অবশেষে সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ বিজয়-রাশমিকা

অবশেষে সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ বিজয়-রাশমিকা
বিনোদন ডেস্ক

গত কয়েকদিন ধরেই অনলাইন মাধ্যমে লাগামহীন ট্রলিং ও পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন ভারতের দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। এবার বাধ্য হয়ে অবশেষে আইনি ব্যবস্থার পথ বেছে নিলেন তারা। সম্প্রতি হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তাদের প্রতিনিধি দল।

ঘটনার সূত্রপাত একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক ও সঞ্চালক করণ জোহরের টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ অংশ নিয়েছিলেন এই জুটি। সেখানে রাশমিকা খোলাসা করেছিলেন তাদের সম্পর্কের এক গোপন তথ্য। তিনি জানান, বিজয়কে বিয়ের জন্য রাজি করাতে তাকে টানা এক বছর ধরে প্রায় ১০০ বার প্রস্তাব দিতে হয়েছিল। সেই সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
রাতারাতি ট্রলারদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন বিজয়। এমনকি নেটিজেনদের একাংশ তাকে ‘রেড ফ্ল্যাগ হাসবেন্ড’ বলেও কটূক্তি করতে শুরু করে। পরিস্থিতি জটিল হতে থাকায় বিজয় ও রাশমিকার টিম বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

তাদের দাবি, কোনো এক বিশেষ মহল অর্থ খরচ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের বিকৃত স্ক্রিনশট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে তারকা জুটির সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজয়ের টিম ও রাশমিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংবিধানে সবারই বাকস্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। কিন্তু এটার মানে এই নয় যে, অন্য কাউকে অপমান করে কিংবা হেয় প্রতিপন্ন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে।

গত কয়েকদিন ধরেই অনলাইন মাধ্যমে লাগামহীন ট্রলিং ও পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন ভারতের দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। এবার বাধ্য হয়ে অবশেষে আইনি ব্যবস্থার পথ বেছে নিলেন তারা। সম্প্রতি হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তাদের প্রতিনিধি দল।

ঘটনার সূত্রপাত একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক ও সঞ্চালক করণ জোহরের টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ অংশ নিয়েছিলেন এই জুটি। সেখানে রাশমিকা খোলাসা করেছিলেন তাদের সম্পর্কের এক গোপন তথ্য। তিনি জানান, বিজয়কে বিয়ের জন্য রাজি করাতে তাকে টানা এক বছর ধরে প্রায় ১০০ বার প্রস্তাব দিতে হয়েছিল। সেই সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
রাতারাতি ট্রলারদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন বিজয়। এমনকি নেটিজেনদের একাংশ তাকে ‘রেড ফ্ল্যাগ হাসবেন্ড’ বলেও কটূক্তি করতে শুরু করে। পরিস্থিতি জটিল হতে থাকায় বিজয় ও রাশমিকার টিম বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

তাদের দাবি, কোনো এক বিশেষ মহল অর্থ খরচ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের বিকৃত স্ক্রিনশট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে তারকা জুটির সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজয়ের টিম ও রাশমিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংবিধানে সবারই বাকস্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। কিন্তু এটার মানে এই নয় যে, অন্য কাউকে অপমান করে কিংবা হেয় প্রতিপন্ন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে।

অবশেষে সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ বিজয়-রাশমিকা
বিনোদন ডেস্ক

গত কয়েকদিন ধরেই অনলাইন মাধ্যমে লাগামহীন ট্রলিং ও পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন ভারতের দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। এবার বাধ্য হয়ে অবশেষে আইনি ব্যবস্থার পথ বেছে নিলেন তারা। সম্প্রতি হায়দ্রাবাদের সাইবার ক্রাইম পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তাদের প্রতিনিধি দল।

ঘটনার সূত্রপাত একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক ও সঞ্চালক করণ জোহরের টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ অংশ নিয়েছিলেন এই জুটি। সেখানে রাশমিকা খোলাসা করেছিলেন তাদের সম্পর্কের এক গোপন তথ্য। তিনি জানান, বিজয়কে বিয়ের জন্য রাজি করাতে তাকে টানা এক বছর ধরে প্রায় ১০০ বার প্রস্তাব দিতে হয়েছিল। সেই সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
রাতারাতি ট্রলারদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন বিজয়। এমনকি নেটিজেনদের একাংশ তাকে ‘রেড ফ্ল্যাগ হাসবেন্ড’ বলেও কটূক্তি করতে শুরু করে। পরিস্থিতি জটিল হতে থাকায় বিজয় ও রাশমিকার টিম বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

তাদের দাবি, কোনো এক বিশেষ মহল অর্থ খরচ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের বিকৃত স্ক্রিনশট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে তারকা জুটির সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজয়ের টিম ও রাশমিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংবিধানে সবারই বাকস্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। কিন্তু এটার মানে এই নয় যে, অন্য কাউকে অপমান করে কিংবা হেয় প্রতিপন্ন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে।

রাশমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার গল্প শোনালেন বিজয়







