একাদশে এবার যেভাবে ভর্তি করা হবে

একাদশে এবার যেভাবে ভর্তি করা হবে
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। অন্যদিকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থী এবং ফলের সম্ভাব্য চিত্র বিবেচনায় এবারও একাদশ শ্রেণিতে বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যেই ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগের মতোই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পরপরই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকায় ৩০ জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন শুরুর প্রস্তুতি ছিল। তবে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যাওয়ায় ভর্তি কার্যক্রমও পিছিয়ে গেছে।
এবারও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তারা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে নির্বাচন করতে পারবে। পরে শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার ফল, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
সরকার পরিবর্তনের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন পদ্ধতি চালু এবং সারা দেশে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে আগের পদ্ধতিই বহাল থাকছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুই-এক দিনের মধ্যেই একাদশ শ্রেণির ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভর্তি পদ্ধতি আগের মতো থাকলেও বিভিন্ন কোটা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এবারও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন খালি থাকবে। আসন খালি থাকার পরিমাণ মূলত নির্ভর করবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর। পাসের হার বেশি হলে খালি আসনের সংখ্যা কমবে, অন্যদিকে পাসের হার কম হলে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে।
উল্লেখ্য, নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। অন্যদিকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থী এবং ফলের সম্ভাব্য চিত্র বিবেচনায় এবারও একাদশ শ্রেণিতে বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যেই ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগের মতোই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পরপরই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকায় ৩০ জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন শুরুর প্রস্তুতি ছিল। তবে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যাওয়ায় ভর্তি কার্যক্রমও পিছিয়ে গেছে।
এবারও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তারা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে নির্বাচন করতে পারবে। পরে শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার ফল, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
সরকার পরিবর্তনের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন পদ্ধতি চালু এবং সারা দেশে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে আগের পদ্ধতিই বহাল থাকছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুই-এক দিনের মধ্যেই একাদশ শ্রেণির ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভর্তি পদ্ধতি আগের মতো থাকলেও বিভিন্ন কোটা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এবারও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন খালি থাকবে। আসন খালি থাকার পরিমাণ মূলত নির্ভর করবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর। পাসের হার বেশি হলে খালি আসনের সংখ্যা কমবে, অন্যদিকে পাসের হার কম হলে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে।
উল্লেখ্য, নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

একাদশে এবার যেভাবে ভর্তি করা হবে
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। অন্যদিকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থী এবং ফলের সম্ভাব্য চিত্র বিবেচনায় এবারও একাদশ শ্রেণিতে বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যেই ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগের মতোই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পরপরই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকায় ৩০ জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন শুরুর প্রস্তুতি ছিল। তবে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যাওয়ায় ভর্তি কার্যক্রমও পিছিয়ে গেছে।
এবারও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তারা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে নির্বাচন করতে পারবে। পরে শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার ফল, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
সরকার পরিবর্তনের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন পদ্ধতি চালু এবং সারা দেশে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে আগের পদ্ধতিই বহাল থাকছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুই-এক দিনের মধ্যেই একাদশ শ্রেণির ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভর্তি পদ্ধতি আগের মতো থাকলেও বিভিন্ন কোটা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এবারও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন খালি থাকবে। আসন খালি থাকার পরিমাণ মূলত নির্ভর করবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর। পাসের হার বেশি হলে খালি আসনের সংখ্যা কমবে, অন্যদিকে পাসের হার কম হলে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে।
উল্লেখ্য, নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এসএসসির ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট







