‘সরকারি চাকরি করি, আমার চাকরি খাইও না’ শিক্ষকের আকুতি

‘সরকারি চাকরি করি, আমার চাকরি খাইও না’ শিক্ষকের আকুতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের ঘটনার জেরে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৭ শিক্ষককে একযোগে বদলির প্রজ্ঞাপন জারির পর কলেজজুড়ে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। শিক্ষার্থীদের একাংশ বদলির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক শিক্ষককে আবেগাপ্লুত হয়ে বলতে শোনা যায়, ‘আমি সরকারি চাকরি করি, এটা আমার বদলি। তোমরা আন্দোলন করে আমার ক্ষতি করো না।’ ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৭ শিক্ষককে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) ওএসডি করে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জলাবদ্ধতার ঘটনার কোনো উল্লেখ না থাকলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দাবি, ১৩ জুলাইয়ের ওই ঘটনাকেই কেন্দ্র করেই তাদের এই বদলি।
ওইদিন টানা বর্ষণে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে প্রায় ১ হাজার এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। সেই ঘটনার ছবি ও ভিডিও দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের অন্য একটি কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।
বদলির প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর কলেজে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার দায় শুধুমাত্র শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে তাদের বদলি করা ন্যায়সঙ্গত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে কলেজটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি সরকারি চাকরি করি। তোমরা আন্দোলন করে আমার চাকরি খাইও না। তোমরা আমার ক্ষতি কইরো না।’ তার এই বক্তব্য আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘জলাবদ্ধতা ছিলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল। ওই দিন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতো আমরাও চরম দুর্ভোগের মধ্যে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন ৭ জন শিক্ষককে একসঙ্গে বদলির প্রজ্ঞাপন দেওয়ায় পুরো কলেজে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা মনে করি, এ ঘটনায় শিক্ষকদের একতরফাভাবে দায়ী করা ঠিক হয়নি।’
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলিকৃত শিক্ষকদের ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় ওই দিনের অপরাহ্ণ থেকে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন এবং নির্ধারিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে অবমুক্ত ও নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
এদিকে প্রজ্ঞাপনে ওএসডি হওয়া ৭ শিক্ষকের মধ্যে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলমকে চৌদ্দগ্রামের চিওড়া সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেককে কক্সবাজার সরকারি কলেজে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়াকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উল্লাহ মজুমদারকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ নূর উল্লাহকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজে, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আল-আমিনকে সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীনকে বরগুনা সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওএসডি হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলম পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় যুক্ত ছিলেন না। গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেক মূল দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অন্যদিকে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়া এইচএসসি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের ঘটনার জেরে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৭ শিক্ষককে একযোগে বদলির প্রজ্ঞাপন জারির পর কলেজজুড়ে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। শিক্ষার্থীদের একাংশ বদলির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক শিক্ষককে আবেগাপ্লুত হয়ে বলতে শোনা যায়, ‘আমি সরকারি চাকরি করি, এটা আমার বদলি। তোমরা আন্দোলন করে আমার ক্ষতি করো না।’ ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৭ শিক্ষককে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) ওএসডি করে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জলাবদ্ধতার ঘটনার কোনো উল্লেখ না থাকলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দাবি, ১৩ জুলাইয়ের ওই ঘটনাকেই কেন্দ্র করেই তাদের এই বদলি।
ওইদিন টানা বর্ষণে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে প্রায় ১ হাজার এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। সেই ঘটনার ছবি ও ভিডিও দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের অন্য একটি কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।
বদলির প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর কলেজে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার দায় শুধুমাত্র শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে তাদের বদলি করা ন্যায়সঙ্গত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে কলেজটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি সরকারি চাকরি করি। তোমরা আন্দোলন করে আমার চাকরি খাইও না। তোমরা আমার ক্ষতি কইরো না।’ তার এই বক্তব্য আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘জলাবদ্ধতা ছিলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল। ওই দিন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতো আমরাও চরম দুর্ভোগের মধ্যে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন ৭ জন শিক্ষককে একসঙ্গে বদলির প্রজ্ঞাপন দেওয়ায় পুরো কলেজে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা মনে করি, এ ঘটনায় শিক্ষকদের একতরফাভাবে দায়ী করা ঠিক হয়নি।’
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলিকৃত শিক্ষকদের ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় ওই দিনের অপরাহ্ণ থেকে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন এবং নির্ধারিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে অবমুক্ত ও নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
এদিকে প্রজ্ঞাপনে ওএসডি হওয়া ৭ শিক্ষকের মধ্যে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলমকে চৌদ্দগ্রামের চিওড়া সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেককে কক্সবাজার সরকারি কলেজে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়াকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উল্লাহ মজুমদারকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ নূর উল্লাহকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজে, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আল-আমিনকে সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীনকে বরগুনা সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওএসডি হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলম পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় যুক্ত ছিলেন না। গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেক মূল দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অন্যদিকে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়া এইচএসসি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

‘সরকারি চাকরি করি, আমার চাকরি খাইও না’ শিক্ষকের আকুতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের ঘটনার জেরে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৭ শিক্ষককে একযোগে বদলির প্রজ্ঞাপন জারির পর কলেজজুড়ে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। শিক্ষার্থীদের একাংশ বদলির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক শিক্ষককে আবেগাপ্লুত হয়ে বলতে শোনা যায়, ‘আমি সরকারি চাকরি করি, এটা আমার বদলি। তোমরা আন্দোলন করে আমার ক্ষতি করো না।’ ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ৭ শিক্ষককে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) ওএসডি করে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জলাবদ্ধতার ঘটনার কোনো উল্লেখ না থাকলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দাবি, ১৩ জুলাইয়ের ওই ঘটনাকেই কেন্দ্র করেই তাদের এই বদলি।
ওইদিন টানা বর্ষণে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে প্রায় ১ হাজার এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। সেই ঘটনার ছবি ও ভিডিও দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের অন্য একটি কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।
বদলির প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর কলেজে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার দায় শুধুমাত্র শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে তাদের বদলি করা ন্যায়সঙ্গত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে কলেজটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি সরকারি চাকরি করি। তোমরা আন্দোলন করে আমার চাকরি খাইও না। তোমরা আমার ক্ষতি কইরো না।’ তার এই বক্তব্য আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘জলাবদ্ধতা ছিলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল। ওই দিন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতো আমরাও চরম দুর্ভোগের মধ্যে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন ৭ জন শিক্ষককে একসঙ্গে বদলির প্রজ্ঞাপন দেওয়ায় পুরো কলেজে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা মনে করি, এ ঘটনায় শিক্ষকদের একতরফাভাবে দায়ী করা ঠিক হয়নি।’
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলিকৃত শিক্ষকদের ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় ওই দিনের অপরাহ্ণ থেকে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন এবং নির্ধারিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইনে অবমুক্ত ও নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
এদিকে প্রজ্ঞাপনে ওএসডি হওয়া ৭ শিক্ষকের মধ্যে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলমকে চৌদ্দগ্রামের চিওড়া সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেককে কক্সবাজার সরকারি কলেজে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়াকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উল্লাহ মজুমদারকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ নূর উল্লাহকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজে, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আল-আমিনকে সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীনকে বরগুনা সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওএসডি হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলম পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় যুক্ত ছিলেন না। গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেক মূল দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অন্যদিকে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়া এইচএসসি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।









