দাম বেড়েছে মুরগির, স্বস্তি নেই সবজিতেও

দাম বেড়েছে মুরগির, স্বস্তি নেই সবজিতেও
নিজস্ব প্রতিবেদক

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। এছাড়া মাছের বাজারে আকারভেদে ভালো মানের বড় ইলিশের কেজি ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। এতে বাজারে এসে চরম অস্বস্তি ও হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিন কাপ্তান বাজার ও রায়সাহেব বাজার ঘুরে দেখা যায়, একেক পণ্যের দামে একেক রকম চিত্র। কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, আবার কোথাও কিছুটা কমেছে ধনে পাতা ও বেগুনের দাম। মাছের বাজারেও আকারভেদে দামের পার্থক্য বেশ স্পষ্ট।

কাপ্তান বাজার:
কাপ্তান বাজারের বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে টমেটো ৮০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হলেও বর্তমানে বেড়ে তা ১০০ টাকা হয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, গত সপ্তাহে ধনে পাতা ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ২০০ টাকা এবং বেগুন কেজিতে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অন্যদিকে, ফুলকপির কেজি ৮০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, মুলা ৬০, বরবটি ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দয়া গঞ্জের বাসিন্দা মো. মিজান বলেন, ১০০ টাকার চিংড়ি নিলাম। ২০ টাকার বরবটি, ২০ টাকার মুলা নিলাম। এটা আজকে রাতে রান্না করবে। পরিবারে আটজন সদস্য। চার ছেলে, দুই মেয়ে আমার। আল্লাহ কোনো রকমে বাঁচিয়ে রাখছেন। বাজারে আসলে হিমসিম খেতে হয়।
মাছের বাজারেও ক্রেতাদের খরচের বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কাপ্তানবাজার মাছের বাজারে
রুই আকারভেদে ২৮০-৩০০ টাকা, পোয়া মাছ ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, পাঙাস ছোট আকারের ১৬০ টাকা, রুপ চাঁদা আকারভেদে ১২০০-১৩০০ টাকা, ইলিশ আকার ভেদে মাঝারি ১৫০০ টাকা, বড় ২২০০-২৫০০ টাকা। চিংড়ি ১০০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, বেলে ৯০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা কেজিকে বিক্রি হচ্ছে।
কাপ্তান বাজারের আব্দুর রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, আমি এক কেজি চিংড়ি কিনলাম। দাম আগের মতোই। তবে সবজির বাজারে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। মুরগির দাম ও বেড়েছে। সোনালী মুরগী কিনলাম, কেজি নিল ৩২০ টাকা। মুরগী বিক্রেতারা জানান,গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকায় বিক্রি করছে। ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে।

রায় সাহেব বাজার
এদিকে, রায়সাহেব বাজারের সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে টমেটো ১২০, বেগুন ১৮০ টাকা, ইন্ডিয়ান কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা, করল্লা ৮৭০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, ধনে পাতা ২০০ টাকা। ফুলকপি ৮০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা ধরে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে।
এ বাজারেও মাছের আকারভেদে দামের পার্থক্য দেখা গেছে। রায় সাহেব বাজারের মাছ বিক্রেতারা বলেন, মাছের সাইজ অনুযায়ী দাম। পাঙাস ছোট সাইজের ১৭০ টাকা, বড় সাইজের ২০০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ ছোট সাইজের ৭০০ টাকা, আরও বড় সাইজের গুলো ১৫০০ টাকা, ১ কেজিতে ১ পিছের ইলিশ ২৫০০ টাকা। কৈ ৫০০ টাকা, টেংরা ৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ৩৫০ টাকা।
আরমান নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে ইলিশ মাছের দাম বেশি। ছোট সাইজের গুলোর দাম একটু কম হলেও সেগুলো খাইতে বেশি স্বাদ নাই। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ইলিশ ভালো মানের বড় সাইজের ইলিশ কেনার সাধ্য নাই।
তবে মুরগির বাজারে দাম বেড়েছে সোনালি মুরগীর কাপ্তান বাজার ও রায়সাহেব বাজার উভয় বাজারে সোনালী মুরগির প্রতি কেজি ৩১০-৩২০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাপ্তান বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ টাকা এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেন মাংস বিক্রেতারা জানান।
এছাড়া, বাজারে মুদির দোকানগুলোতে সয়াবিন তেল বোতলজাত প্রতি লিটার ২০৫ টাকা। চিনি প্রতি কেজি ১০৫ টাকা, আটা প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, চালের বাজার স্থিতিশীল তবে পোলাও চাউল দাম দুই মাস ধরে বেশি। খোলাটা ১৮০ টাকা, প্যাকেট ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পিয়াজ ৪৫-৫০ টাকা, আদা ১১০-১৩০ টাকা,চায়না রসুন ১৪০ টাকা ও দেশি রসুন ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এক মুদি দোকানী মো. জুয়েল বলেন, ‘মানুষের কাছে টাকা নাই। মাসের ১ তারিখ তাও বইয়া বইয়া ঝিমতেছি। ইনকাম না থাকলে মানুষ খাইবো কি।’

