দিব্যাণীর কাছ থেকে যা শিখছেন সৃজিত

দিব্যাণীর কাছ থেকে যা শিখছেন সৃজিত
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের ছোটপর্দার অভিনেত্রী দিব্যাণী মণ্ডল। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের দাবী’ নিয়ে নির্মিত সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করছেন তিনি। সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত সিনেমাটির নাম ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। গুণী এই পরিচালক সিনেমায় যেমন নতুনদের সুযোগ দিয়েছেন, তেমনি বাস্তব জীবনেও ‘জেন জি’ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত নতুন অনেক কিছু শিখছেন।
সিনেমাটি মুক্তির আগে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সৃজিত। সেখানে তিনি নতুনদের কাছ থেকে শিখতে বেশ আগ্রহী বলে জানান। বিশেষ করে নবাগত দিব্যাণীর কাছ থেকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা খুঁটিনাটি বিষয় শিখছেন।

সৃজিত বলেন, ‘আমি দিব্যাণীর কাছ থেকে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা শিখছি। কীভাবে ইনস্টাগ্রামে রিলস শুট করতে হয়, গ্রিড সাজাতে হয়- এসব বিষয়। ওরা এসব ব্যাপারে অসম্ভব পটু।’
তিনি বলেন, ‘ওরা ফেসবুকটাকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখে না। ভাবে ওটা ‘বুমার’দের জিনিস। ওরা যেভাবে চারদিকের পৃথিবীটাকে দেখে, তা নিয়ে আমার সঙ্গে কথা হয়। সমাজ, রাজনীতি, সম্পর্ক কিংবা সংগীত নিয়ে ওদের যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেগুলোর সঙ্গে আমাকে পরিচিত করিয়েছে দিব্যাণী ও ঋক।’ ঋক আরেক তরুণ অভিনেতা। সৃজিতের ভাষ্য, ‘যেকোনো প্রজন্মের কাছ থেকেই অন্য প্রজন্মের অনেক কিছু নেওয়ার আছে।’
অন্যদিকে সৃজিতের মতো নামকরা নির্মাতার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত দিব্যাণী। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী শুরুতে বকুনি খাওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন। এজন্য নাকি সব সংলাপ মুখস্থ করে যেতেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘বকুনি খাওয়ার ভয়ে শুটিংয়ে সব মুখস্থ করে যেতাম। যেখানে বুঝতে পারিনি, সেখানে সৃজিত স্যার বুঝিয়ে দিয়েছেন।’ আগামী ১৫ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

সিনেমাটিতে ‘ভারতী’ চরিত্রে অভিনয় করবেন দিব্যাণী। তাকে এই চরিত্রে নির্বাচনের বিষয়ে সৃজিত জানান, ভারতী চরিত্রটির মধ্যে একধরনের অন্তর্নিহিত সারল্য রয়েছে। উপন্যাসে সব্যসাচীর স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র পন্থা নিয়ে ভারতীর মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়। এই নিষ্পাপ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এমন এক নতুন মুখের প্রয়োজন ছিল, যাকে দর্শক আগে সেভাবে দেখেনি।
সিনেমাটিতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, সব্যসাচী মল্লিকের চরিত্রে আবীর চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকায় দেখা যাবে সঞ্জয় নাগকে।

ভারতের ছোটপর্দার অভিনেত্রী দিব্যাণী মণ্ডল। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের দাবী’ নিয়ে নির্মিত সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করছেন তিনি। সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত সিনেমাটির নাম ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। গুণী এই পরিচালক সিনেমায় যেমন নতুনদের সুযোগ দিয়েছেন, তেমনি বাস্তব জীবনেও ‘জেন জি’ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত নতুন অনেক কিছু শিখছেন।
সিনেমাটি মুক্তির আগে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সৃজিত। সেখানে তিনি নতুনদের কাছ থেকে শিখতে বেশ আগ্রহী বলে জানান। বিশেষ করে নবাগত দিব্যাণীর কাছ থেকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা খুঁটিনাটি বিষয় শিখছেন।

সৃজিত বলেন, ‘আমি দিব্যাণীর কাছ থেকে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা শিখছি। কীভাবে ইনস্টাগ্রামে রিলস শুট করতে হয়, গ্রিড সাজাতে হয়- এসব বিষয়। ওরা এসব ব্যাপারে অসম্ভব পটু।’
তিনি বলেন, ‘ওরা ফেসবুকটাকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখে না। ভাবে ওটা ‘বুমার’দের জিনিস। ওরা যেভাবে চারদিকের পৃথিবীটাকে দেখে, তা নিয়ে আমার সঙ্গে কথা হয়। সমাজ, রাজনীতি, সম্পর্ক কিংবা সংগীত নিয়ে ওদের যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেগুলোর সঙ্গে আমাকে পরিচিত করিয়েছে দিব্যাণী ও ঋক।’ ঋক আরেক তরুণ অভিনেতা। সৃজিতের ভাষ্য, ‘যেকোনো প্রজন্মের কাছ থেকেই অন্য প্রজন্মের অনেক কিছু নেওয়ার আছে।’
অন্যদিকে সৃজিতের মতো নামকরা নির্মাতার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত দিব্যাণী। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী শুরুতে বকুনি খাওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন। এজন্য নাকি সব সংলাপ মুখস্থ করে যেতেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘বকুনি খাওয়ার ভয়ে শুটিংয়ে সব মুখস্থ করে যেতাম। যেখানে বুঝতে পারিনি, সেখানে সৃজিত স্যার বুঝিয়ে দিয়েছেন।’ আগামী ১৫ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

