরা এই এনজাইমের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করার মাধ্যমে শুক্রাণুর চলাচল বাধাগ্রস্ত করতে চান। ফলে শুক্রাণুর ডিম্বাণুতে পৌঁছানো কঠিন হবে এবং নিষেকের সম্ভাবনা কমবে।
২০২৩ সালে ‘নেচার কমিউনিকেশনস’-এ প্রকাশিত প্রাক-ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, এসএসি নিষ্ক্রিয় করলে পরীক্ষাগারে শুক্রাণুর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রাণীর ওপর পরীক্ষাতেও গর্ভধারণ প্রতিরোধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সুস্থ পুরুষদের ব্যবহারের জন্য তৈরি হওয়ায় ওষুধটির নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং প্রজননক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। নতুন অনুদানের অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে বিষক্রিয়া ও নিরাপত্তা যাচাই এবং মানবপরীক্ষার প্রস্তুতিতে। এরপর প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, প্রতিদিন ব্যবহারের উপযোগী আরেকটি হরমোনবিহীন পিল ‘ওয়াইসিটি-৫২৯’ নিয়েও গবেষণা চলছে। এটি শুক্রাণুর চলাচলের পরিবর্তে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের প্রথম পর্যায়ের মানবপরীক্ষায় ১৬ জন পুরুষের ওপর একবারের বিভিন্ন মাত্রা পরীক্ষা করে ওষুধটিকে সামগ্রিকভাবে সহনীয় পাওয়া যায়। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কিংবা গর্ভধারণ প্রতিরোধের কার্যকারিতা তখন যাচাই করা হয়নি।
দুটি ওষুধের কোনোটিই এখনো সাধারণ ব্যবহারের অনুমোদন পাননি গবেষকরা। কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কয়েক ধাপের পরীক্ষা প্রয়োজন। ফলে বাজারে আসার নির্দিষ্ট সময়ও জানা যায়নি।

জন্মনিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কি শুধুই নারীদের? দীর্ঘদিন ধরে পরিবার পরিকল্পনায় এই প্রশ্ন থাকলেও পুরুষদের জন্য কার্যকর বিকল্পের অভাব রয়েছে। বর্তমানে কনডম ও ভ্যাসেকটমিই পুরুষদের প্রধান জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। তবে এবার সেই চিত্র বদলানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা তৈরি করছেন এমন একটি হরমোনবিহীন পিল, যা যৌনমিলনের আগে সেবন করলে কয়েক ঘণ্টার জন্য শুক্রাণুর চলাচল বন্ধ রাখতে পারে।
চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণাটি এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট থেকে চার বছরে ৮২ লাখ ডলারের অনুদান পেয়েছেন তারা। প্রকল্পটির নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যাপক জোচেন বাক ও লনি লেভিন। ওষুধ উন্নয়নে যুক্ত আছেন পিটার মেইনও।
গবেষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পিলটি যৌনমিলনের প্রায় ৩০ মিনিট আগে সেবন করতে হবে। এর প্রভাব ছয় থেকে আট ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। এরপর শুক্রাণুর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসার কথা। তবে এগুলো পরীক্ষাধীন ওষুধটির সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য, এখনো নিশ্চিত ফল নয়।
নতুন ওষুধটির লক্ষ্য সলিউবল অ্যাডেনাইল সাইক্লেজ (এসএসি) নামের একটি এনজাইম। শুক্রাণুর চলাচল ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকেরা এই এনজাইমের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করার মাধ্যমে শুক্রাণুর চলাচল বাধাগ্রস্ত করতে চান। ফলে শুক্রাণুর ডিম্বাণুতে পৌঁছানো কঠিন হবে এবং নিষেকের সম্ভাবনা কমবে।
২০২৩ সালে ‘নেচার কমিউনিকেশনস’-এ প্রকাশিত প্রাক-ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, এসএসি নিষ্ক্রিয় করলে পরীক্ষাগারে শুক্রাণুর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রাণীর ওপর পরীক্ষাতেও গর্ভধারণ প্রতিরোধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সুস্থ পুরুষদের ব্যবহারের জন্য তৈরি হওয়ায় ওষুধটির নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং প্রজননক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। নতুন অনুদানের অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে বিষক্রিয়া ও নিরাপত্তা যাচাই এবং মানবপরীক্ষার প্রস্তুতিতে। এরপর প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, প্রতিদিন ব্যবহারের উপযোগী আরেকটি হরমোনবিহীন পিল ‘ওয়াইসিটি-৫২৯’ নিয়েও গবেষণা চলছে। এটি শুক্রাণুর চলাচলের পরিবর্তে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের প্রথম পর্যায়ের মানবপরীক্ষায় ১৬ জন পুরুষের ওপর একবারের বিভিন্ন মাত্রা পরীক্ষা করে ওষুধটিকে সামগ্রিকভাবে সহনীয় পাওয়া যায়। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কিংবা গর্ভধারণ প্রতিরোধের কার্যকারিতা তখন যাচাই করা হয়নি।
দুটি ওষুধের কোনোটিই এখনো সাধারণ ব্যবহারের অনুমোদন পাননি গবেষকরা। কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কয়েক ধাপের পরীক্ষা প্রয়োজন। ফলে বাজারে আসার নির্দিষ্ট সময়ও জানা যায়নি।