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। এছাড়া মাছের বাজারে আকারভেদে ভালো মানের বড় ইলিশের কেজি ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। এতে বাজারে এসে চরম অস্বস্তি ও হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিন কাপ্তান বাজার ও রায়সাহেব বাজার ঘুরে দেখা যায়, একেক পণ্যের দামে একেক রকম চিত্র। কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, আবার কোথাও কিছুটা কমেছে ধনে পাতা ও বেগুনের দাম। মাছের বাজারেও আকারভেদে দামের পার্থক্য বেশ স্পষ্ট।

কাপ্তান বাজার:
কাপ্তান বাজারের বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে টমেটো ৮০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হলেও বর্তমানে বেড়ে তা ১০০ টাকা হয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, গত সপ্তাহে ধনে পাতা ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ২০০ টাকা এবং বেগুন কেজিতে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অন্যদিকে, ফুলকপির কেজি ৮০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, মুলা ৬০, বরবটি ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দয়া গঞ্জের বাসিন্দা মো. মিজান বলেন, ১০০ টাকার চিংড়ি নিলাম। ২০ টাকার বরবটি, ২০ টাকার মুলা নিলাম। এটা আজকে রাতে রান্না করবে। পরিবারে আটজন সদস্য। চার ছেলে, দুই মেয়ে আমার। আল্লাহ কোনো রকমে বাঁচিয়ে রাখছেন। বাজারে আসলে হিমসিম খেতে হয়।
মাছের বাজারেও ক্রেতাদের খরচের বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কাপ্তানবাজার মাছের বাজারে
রুই আকারভেদে ২৮০-৩০০ টাকা, পোয়া মাছ ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, পাঙাস ছোট আকারের ১৬০ টাকা, রুপ চাঁদা আকারভেদে ১২০০-১৩০০ টাকা, ইলিশ আকার ভেদে মাঝারি ১৫০০ টাকা, বড় ২২০০-২৫০০ টাকা। চিংড়ি ১০০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, বেলে ৯০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা কেজিকে বিক্রি হচ্ছে।
কাপ্তান বাজারের আব্দুর রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, আমি এক কেজি চিংড়ি কিনলাম। দাম আগের মতোই। তবে সবজির বাজারে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। মুরগির দাম ও বেড়েছে। সোনালী মুরগী কিনলাম, কেজি নিল ৩২০ টাকা। মুরগী বিক্রেতারা জানান,গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকায় বিক্রি করছে। ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে।

রায় সাহেব বাজার
এদিকে, রায়সাহেব বাজারের সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে টমেটো ১২০, বেগুন ১৮০ টাকা, ইন্ডিয়ান কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা, করল্লা ৮৭০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, ধনে পাতা ২০০ টাকা। ফুলকপি ৮০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা ধরে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে।
এ বাজারেও মাছের আকারভেদে দামের পার্থক্য দেখা গেছে। রায় সাহেব বাজারের মাছ বিক্রেতারা বলেন, মাছের সাইজ অনুযায়ী দাম। পাঙাস ছোট সাইজের ১৭০ টাকা, বড় সাইজের ২০০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ ছোট সাইজের ৭০০ টাকা, আরও বড় সাইজের গুলো ১৫০০ টাকা, ১ কেজিতে ১ পিছের ইলিশ ২৫০০ টাকা। কৈ ৫০০ টাকা, টেংরা ৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ৩৫০ টাকা।
আরমান নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে ইলিশ মাছের দাম বেশি। ছোট সাইজের গুলোর দাম একটু কম হলেও সেগুলো খাইতে বেশি স্বাদ নাই। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ইলিশ ভালো মানের বড় সাইজের ইলিশ কেনার সাধ্য নাই।
তবে মুরগির বাজারে দাম বেড়েছে সোনালি মুরগীর কাপ্তান বাজার ও রায়সাহেব বাজার উভয় বাজারে সোনালী মুরগির প্রতি কেজি ৩১০-৩২০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাপ্তান বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ টাকা এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেন মাংস বিক্রেতারা জানান।
এছাড়া, বাজারে মুদির দোকানগুলোতে সয়াবিন তেল বোতলজাত প্রতি লিটার ২০৫ টাকা। চিনি প্রতি কেজি ১০৫ টাকা, আটা প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, চালের বাজার স্থিতিশীল তবে পোলাও চাউল দাম দুই মাস ধরে বেশি। খোলাটা ১৮০ টাকা, প্যাকেট ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পিয়াজ ৪৫-৫০ টাকা, আদা ১১০-১৩০ টাকা,চায়না রসুন ১৪০ টাকা ও দেশি রসুন ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এক মুদি দোকানী মো. জুয়েল বলেন, ‘মানুষের কাছে টাকা নাই। মাসের ১ তারিখ তাও বইয়া বইয়া ঝিমতেছি। ইনকাম না থাকলে মানুষ খাইবো কি।’

