সরকারের সব বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষা: প্রতিমন্ত্রী

সরকারের সব বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষা: প্রতিমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, 'সরকারের সব বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষার্থীর শেখা। তাই বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় শুধু প্রশাসনিক তদারকি নয়, শ্রেণিকক্ষে সরাসরি 'লার্নিং অডিট' পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।'
রবিবার (২৬ জুলাই) সিলেট পিটিআইয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত 'বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা' শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী প্রায় ৬ ঘণ্টাব্যাপী তিনটি প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ রূপকল্প, প্রশাসনিক সংস্কার, কার্যকর মনিটরিং এবং শেখার মানোন্নয়ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, 'কোনো বিদ্যালয় কেন অকার্যকর, শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা, প্রশিক্ষণের ঘাটতি কিংবা অন্য যেকোনো কারণ– এসব বিষয়ে মাঠপর্যায় থেকে বাস্তব তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সমস্যার প্রকৃত চিত্র গোপন না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে হবে ‘
তিনি বলেন, 'বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বা প্রকল্প বাস্তবায়নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সত্যিকার অর্থে কতটুকু শিখছে।'
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মর্যাদা, সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
আগামী বছরের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নৈশপ্রহরী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, 'সরকারের সব বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষার্থীর শেখা। তাই বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় শুধু প্রশাসনিক তদারকি নয়, শ্রেণিকক্ষে সরাসরি 'লার্নিং অডিট' পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।'
রবিবার (২৬ জুলাই) সিলেট পিটিআইয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত 'বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা' শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী প্রায় ৬ ঘণ্টাব্যাপী তিনটি প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ রূপকল্প, প্রশাসনিক সংস্কার, কার্যকর মনিটরিং এবং শেখার মানোন্নয়ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, 'কোনো বিদ্যালয় কেন অকার্যকর, শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা, প্রশিক্ষণের ঘাটতি কিংবা অন্য যেকোনো কারণ– এসব বিষয়ে মাঠপর্যায় থেকে বাস্তব তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সমস্যার প্রকৃত চিত্র গোপন না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে হবে ‘
তিনি বলেন, 'বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বা প্রকল্প বাস্তবায়নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সত্যিকার অর্থে কতটুকু শিখছে।'
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মর্যাদা, সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
আগামী বছরের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নৈশপ্রহরী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকারের সব বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষা: প্রতিমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, 'সরকারের সব বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষার্থীর শেখা। তাই বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় শুধু প্রশাসনিক তদারকি নয়, শ্রেণিকক্ষে সরাসরি 'লার্নিং অডিট' পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।'
রবিবার (২৬ জুলাই) সিলেট পিটিআইয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত 'বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা' শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী প্রায় ৬ ঘণ্টাব্যাপী তিনটি প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ রূপকল্প, প্রশাসনিক সংস্কার, কার্যকর মনিটরিং এবং শেখার মানোন্নয়ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, 'কোনো বিদ্যালয় কেন অকার্যকর, শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা, প্রশিক্ষণের ঘাটতি কিংবা অন্য যেকোনো কারণ– এসব বিষয়ে মাঠপর্যায় থেকে বাস্তব তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সমস্যার প্রকৃত চিত্র গোপন না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে হবে ‘
তিনি বলেন, 'বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বা প্রকল্প বাস্তবায়নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সত্যিকার অর্থে কতটুকু শিখছে।'
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মর্যাদা, সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
আগামী বছরের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নৈশপ্রহরী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।