পুরুষদের জন্য আসছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

জন্মনিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কি শুধুই নারীদের? দীর্ঘদিন ধরে পরিবার পরিকল্পনায় এই প্রশ্ন থাকলেও পুরুষদের জন্য কার্যকর বিকল্পের অভাব রয়েছে। বর্তমানে কনডম ও ভ্যাসেকটমিই পুরুষদের প্রধান জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। তবে এবার সেই চিত্র বদলানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা তৈরি করছেন এমন একটি হরমোনবিহীন পিল, যা যৌনমিলনের আগে সেবন করলে কয়েক ঘণ্টার জন্য শুক্রাণুর চলাচল বন্ধ রাখতে পারে।
চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণাটি এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট থেকে চার বছরে ৮২ লাখ ডলারের অনুদান পেয়েছেন তারা। প্রকল্পটির নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যাপক জোচেন বাক ও লনি লেভিন। ওষুধ উন্নয়নে যুক্ত আছেন পিটার মেইনও।
গবেষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পিলটি যৌনমিলনের প্রায় ৩০ মিনিট আগে সেবন করতে হবে। এর প্রভাব ছয় থেকে আট ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। এরপর শুক্রাণুর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসার কথা। তবে এগুলো পরীক্ষাধীন ওষুধটির সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য, এখনো নিশ্চিত ফল নয়।
নতুন ওষুধটির লক্ষ্য সলিউবল অ্যাডেনাইল সাইক্লেজ (এসএসি) নামের একটি এনজাইম। শুক্রাণুর চলাচল ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকেরা এই এনজাইমের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করার মাধ্যমে শুক্রাণুর চলাচল বাধাগ্রস্ত করতে চান। ফলে শুক্রাণুর ডিম্বাণুতে পৌঁছানো কঠিন হবে এবং নিষেকের সম্ভাবনা কমবে।
২০২৩ সালে ‘নেচার কমিউনিকেশনস’-এ প্রকাশিত প্রাক-ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, এসএসি নিষ্ক্রিয় করলে পরীক্ষাগারে শুক্রাণুর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রাণীর ওপর পরীক্ষাতেও গর্ভধারণ প্রতিরোধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সুস্থ পুরুষদের ব্যবহারের জন্য তৈরি হওয়ায় ওষুধটির নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং প্রজননক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। নতুন অনুদানের অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে বিষক্রিয়া ও নিরাপত্তা যাচাই এবং মানবপরীক্ষার প্রস্তুতিতে। এরপর প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, প্রতিদিন ব্যবহারের উপযোগী আরেকটি হরমোনবিহীন পিল ‘ওয়াইসিটি-৫২৯’ নিয়েও গবেষণা চলছে। এটি শুক্রাণুর চলাচলের পরিবর্তে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি। ২০২৫ সালের প্রথম পর্যায়ের মানবপরীক্ষায় ১৬ জন পুরুষের ওপর একবারের বিভিন্ন মাত্রা পরীক্ষা করে ওষুধটিকে সামগ্রিকভাবে সহনীয় পাওয়া যায়। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কিংবা গর্ভধারণ প্রতিরোধের কার্যকারিতা তখন যাচাই করা হয়নি।
দুটি ওষুধের কোনোটিই এখনো সাধারণ ব্যবহারের অনুমোদন পাননি গবেষকরা। কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কয়েক ধাপের পরীক্ষা প্রয়োজন। ফলে বাজারে আসার নির্দিষ্ট সময়ও জানা যায়নি।

ওষুধ খাওয়ার সময় কতটা পানি পান করা উচিত







