যে সমুদ্রপাড়ে রাত হলেই জ্বলে ওঠে রহস্যময় নীলাভ আলো

যে সমুদ্রপাড়ে রাত হলেই জ্বলে ওঠে রহস্যময় নীলাভ আলো
সিজেডএন ডেস্ক

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য আকর্ষণীয় একটি দেশ হলো থাইল্যান্ড। দেশটির স্ফটিক-স্বচ্ছ জল, মিহি সাদা বালি এবং প্রাণবন্ত দ্বীপ জীবনের জন্য দীর্ঘকাল ধরেই পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। তবে অন্য একটি কারণেও পর্যটকরা থাইল্যান্ডে যেতে পছন্দ করেন। দিনের আলো ফুরিয়ে সূর্য ডুবলেই সেখানে শুরু হয় এক অন্য রকম খেলা। চারদিকে যখন ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঠিক তখনই সমুদ্রের ঢেউয়ে জেগে ওঠে রহস্যময় এক নীলাভ আলো!
অন্ধকারে ঢেউয়ের সঙ্গে আলোর এই ঝিলিক দেখলে মনে হয় আকাশ থেকে একমুঠো তারা খসে পড়েছে সাগরের বুকে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে বলা হয় ‘বায়োলুমিনেসেন্ট প্লাঙ্কটন’। তবে পর্যটকদের কাছে এ যেন এক জাদুকরী ও রহস্যময় খেলা, যার টানে থাইল্যান্ডে ছুটে যান শত শত দর্শনার্থী।
তবে এটা কোনো রহস্য নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে সমুদ্রের অতি ক্ষুদ্র কিছু জীব। যাদের নাম প্লাঙ্কটন। ঢেউয়ের ঝাপটায় বা মানুষের পায়ের ছোঁয়ায় যখনই পানিতে আলোড়ন তৈরি হয়, তখনই এদের শরীর থেকে ঠিকরে বের হয় নীলচে আলো।
বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘সি স্পার্কল’ বলা হলেও নিজের চোখে দেখলে মনে হবে, কোনো জাদুকর বুঝি সমুদ্রের তলদেশে নীল বাতি জ্বালিয়ে রেখেছেন। অন্ধকারের বুক চিরে আলোর এই খেলা দেখলে মনে হয়, প্রকৃতি যেন তার অলংকারের বাক্স খুলে দিয়েছে।
থাইল্যান্ডের কয়েকটি নির্দিষ্ট সৈকতে এই দৃশ্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ‘ক্রাবির রাইলে বিচ’ এর জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। চারপাশের বিশাল চুনাপাথরের পাহাড় বাইরের দুনিয়ার কৃত্রিম আলোকে এখানে আটকে দেয়। ফলে অন্ধকারে প্লাঙ্কটনের উজ্জ্বলতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
তবে এর পাশেই থাকা টন সাই বিচে দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা কম থাকে। তাই সেখানে নির্জনে এই প্রাকৃতিক আলো উপভোগ করা যায়। কো ফি ফি-র নির্জন খাঁড়িগুলোতে রাতে নৌকায় ভাসলে মনে হবে, যেন নীলাভ এক স্বপ্নরাজ্য পাড়ি দিয়েছেন। এছাড়া ফুকেট-সংলগ্ন ফাং এনগা বে-র গুহা ও ম্যানগ্রোভ জঙ্গল এলাকাতেও এর দেখা মেলে।
সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত থাইল্যান্ড ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে জাদুকরী এই নিলাভ জলরাশী দেখতে হলে বেছে নিতে হবে অমাবস্যার রাত। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে আকাশ একেবারে মেঘমুক্ত থাকে। চাঁদের আলো না থাকলে সমুদ্রের এই নীল রং আরও বেশি উজ্জ্বল ও রহস্যময় হয়ে ওঠে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য আকর্ষণীয় একটি দেশ হলো থাইল্যান্ড। দেশটির স্ফটিক-স্বচ্ছ জল, মিহি সাদা বালি এবং প্রাণবন্ত দ্বীপ জীবনের জন্য দীর্ঘকাল ধরেই পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। তবে অন্য একটি কারণেও পর্যটকরা থাইল্যান্ডে যেতে পছন্দ করেন। দিনের আলো ফুরিয়ে সূর্য ডুবলেই সেখানে শুরু হয় এক অন্য রকম খেলা। চারদিকে যখন ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঠিক তখনই সমুদ্রের ঢেউয়ে জেগে ওঠে রহস্যময় এক নীলাভ আলো!
অন্ধকারে ঢেউয়ের সঙ্গে আলোর এই ঝিলিক দেখলে মনে হয় আকাশ থেকে একমুঠো তারা খসে পড়েছে সাগরের বুকে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে বলা হয় ‘বায়োলুমিনেসেন্ট প্লাঙ্কটন’। তবে পর্যটকদের কাছে এ যেন এক জাদুকরী ও রহস্যময় খেলা, যার টানে থাইল্যান্ডে ছুটে যান শত শত দর্শনার্থী।
তবে এটা কোনো রহস্য নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে সমুদ্রের অতি ক্ষুদ্র কিছু জীব। যাদের নাম প্লাঙ্কটন। ঢেউয়ের ঝাপটায় বা মানুষের পায়ের ছোঁয়ায় যখনই পানিতে আলোড়ন তৈরি হয়, তখনই এদের শরীর থেকে ঠিকরে বের হয় নীলচে আলো।
বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘সি স্পার্কল’ বলা হলেও নিজের চোখে দেখলে মনে হবে, কোনো জাদুকর বুঝি সমুদ্রের তলদেশে নীল বাতি জ্বালিয়ে রেখেছেন। অন্ধকারের বুক চিরে আলোর এই খেলা দেখলে মনে হয়, প্রকৃতি যেন তার অলংকারের বাক্স খুলে দিয়েছে।
থাইল্যান্ডের কয়েকটি নির্দিষ্ট সৈকতে এই দৃশ্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ‘ক্রাবির রাইলে বিচ’ এর জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। চারপাশের বিশাল চুনাপাথরের পাহাড় বাইরের দুনিয়ার কৃত্রিম আলোকে এখানে আটকে দেয়। ফলে অন্ধকারে প্লাঙ্কটনের উজ্জ্বলতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
তবে এর পাশেই থাকা টন সাই বিচে দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা কম থাকে। তাই সেখানে নির্জনে এই প্রাকৃতিক আলো উপভোগ করা যায়। কো ফি ফি-র নির্জন খাঁড়িগুলোতে রাতে নৌকায় ভাসলে মনে হবে, যেন নীলাভ এক স্বপ্নরাজ্য পাড়ি দিয়েছেন। এছাড়া ফুকেট-সংলগ্ন ফাং এনগা বে-র গুহা ও ম্যানগ্রোভ জঙ্গল এলাকাতেও এর দেখা মেলে।
সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত থাইল্যান্ড ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে জাদুকরী এই নিলাভ জলরাশী দেখতে হলে বেছে নিতে হবে অমাবস্যার রাত। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে আকাশ একেবারে মেঘমুক্ত থাকে। চাঁদের আলো না থাকলে সমুদ্রের এই নীল রং আরও বেশি উজ্জ্বল ও রহস্যময় হয়ে ওঠে।
সূত্র: এনডিটিভি

