প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতে আরও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন

প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতে আরও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা ও ব্যবসা সহজীকরণকে গুরুত্ব দেওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, সোলার বিদ্যুৎ ব্যবহারে সহায়ক উপকরণে নীতিগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের পদক্ষেপ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিটিএমএর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রপ্তানির নগদ সহায়তার ওপর এআইটি ১০% থেকে কমিয়ে ৫% করা, রিসাইকেল্ড পণ্য ও কাঁচামালে করহার ৩% থেকে ১% হ্রাস, উৎসে করকে ন্যূনতম করের পরিবর্তে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনা এবং অতিরিক্ত উৎসে কর ফেরতের ব্যবস্থা করা। এছাড়া তুলা সরবরাহে উৎসে কর ১% থেকে কমিয়ে ০.৫০% করা, সৌর বিদ্যুৎ খাতের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর শূন্য শতাংশ করা, ফেব্রিকের মিনিমাম ভ্যালু নির্ধারণ, সোলারের ওপর করাদি প্রত্যাহার এবং ইটিপি পরিচালনার রাসায়নিক আমদানিতে শুল্ক অব্যাহতি ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বহাল রাখাকে সাধুবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনে কাস্টমস আইনে বিধান সংযোজন এবং বন্ধ মিল চালুর উদ্যোগকেও প্রশংসনীয় বলছে বিটিএমএ।
তবে ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩০% মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার দেশীয় শিল্পের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বিটিএমএ। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সংযোজনের হার বহাল রাখা প্রয়োজন বলে মনে করে তারা। পাশাপাশি টেক্সটাইল খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় করপোরেট ট্যাক্সের হার ১৫% নির্ধারণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্যের অস্থিরতা, উৎসে কর ও চলতি মূলধনের অভাবে খাতটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আয়কর ও উৎসে করের স্থিতিশীলতা, কাঁচামাল ও মেশিনারি আমদানিতে নীতিগত সহায়তা, বিনিয়োগ সুবিধা এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি করনীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিটিএমএ বিশ্বাস করে, সরকার ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাজেট বাস্তবায়ন হলে প্রাইমারি টেক্সটাইল খাত নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, আমদানি বিকল্প উৎপাদন এবং রপ্তানি আয়ে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। একটি প্রতিযোগিতামূলক, জ্বালানি-দক্ষ, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেক্সটাইল ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা ও ব্যবসা সহজীকরণকে গুরুত্ব দেওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, সোলার বিদ্যুৎ ব্যবহারে সহায়ক উপকরণে নীতিগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের পদক্ষেপ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিটিএমএর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রপ্তানির নগদ সহায়তার ওপর এআইটি ১০% থেকে কমিয়ে ৫% করা, রিসাইকেল্ড পণ্য ও কাঁচামালে করহার ৩% থেকে ১% হ্রাস, উৎসে করকে ন্যূনতম করের পরিবর্তে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনা এবং অতিরিক্ত উৎসে কর ফেরতের ব্যবস্থা করা। এছাড়া তুলা সরবরাহে উৎসে কর ১% থেকে কমিয়ে ০.৫০% করা, সৌর বিদ্যুৎ খাতের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর শূন্য শতাংশ করা, ফেব্রিকের মিনিমাম ভ্যালু নির্ধারণ, সোলারের ওপর করাদি প্রত্যাহার এবং ইটিপি পরিচালনার রাসায়নিক আমদানিতে শুল্ক অব্যাহতি ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বহাল রাখাকে সাধুবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনে কাস্টমস আইনে বিধান সংযোজন এবং বন্ধ মিল চালুর উদ্যোগকেও প্রশংসনীয় বলছে বিটিএমএ।
তবে ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩০% মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার দেশীয় শিল্পের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বিটিএমএ। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সংযোজনের হার বহাল রাখা প্রয়োজন বলে মনে করে তারা। পাশাপাশি টেক্সটাইল খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় করপোরেট ট্যাক্সের হার ১৫% নির্ধারণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্যের অস্থিরতা, উৎসে কর ও চলতি মূলধনের অভাবে খাতটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আয়কর ও উৎসে করের স্থিতিশীলতা, কাঁচামাল ও মেশিনারি আমদানিতে নীতিগত সহায়তা, বিনিয়োগ সুবিধা এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি করনীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিটিএমএ বিশ্বাস করে, সরকার ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাজেট বাস্তবায়ন হলে প্রাইমারি টেক্সটাইল খাত নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, আমদানি বিকল্প উৎপাদন এবং রপ্তানি আয়ে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। একটি প্রতিযোগিতামূলক, জ্বালানি-দক্ষ, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেক্সটাইল ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতে আরও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা ও ব্যবসা সহজীকরণকে গুরুত্ব দেওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটির সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, সোলার বিদ্যুৎ ব্যবহারে সহায়ক উপকরণে নীতিগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের পদক্ষেপ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিটিএমএর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রপ্তানির নগদ সহায়তার ওপর এআইটি ১০% থেকে কমিয়ে ৫% করা, রিসাইকেল্ড পণ্য ও কাঁচামালে করহার ৩% থেকে ১% হ্রাস, উৎসে করকে ন্যূনতম করের পরিবর্তে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনা এবং অতিরিক্ত উৎসে কর ফেরতের ব্যবস্থা করা। এছাড়া তুলা সরবরাহে উৎসে কর ১% থেকে কমিয়ে ০.৫০% করা, সৌর বিদ্যুৎ খাতের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-কর শূন্য শতাংশ করা, ফেব্রিকের মিনিমাম ভ্যালু নির্ধারণ, সোলারের ওপর করাদি প্রত্যাহার এবং ইটিপি পরিচালনার রাসায়নিক আমদানিতে শুল্ক অব্যাহতি ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বহাল রাখাকে সাধুবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনে কাস্টমস আইনে বিধান সংযোজন এবং বন্ধ মিল চালুর উদ্যোগকেও প্রশংসনীয় বলছে বিটিএমএ।
তবে ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩০% মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার দেশীয় শিল্পের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বিটিএমএ। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সংযোজনের হার বহাল রাখা প্রয়োজন বলে মনে করে তারা। পাশাপাশি টেক্সটাইল খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় করপোরেট ট্যাক্সের হার ১৫% নির্ধারণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্যের অস্থিরতা, উৎসে কর ও চলতি মূলধনের অভাবে খাতটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আয়কর ও উৎসে করের স্থিতিশীলতা, কাঁচামাল ও মেশিনারি আমদানিতে নীতিগত সহায়তা, বিনিয়োগ সুবিধা এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি করনীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিটিএমএ বিশ্বাস করে, সরকার ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাজেট বাস্তবায়ন হলে প্রাইমারি টেক্সটাইল খাত নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, আমদানি বিকল্প উৎপাদন এবং রপ্তানি আয়ে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। একটি প্রতিযোগিতামূলক, জ্বালানি-দক্ষ, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেক্সটাইল ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

বাটা ও বিএনটিটিপির বাজেট প্রতিক্রিয়া