দাম বেড়েছে মুরগির, স্বস্তি নেই সবজিতেও
নিজস্ব প্রতিবেদক

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। এছাড়া মাছের বাজারে আকারভেদে ভালো মানের বড় ইলিশের কেজি ছাড়িয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। এতে বাজারে এসে চরম অস্বস্তি ও হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিন কাপ্তান বাজার ও রায়সাহেব বাজার ঘুরে দেখা যায়, একেক পণ্যের দামে একেক রকম চিত্র। কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, আবার কোথাও কিছুটা কমেছে ধনে পাতা ও বেগুনের দাম। মাছের বাজারেও আকারভেদে দামের পার্থক্য বেশ স্পষ্ট।

কাপ্তান বাজার:
কাপ্তান বাজারের বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে টমেটো ৮০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হলেও বর্তমানে বেড়ে তা ১০০ টাকা হয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, গত সপ্তাহে ধনে পাতা ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ২০০ টাকা এবং বেগুন কেজিতে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অন্যদিকে, ফুলকপির কেজি ৮০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, মুলা ৬০, বরবটি ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দয়া গঞ্জের বাসিন্দা মো. মিজান বলেন, ১০০ টাকার চিংড়ি নিলাম। ২০ টাকার বরবটি, ২০ টাকার মুলা নিলাম। এটা আজকে রাতে রান্না করবে। পরিবারে আটজন সদস্য। চার ছেলে, দুই মেয়ে আমার। আল্লাহ কোনো রকমে বাঁচিয়ে রাখছেন। বাজারে আসলে হিমসিম খেতে হয়।
মাছের বাজারেও ক্রেতাদের খরচের বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কাপ্তানবাজার মাছের বাজারে
রুই আকারভেদে ২৮০-৩০০ টাকা, পোয়া মাছ ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, পাঙাস ছোট আকারের ১৬০ টাকা, রুপ চাঁদা আকারভেদে ১২০০-১৩০০ টাকা, ইলিশ আকার ভেদে মাঝারি ১৫০০ টাকা, বড় ২২০০-২৫০০ টাকা। চিংড়ি ১০০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, বেলে ৯০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা কেজিকে বিক্রি হচ্ছে।
কাপ্তান বাজারের আব্দুর রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, আমি এক কেজি চিংড়ি কিনলাম। দাম আগের মতোই। তবে সবজির বাজারে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। মুরগির দাম ও বেড়েছে। সোনালী মুরগী কিনলাম, কেজি নিল ৩২০ টাকা। মুরগী বিক্রেতারা জানান,গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সোনালী মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকায় বিক্রি করছে। ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে।

রায় সাহেব বাজার
এদিকে, রায়সাহেব বাজারের সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে টমেটো ১২০, বেগুন ১৮০ টাকা, ইন্ডিয়ান কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা, করল্লা ৮৭০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, ধনে পাতা ২০০ টাকা। ফুলকপি ৮০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা ধরে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে।
এ বাজারেও মাছের আকারভেদে দামের পার্থক্য দেখা গেছে। রায় সাহেব বাজারের মাছ বিক্রেতারা বলেন, মাছের সাইজ অনুযায়ী দাম। পাঙাস ছোট সাইজের ১৭০ টাকা, বড় সাইজের ২০০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ ছোট সাইজের ৭০০ টাকা, আরও বড় সাইজের গুলো ১৫০০ টাকা, ১ কেজিতে ১ পিছের ইলিশ ২৫০০ টাকা। কৈ ৫০০ টাকা, টেংরা ৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ৩৫০ টাকা।
আরমান নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে ইলিশ মাছের দাম বেশি। ছোট সাইজের গুলোর দাম একটু কম হলেও সেগুলো খাইতে বেশি স্বাদ নাই। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ইলিশ ভালো মানের বড় সাইজের ইলিশ কেনার সাধ্য নাই।
তবে মুরগির বাজারে দাম বেড়েছে সোনালি মুরগীর কাপ্তান বাজার ও রায়সাহেব বাজার উভয় বাজারে সোনালী মুরগির প্রতি কেজি ৩১০-৩২০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাপ্তান বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ টাকা এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেন মাংস বিক্রেতারা জানান।
এছাড়া, বাজারে মুদির দোকানগুলোতে সয়াবিন তেল বোতলজাত প্রতি লিটার ২০৫ টাকা। চিনি প্রতি কেজি ১০৫ টাকা, আটা প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, চালের বাজার স্থিতিশীল তবে পোলাও চাউল দাম দুই মাস ধরে বেশি। খোলাটা ১৮০ টাকা, প্যাকেট ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পিয়াজ ৪৫-৫০ টাকা, আদা ১১০-১৩০ টাকা,চায়না রসুন ১৪০ টাকা ও দেশি রসুন ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এক মুদি দোকানী মো. জুয়েল বলেন, ‘মানুষের কাছে টাকা নাই। মাসের ১ তারিখ তাও বইয়া বইয়া ঝিমতেছি। ইনকাম না থাকলে মানুষ খাইবো কি।’