সিনেমাটিতে ‘ভারতী’ চরিত্রে অভিনয় করবেন দিব্যাণী। তাকে এই চরিত্রে নির্বাচনের বিষয়ে সৃজিত জানান, ভারতী চরিত্রটির মধ্যে একধরনের অন্তর্নিহিত সারল্য রয়েছে। উপন্যাসে সব্যসাচীর স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র পন্থা নিয়ে ভারতীর মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়। এই নিষ্পাপ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এমন এক নতুন মুখের প্রয়োজন ছিল, যাকে দর্শক আগে সেভাবে দেখেনি।
সিনেমাটিতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, সব্যসাচী মল্লিকের চরিত্রে আবীর চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকায় দেখা যাবে সঞ্জয় নাগকে।

দিব্যাণীর কাছ থেকে যা শিখছেন সৃজিত
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের ছোটপর্দার অভিনেত্রী দিব্যাণী মণ্ডল। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের দাবী’ নিয়ে নির্মিত সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করছেন তিনি। সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত সিনেমাটির নাম ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। গুণী এই পরিচালক সিনেমায় যেমন নতুনদের সুযোগ দিয়েছেন, তেমনি বাস্তব জীবনেও ‘জেন জি’ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত নতুন অনেক কিছু শিখছেন।
সিনেমাটি মুক্তির আগে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সৃজিত। সেখানে তিনি নতুনদের কাছ থেকে শিখতে বেশ আগ্রহী বলে জানান। বিশেষ করে নবাগত দিব্যাণীর কাছ থেকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা খুঁটিনাটি বিষয় শিখছেন।

সৃজিত বলেন, ‘আমি দিব্যাণীর কাছ থেকে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা শিখছি। কীভাবে ইনস্টাগ্রামে রিলস শুট করতে হয়, গ্রিড সাজাতে হয়- এসব বিষয়। ওরা এসব ব্যাপারে অসম্ভব পটু।’
তিনি বলেন, ‘ওরা ফেসবুকটাকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখে না। ভাবে ওটা ‘বুমার’দের জিনিস। ওরা যেভাবে চারদিকের পৃথিবীটাকে দেখে, তা নিয়ে আমার সঙ্গে কথা হয়। সমাজ, রাজনীতি, সম্পর্ক কিংবা সংগীত নিয়ে ওদের যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেগুলোর সঙ্গে আমাকে পরিচিত করিয়েছে দিব্যাণী ও ঋক।’ ঋক আরেক তরুণ অভিনেতা। সৃজিতের ভাষ্য, ‘যেকোনো প্রজন্মের কাছ থেকেই অন্য প্রজন্মের অনেক কিছু নেওয়ার আছে।’
অন্যদিকে সৃজিতের মতো নামকরা নির্মাতার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত দিব্যাণী। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী শুরুতে বকুনি খাওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন। এজন্য নাকি সব সংলাপ মুখস্থ করে যেতেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘বকুনি খাওয়ার ভয়ে শুটিংয়ে সব মুখস্থ করে যেতাম। যেখানে বুঝতে পারিনি, সেখানে সৃজিত স্যার বুঝিয়ে দিয়েছেন।’ আগামী ১৫ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

সিনেমাটিতে ‘ভারতী’ চরিত্রে অভিনয় করবেন দিব্যাণী। তাকে এই চরিত্রে নির্বাচনের বিষয়ে সৃজিত জানান, ভারতী চরিত্রটির মধ্যে একধরনের অন্তর্নিহিত সারল্য রয়েছে। উপন্যাসে সব্যসাচীর স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র পন্থা নিয়ে ভারতীর মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়। এই নিষ্পাপ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এমন এক নতুন মুখের প্রয়োজন ছিল, যাকে দর্শক আগে সেভাবে দেখেনি।
সিনেমাটিতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, সব্যসাচী মল্লিকের চরিত্রে আবীর চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকায় দেখা যাবে সঞ্জয় নাগকে।

ধর্ষণের হুমকি পেলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী; পাশে দাঁড়ালেন সৃজিত