যে সমুদ্রপাড়ে রাত হলেই জ্বলে ওঠে রহস্যময় নীলাভ আলো
সিজেডএন ডেস্ক

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য আকর্ষণীয় একটি দেশ হলো থাইল্যান্ড। দেশটির স্ফটিক-স্বচ্ছ জল, মিহি সাদা বালি এবং প্রাণবন্ত দ্বীপ জীবনের জন্য দীর্ঘকাল ধরেই পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। তবে অন্য একটি কারণেও পর্যটকরা থাইল্যান্ডে যেতে পছন্দ করেন। দিনের আলো ফুরিয়ে সূর্য ডুবলেই সেখানে শুরু হয় এক অন্য রকম খেলা। চারদিকে যখন ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঠিক তখনই সমুদ্রের ঢেউয়ে জেগে ওঠে রহস্যময় এক নীলাভ আলো!
অন্ধকারে ঢেউয়ের সঙ্গে আলোর এই ঝিলিক দেখলে মনে হয় আকাশ থেকে একমুঠো তারা খসে পড়েছে সাগরের বুকে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে বলা হয় ‘বায়োলুমিনেসেন্ট প্লাঙ্কটন’। তবে পর্যটকদের কাছে এ যেন এক জাদুকরী ও রহস্যময় খেলা, যার টানে থাইল্যান্ডে ছুটে যান শত শত দর্শনার্থী।
তবে এটা কোনো রহস্য নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে সমুদ্রের অতি ক্ষুদ্র কিছু জীব। যাদের নাম প্লাঙ্কটন। ঢেউয়ের ঝাপটায় বা মানুষের পায়ের ছোঁয়ায় যখনই পানিতে আলোড়ন তৈরি হয়, তখনই এদের শরীর থেকে ঠিকরে বের হয় নীলচে আলো।
বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ‘সি স্পার্কল’ বলা হলেও নিজের চোখে দেখলে মনে হবে, কোনো জাদুকর বুঝি সমুদ্রের তলদেশে নীল বাতি জ্বালিয়ে রেখেছেন। অন্ধকারের বুক চিরে আলোর এই খেলা দেখলে মনে হয়, প্রকৃতি যেন তার অলংকারের বাক্স খুলে দিয়েছে।
থাইল্যান্ডের কয়েকটি নির্দিষ্ট সৈকতে এই দৃশ্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ‘ক্রাবির রাইলে বিচ’ এর জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। চারপাশের বিশাল চুনাপাথরের পাহাড় বাইরের দুনিয়ার কৃত্রিম আলোকে এখানে আটকে দেয়। ফলে অন্ধকারে প্লাঙ্কটনের উজ্জ্বলতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
তবে এর পাশেই থাকা টন সাই বিচে দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা কম থাকে। তাই সেখানে নির্জনে এই প্রাকৃতিক আলো উপভোগ করা যায়। কো ফি ফি-র নির্জন খাঁড়িগুলোতে রাতে নৌকায় ভাসলে মনে হবে, যেন নীলাভ এক স্বপ্নরাজ্য পাড়ি দিয়েছেন। এছাড়া ফুকেট-সংলগ্ন ফাং এনগা বে-র গুহা ও ম্যানগ্রোভ জঙ্গল এলাকাতেও এর দেখা মেলে।
সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত থাইল্যান্ড ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে জাদুকরী এই নিলাভ জলরাশী দেখতে হলে বেছে নিতে হবে অমাবস্যার রাত। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে আকাশ একেবারে মেঘমুক্ত থাকে। চাঁদের আলো না থাকলে সমুদ্রের এই নীল রং আরও বেশি উজ্জ্বল ও রহস্যময় হয়ে ওঠে।
সূত্র: এনডিটিভি

এক সেতুতে দাঁড়িয়েই দেখা যাবে ৪ দেশ







