ভ্রমণপিপাসুদের নতুন আকর্ষণ ৫৫ কিমি দীর্ঘ সেতু

ভ্রমণপিপাসুদের নতুন আকর্ষণ ৫৫ কিমি দীর্ঘ সেতু
সিজেডএন ডেস্ক

ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বলা হয়- দেহের জন্য যেমন খাবারের প্রয়োজন, তেমনি মনের জন্য প্রয়োজন ভ্রমণের। আকর্ষণীয়, রহস্যময় ও দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ করে তাই মানুষ আত্মার খোরাক যোগান। দর্শনীয় এসব স্থানের মধ্যে কিছু থাকে প্রাকৃতিক, আবার কিছু মানবসৃষ্ট। মানুষের হাতে তৈরি এমনই এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য হলো হংকং-ঝুহাই-মাকাও সেতু।
পার্ল নদীর উপকূলজুড়ে ৫৫ কিলোমিটার বিস্তৃত এই সেতুটি নির্মাণে ৯ বছর সময় লেগেছে। খরচ হয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি নির্মাণে ৪,০০,০০০ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। তিনটি কেবল-সাপোর্টেড ব্রিজ, বিস্তীর্ণ ভায়াডাক্ট, ৬.৭ কিমি দীর্ঘ সমুদ্রতল অন্ডারসি টানেল ও চারটি কৃত্রিম দ্বীপের সমাহার এই সেতু।
হংকং-ঝুহাই-মাকাও সেতু এখন শুধু পরিবহন সংযোগের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। পর্যটকদের জন্যও হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। ২০১৮ সালে নির্মিত এই সেতুটি দেখতে প্রতিবছর শত শত পর্যটক চীন ভ্রমণ করেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেতুর দর্শনার্থীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত ৯৩ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী সেতুটি ব্যবহার করেছে, যার অধিকাংশই আন্তর্জাতিক পর্যটক।
সেতুর বিশালতা, সমুদ্রের চারপাশের দৃশ্য এবং সূর্যোদয় ও রাতের সময়ের নাটকীয় দৃশ্যগুলো পর্যটকদেরকে আকর্ষণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
সেতুটি হংকং, ঝুহাই ও মাকাওকে সংযোগ করেছে। এটি দেখার শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই সময় আকাশ স্বচ্ছ ও আরামদায়ক তাপমাত্রা বিরাজ করে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরে টাইফুন মৌসুম ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে ওই সময় ভ্রমণ পরিহার করা ভালো।

ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বলা হয়- দেহের জন্য যেমন খাবারের প্রয়োজন, তেমনি মনের জন্য প্রয়োজন ভ্রমণের। আকর্ষণীয়, রহস্যময় ও দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ করে তাই মানুষ আত্মার খোরাক যোগান। দর্শনীয় এসব স্থানের মধ্যে কিছু থাকে প্রাকৃতিক, আবার কিছু মানবসৃষ্ট। মানুষের হাতে তৈরি এমনই এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য হলো হংকং-ঝুহাই-মাকাও সেতু।
পার্ল নদীর উপকূলজুড়ে ৫৫ কিলোমিটার বিস্তৃত এই সেতুটি নির্মাণে ৯ বছর সময় লেগেছে। খরচ হয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি নির্মাণে ৪,০০,০০০ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। তিনটি কেবল-সাপোর্টেড ব্রিজ, বিস্তীর্ণ ভায়াডাক্ট, ৬.৭ কিমি দীর্ঘ সমুদ্রতল অন্ডারসি টানেল ও চারটি কৃত্রিম দ্বীপের সমাহার এই সেতু।
হংকং-ঝুহাই-মাকাও সেতু এখন শুধু পরিবহন সংযোগের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। পর্যটকদের জন্যও হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। ২০১৮ সালে নির্মিত এই সেতুটি দেখতে প্রতিবছর শত শত পর্যটক চীন ভ্রমণ করেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেতুর দর্শনার্থীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত ৯৩ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী সেতুটি ব্যবহার করেছে, যার অধিকাংশই আন্তর্জাতিক পর্যটক।
সেতুর বিশালতা, সমুদ্রের চারপাশের দৃশ্য এবং সূর্যোদয় ও রাতের সময়ের নাটকীয় দৃশ্যগুলো পর্যটকদেরকে আকর্ষণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
সেতুটি হংকং, ঝুহাই ও মাকাওকে সংযোগ করেছে। এটি দেখার শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই সময় আকাশ স্বচ্ছ ও আরামদায়ক তাপমাত্রা বিরাজ করে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরে টাইফুন মৌসুম ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে ওই সময় ভ্রমণ পরিহার করা ভালো।

ভ্রমণপিপাসুদের নতুন আকর্ষণ ৫৫ কিমি দীর্ঘ সেতু
সিজেডএন ডেস্ক

ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বলা হয়- দেহের জন্য যেমন খাবারের প্রয়োজন, তেমনি মনের জন্য প্রয়োজন ভ্রমণের। আকর্ষণীয়, রহস্যময় ও দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ করে তাই মানুষ আত্মার খোরাক যোগান। দর্শনীয় এসব স্থানের মধ্যে কিছু থাকে প্রাকৃতিক, আবার কিছু মানবসৃষ্ট। মানুষের হাতে তৈরি এমনই এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য হলো হংকং-ঝুহাই-মাকাও সেতু।
পার্ল নদীর উপকূলজুড়ে ৫৫ কিলোমিটার বিস্তৃত এই সেতুটি নির্মাণে ৯ বছর সময় লেগেছে। খরচ হয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি নির্মাণে ৪,০০,০০০ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। তিনটি কেবল-সাপোর্টেড ব্রিজ, বিস্তীর্ণ ভায়াডাক্ট, ৬.৭ কিমি দীর্ঘ সমুদ্রতল অন্ডারসি টানেল ও চারটি কৃত্রিম দ্বীপের সমাহার এই সেতু।
হংকং-ঝুহাই-মাকাও সেতু এখন শুধু পরিবহন সংযোগের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। পর্যটকদের জন্যও হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। ২০১৮ সালে নির্মিত এই সেতুটি দেখতে প্রতিবছর শত শত পর্যটক চীন ভ্রমণ করেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেতুর দর্শনার্থীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত ৯৩ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী সেতুটি ব্যবহার করেছে, যার অধিকাংশই আন্তর্জাতিক পর্যটক।
সেতুর বিশালতা, সমুদ্রের চারপাশের দৃশ্য এবং সূর্যোদয় ও রাতের সময়ের নাটকীয় দৃশ্যগুলো পর্যটকদেরকে আকর্ষণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
সেতুটি হংকং, ঝুহাই ও মাকাওকে সংযোগ করেছে। এটি দেখার শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই সময় আকাশ স্বচ্ছ ও আরামদায়ক তাপমাত্রা বিরাজ করে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরে টাইফুন মৌসুম ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে ওই সময় ভ্রমণ পরিহার করা ভালো।

এক সেতুতে দাঁড়িয়েই দেখা যাবে ৪ দেশ







