প্রাক্তনকে ভুলতে কত বছর লাগে, জানালো গবেষণা

প্রাক্তনকে ভুলতে কত বছর লাগে, জানালো গবেষণা
সিজেডএন ডেস্ক

সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। কথা নেই, দেখা নেই, এমনকি একসঙ্গে পথচলাও নেই। তবু হঠাৎ কোনো গান, পুরোনো ছবি কিংবা পরিচিত কোনো জায়গা মনে করিয়ে দেয় সেই মানুষটিকে। বুকের ভেতর কেমন যেন তৈরি হয় শূন্যতা। মনে হয়, মানুষটি জীবন থেকে চলে গেলেও স্মৃতিগুলো এখনো রয়ে গেছে।
প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান অনেকেই। কেউ দ্রুত নিজেকে সামলে নেন, আবার কেউ বছরের পর বছর বয়ে বেড়ান পুরোনো সম্পর্কের আবেগ। এবার সেই আবেগ কতদিন টিকে থাকে, তা নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক জিয়া ওয়াই চং ও আর ক্রিস ফ্রেলি।
২০২৫ সালে ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগগত টান অর্ধেক কমতে গড়ে ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে সেই বিশেষ আবেগ প্রায় পুরোপুরি মিলিয়ে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৮ বছর।
গবেষণাটিতে অংশ নেন ৩২৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক। প্রত্যেকের অন্তত দুই বছর স্থায়ী প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা পরে ভেঙে যায়। তাদের গড় বয়স ছিল ৩০ বছরের কাছাকাছি।সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের গড় স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৬ বছর।
গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চান, সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা এখনো আছে কি না? তার কাছ থেকে নিরাপত্তাবোধ পাওয়া যায় কি না? তাকে ঘিরে বিশেষ কোনো আবেগ রয়ে গেছে কি না? একই ধরনের প্রশ্ন করা হয় একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়েও।
ফলাফলে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়। তবে এই পরিবর্তন বেশ ধীর। দীর্ঘমেয়াদে সেই আবেগ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিচ্ছেদের পর সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে আবেগগত বন্ধন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রবণতা বেশি। উদ্বেগপ্রবণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও পুরোনো আবেগ বেশি দিন টিকে থাকতে পারে। সন্তান থাকা সাবেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের শুরুতে আবেগগত বন্ধন তুলনামূলক বেশি ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে তাদের আবেগ সন্তানহীন সাবেক দম্পতিদের তুলনায় দ্রুত কমেছে।
অন্যদিকে, নতুন সম্পর্কে জড়ানো কিংবা নারী-পুরুষের পার্থক্য সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগ কমার গতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। অর্থাৎ, প্রাক্তনকে ভুলতে কতদিন লাগে?-এর কোনো বাঁধাধরা উত্তর নেই। প্রাক্তনকে ভুলতে কারও কয়েক মাস আবার কারও কয়েক বছর সময় লাগে। আবার কেউ স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যান, কেউ একদিন দেখেন, যে মানুষটি একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে আপন ছিল, সে এখন নিছকই অতীত।

সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। কথা নেই, দেখা নেই, এমনকি একসঙ্গে পথচলাও নেই। তবু হঠাৎ কোনো গান, পুরোনো ছবি কিংবা পরিচিত কোনো জায়গা মনে করিয়ে দেয় সেই মানুষটিকে। বুকের ভেতর কেমন যেন তৈরি হয় শূন্যতা। মনে হয়, মানুষটি জীবন থেকে চলে গেলেও স্মৃতিগুলো এখনো রয়ে গেছে।
প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান অনেকেই। কেউ দ্রুত নিজেকে সামলে নেন, আবার কেউ বছরের পর বছর বয়ে বেড়ান পুরোনো সম্পর্কের আবেগ। এবার সেই আবেগ কতদিন টিকে থাকে, তা নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক জিয়া ওয়াই চং ও আর ক্রিস ফ্রেলি।
২০২৫ সালে ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগগত টান অর্ধেক কমতে গড়ে ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে সেই বিশেষ আবেগ প্রায় পুরোপুরি মিলিয়ে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৮ বছর।
গবেষণাটিতে অংশ নেন ৩২৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক। প্রত্যেকের অন্তত দুই বছর স্থায়ী প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা পরে ভেঙে যায়। তাদের গড় বয়স ছিল ৩০ বছরের কাছাকাছি।সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের গড় স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৬ বছর।
গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চান, সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা এখনো আছে কি না? তার কাছ থেকে নিরাপত্তাবোধ পাওয়া যায় কি না? তাকে ঘিরে বিশেষ কোনো আবেগ রয়ে গেছে কি না? একই ধরনের প্রশ্ন করা হয় একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়েও।
ফলাফলে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়। তবে এই পরিবর্তন বেশ ধীর। দীর্ঘমেয়াদে সেই আবেগ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিচ্ছেদের পর সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে আবেগগত বন্ধন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রবণতা বেশি। উদ্বেগপ্রবণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও পুরোনো আবেগ বেশি দিন টিকে থাকতে পারে। সন্তান থাকা সাবেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের শুরুতে আবেগগত বন্ধন তুলনামূলক বেশি ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে তাদের আবেগ সন্তানহীন সাবেক দম্পতিদের তুলনায় দ্রুত কমেছে।
অন্যদিকে, নতুন সম্পর্কে জড়ানো কিংবা নারী-পুরুষের পার্থক্য সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগ কমার গতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। অর্থাৎ, প্রাক্তনকে ভুলতে কতদিন লাগে?-এর কোনো বাঁধাধরা উত্তর নেই। প্রাক্তনকে ভুলতে কারও কয়েক মাস আবার কারও কয়েক বছর সময় লাগে। আবার কেউ স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যান, কেউ একদিন দেখেন, যে মানুষটি একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে আপন ছিল, সে এখন নিছকই অতীত।

