আশাবাদীরা কি বেশি দিন বাঁচেন? যা বলছে গবেষণা

আশাবাদীরা কি বেশি দিন বাঁচেন? যা বলছে গবেষণা
সিজেডএন ডেস্ক

জীবনে চলার পথে প্রতিটি বাঁকে মানুষকে দুঃখ-দুর্দশা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে এতে হতাশ না হয়ে ইতিবাচকভাবে সমস্যা সমাধান করতে হবে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি মানসিক চাপ, কঠিন পরিস্থিতি এবং প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। এমনকি দীর্ঘায়ুর সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা।
আশাবাদীরা কি বেশি দিন বাঁচেন?
চিকিৎসকরা জানান, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দীর্ঘায়ুর সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে। তবে সব সময় অতিরিক্ত আশাবাদী থাকাই যে বড় ভূমিকা রাখে এমন নয়, এর চেয়ে দীর্ঘদিন নেতিবাচক চিন্তায় ডুবে না থাকাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
কয়েক লাখ মানুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা দেখতে পেয়েছেন, আশাবাদীরা গড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি দিন বাঁচেন। তাদের ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও বেশি। তবে নতুন গবেষণা বলছে, বিষয়টি শুধু আশাবাদী হওয়ার নয়, বরং অতিরিক্ত হতাশাবাদী না হওয়ার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
যেভাবে কাজ করে-
মানসিক চাপ কমাতে পারে
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষের মধ্যে হতাশা কম থাকে। এটা অতিরিক্ত মানসিক চাপের প্রবণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বিপদ থেকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো
জীবনে প্রতিকূলতা আসবেই। তবে সেখান থেকে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো যায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আশাবাদী মানুষ ব্যর্থতা বা হতাশার বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকে না। তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্যন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমতে পারে।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
আশাবাদী মানুষ সাধারণত নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকেন। নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলেন। এগুলো সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
গবেষকরা জানান, এসব তথ্য মূলত পর্যবেক্ষণভিত্তিক। এ বিষয়ে গবেষণা এখনও চলছে। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য আশাবাদী মানসিকতার সম্ভাব্য উপকারের দিকেই রয়েছে।

জীবনে চলার পথে প্রতিটি বাঁকে মানুষকে দুঃখ-দুর্দশা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে এতে হতাশ না হয়ে ইতিবাচকভাবে সমস্যা সমাধান করতে হবে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি মানসিক চাপ, কঠিন পরিস্থিতি এবং প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। এমনকি দীর্ঘায়ুর সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা।
আশাবাদীরা কি বেশি দিন বাঁচেন?
চিকিৎসকরা জানান, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দীর্ঘায়ুর সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে। তবে সব সময় অতিরিক্ত আশাবাদী থাকাই যে বড় ভূমিকা রাখে এমন নয়, এর চেয়ে দীর্ঘদিন নেতিবাচক চিন্তায় ডুবে না থাকাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
কয়েক লাখ মানুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা দেখতে পেয়েছেন, আশাবাদীরা গড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি দিন বাঁচেন। তাদের ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও বেশি। তবে নতুন গবেষণা বলছে, বিষয়টি শুধু আশাবাদী হওয়ার নয়, বরং অতিরিক্ত হতাশাবাদী না হওয়ার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
যেভাবে কাজ করে-
মানসিক চাপ কমাতে পারে
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষের মধ্যে হতাশা কম থাকে। এটা অতিরিক্ত মানসিক চাপের প্রবণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বিপদ থেকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো
জীবনে প্রতিকূলতা আসবেই। তবে সেখান থেকে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো যায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আশাবাদী মানুষ ব্যর্থতা বা হতাশার বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকে না। তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্যন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমতে পারে।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
আশাবাদী মানুষ সাধারণত নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকেন। নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলেন। এগুলো সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
গবেষকরা জানান, এসব তথ্য মূলত পর্যবেক্ষণভিত্তিক। এ বিষয়ে গবেষণা এখনও চলছে। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য আশাবাদী মানসিকতার সম্ভাব্য উপকারের দিকেই রয়েছে।

আশাবাদীরা কি বেশি দিন বাঁচেন? যা বলছে গবেষণা
সিজেডএন ডেস্ক

জীবনে চলার পথে প্রতিটি বাঁকে মানুষকে দুঃখ-দুর্দশা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে এতে হতাশ না হয়ে ইতিবাচকভাবে সমস্যা সমাধান করতে হবে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি মানসিক চাপ, কঠিন পরিস্থিতি এবং প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। এমনকি দীর্ঘায়ুর সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা।
আশাবাদীরা কি বেশি দিন বাঁচেন?
চিকিৎসকরা জানান, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দীর্ঘায়ুর সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে। তবে সব সময় অতিরিক্ত আশাবাদী থাকাই যে বড় ভূমিকা রাখে এমন নয়, এর চেয়ে দীর্ঘদিন নেতিবাচক চিন্তায় ডুবে না থাকাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
কয়েক লাখ মানুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা দেখতে পেয়েছেন, আশাবাদীরা গড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি দিন বাঁচেন। তাদের ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও বেশি। তবে নতুন গবেষণা বলছে, বিষয়টি শুধু আশাবাদী হওয়ার নয়, বরং অতিরিক্ত হতাশাবাদী না হওয়ার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
যেভাবে কাজ করে-
মানসিক চাপ কমাতে পারে
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষের মধ্যে হতাশা কম থাকে। এটা অতিরিক্ত মানসিক চাপের প্রবণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বিপদ থেকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো
জীবনে প্রতিকূলতা আসবেই। তবে সেখান থেকে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো যায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আশাবাদী মানুষ ব্যর্থতা বা হতাশার বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকে না। তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্যন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমতে পারে।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
আশাবাদী মানুষ সাধারণত নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকেন। নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলেন। এগুলো সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
গবেষকরা জানান, এসব তথ্য মূলত পর্যবেক্ষণভিত্তিক। এ বিষয়ে গবেষণা এখনও চলছে। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য আশাবাদী মানসিকতার সম্ভাব্য উপকারের দিকেই রয়েছে।

ছোট ছোট যেসব অভ্যাস জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে







