যে ৩ বিষয়ের কারণে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার কম

যে ৩ বিষয়ের কারণে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার কম
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে বড় ধরণের বিপর্যয় ঘটেছে। ইংরেজি, গণিত এবং হিসাববিজ্ঞান—এই তিনটি আবশ্যক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তুলনামূলক বাজে পারফরম্যান্সই বোর্ডটির সামগ্রিক ফলাফলকে টেনে নিচে নামিয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.৩৯ শতাংশে, যা সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একযোগে এ বছরের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
চলতি বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ২৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬৯ হাজার ২১৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ৬৬ হাজার ২৫০ জন। পাসের ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা কিছুটা এগিয়ে রয়েছে; উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৫৪৯ জন ছাত্রী এবং ৩৩ হাজার ৬৬৮ জন ছাত্র। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের জয়জয়কার—মোট ৭ হাজার ৬৮৭ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১২৩ জন ছাত্রী এবং ৩ হাজার ৫৬৪ জন ছাত্র। সার্বিক পাসের হার কম হলেও বোর্ডের ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করার সাফল্য দেখিয়েছে।
ফলাফলে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
/এবি/

২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে বড় ধরণের বিপর্যয় ঘটেছে। ইংরেজি, গণিত এবং হিসাববিজ্ঞান—এই তিনটি আবশ্যক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তুলনামূলক বাজে পারফরম্যান্সই বোর্ডটির সামগ্রিক ফলাফলকে টেনে নিচে নামিয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.৩৯ শতাংশে, যা সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একযোগে এ বছরের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
চলতি বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ২৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬৯ হাজার ২১৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ৬৬ হাজার ২৫০ জন। পাসের ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা কিছুটা এগিয়ে রয়েছে; উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৫৪৯ জন ছাত্রী এবং ৩৩ হাজার ৬৬৮ জন ছাত্র। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের জয়জয়কার—মোট ৭ হাজার ৬৮৭ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১২৩ জন ছাত্রী এবং ৩ হাজার ৫৬৪ জন ছাত্র। সার্বিক পাসের হার কম হলেও বোর্ডের ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করার সাফল্য দেখিয়েছে।
ফলাফলে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
/এবি/

যে ৩ বিষয়ের কারণে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার কম
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে বড় ধরণের বিপর্যয় ঘটেছে। ইংরেজি, গণিত এবং হিসাববিজ্ঞান—এই তিনটি আবশ্যক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তুলনামূলক বাজে পারফরম্যান্সই বোর্ডটির সামগ্রিক ফলাফলকে টেনে নিচে নামিয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.৩৯ শতাংশে, যা সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একযোগে এ বছরের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
চলতি বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ২৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬৯ হাজার ২১৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ৬৬ হাজার ২৫০ জন। পাসের ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা কিছুটা এগিয়ে রয়েছে; উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৫৪৯ জন ছাত্রী এবং ৩৩ হাজার ৬৬৮ জন ছাত্র। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের জয়জয়কার—মোট ৭ হাজার ৬৮৭ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১২৩ জন ছাত্রী এবং ৩ হাজার ৫৬৪ জন ছাত্র। সার্বিক পাসের হার কম হলেও বোর্ডের ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করার সাফল্য দেখিয়েছে।
ফলাফলে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
/এবি/