প্রাক্তনকে ভুলতে কত বছর লাগে, জানালো গবেষণা
সিজেডএন ডেস্ক

সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। কথা নেই, দেখা নেই, এমনকি একসঙ্গে পথচলাও নেই। তবু হঠাৎ কোনো গান, পুরোনো ছবি কিংবা পরিচিত কোনো জায়গা মনে করিয়ে দেয় সেই মানুষটিকে। বুকের ভেতর কেমন যেন তৈরি হয় শূন্যতা। মনে হয়, মানুষটি জীবন থেকে চলে গেলেও স্মৃতিগুলো এখনো রয়ে গেছে।
প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান অনেকেই। কেউ দ্রুত নিজেকে সামলে নেন, আবার কেউ বছরের পর বছর বয়ে বেড়ান পুরোনো সম্পর্কের আবেগ। এবার সেই আবেগ কতদিন টিকে থাকে, তা নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক জিয়া ওয়াই চং ও আর ক্রিস ফ্রেলি।
২০২৫ সালে ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগগত টান অর্ধেক কমতে গড়ে ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে সেই বিশেষ আবেগ প্রায় পুরোপুরি মিলিয়ে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৮ বছর।
গবেষণাটিতে অংশ নেন ৩২৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক। প্রত্যেকের অন্তত দুই বছর স্থায়ী প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা পরে ভেঙে যায়। তাদের গড় বয়স ছিল ৩০ বছরের কাছাকাছি।সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের গড় স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৬ বছর।
গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চান, সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা এখনো আছে কি না? তার কাছ থেকে নিরাপত্তাবোধ পাওয়া যায় কি না? তাকে ঘিরে বিশেষ কোনো আবেগ রয়ে গেছে কি না? একই ধরনের প্রশ্ন করা হয় একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়েও।
ফলাফলে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগগত বন্ধন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়। তবে এই পরিবর্তন বেশ ধীর। দীর্ঘমেয়াদে সেই আবেগ প্রায় শূন্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিচ্ছেদের পর সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে আবেগগত বন্ধন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রবণতা বেশি। উদ্বেগপ্রবণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও পুরোনো আবেগ বেশি দিন টিকে থাকতে পারে। সন্তান থাকা সাবেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের শুরুতে আবেগগত বন্ধন তুলনামূলক বেশি ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে তাদের আবেগ সন্তানহীন সাবেক দম্পতিদের তুলনায় দ্রুত কমেছে।
অন্যদিকে, নতুন সম্পর্কে জড়ানো কিংবা নারী-পুরুষের পার্থক্য সাবেক সঙ্গীর প্রতি আবেগ কমার গতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। অর্থাৎ, প্রাক্তনকে ভুলতে কতদিন লাগে?-এর কোনো বাঁধাধরা উত্তর নেই। প্রাক্তনকে ভুলতে কারও কয়েক মাস আবার কারও কয়েক বছর সময় লাগে। আবার কেউ স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যান, কেউ একদিন দেখেন, যে মানুষটি একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে আপন ছিল, সে এখন নিছকই অতীত।

বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখেন ৬০ শতাংশ মানুষ, কারণ কী?







