বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখনো অনুকূল নয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখনো অনুকূল নয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ এখনো বিদেশি বিনিয়োগের জন্য পুরোপুরি অনুকূল নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা করা সহজ নয়। এখানে নিয়মকানুন বেশ জটিল এবং নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলাফল সব সময় আগে থেকে অনুমান করা যায় না। বিনিয়োগকারীরা যদি মনে করেন, প্রকল্প পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রতিযোগিতার সুযোগ নেই কিংবা অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তাহলে তারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারেন। বিপরীতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ থাকলে বিদেশি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এআরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা হিসেবে কাজ করতে পারে। চুক্তিটিতে শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শ্রমমান বাস্তবায়ন, দুর্নীতি হ্রাস, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। চুক্তির সুফল পেতে এসব প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
জ্বালানি খাতকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরে ক্রিস্টেনসেন বলেন , গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এলএনজি ও এলপিজি রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকটি বড় চুক্তিও হয়েছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে পারমাণবিক সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে ।বিশেষ করে ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও মার্কিন কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত । এ খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। এজন্য নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো, উপযুক্ত নিয়ন্ত্রক পরিবেশ এবং স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায়ও কাজ করছে দুই দেশ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট ও স্বাস্থ্য খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ এখনো বিদেশি বিনিয়োগের জন্য পুরোপুরি অনুকূল নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা করা সহজ নয়। এখানে নিয়মকানুন বেশ জটিল এবং নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলাফল সব সময় আগে থেকে অনুমান করা যায় না। বিনিয়োগকারীরা যদি মনে করেন, প্রকল্প পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রতিযোগিতার সুযোগ নেই কিংবা অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তাহলে তারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারেন। বিপরীতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ থাকলে বিদেশি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এআরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা হিসেবে কাজ করতে পারে। চুক্তিটিতে শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শ্রমমান বাস্তবায়ন, দুর্নীতি হ্রাস, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। চুক্তির সুফল পেতে এসব প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
জ্বালানি খাতকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরে ক্রিস্টেনসেন বলেন , গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এলএনজি ও এলপিজি রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকটি বড় চুক্তিও হয়েছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে পারমাণবিক সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে ।বিশেষ করে ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও মার্কিন কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত । এ খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। এজন্য নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো, উপযুক্ত নিয়ন্ত্রক পরিবেশ এবং স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায়ও কাজ করছে দুই দেশ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট ও স্বাস্থ্য খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখনো অনুকূল নয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ এখনো বিদেশি বিনিয়োগের জন্য পুরোপুরি অনুকূল নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা করা সহজ নয়। এখানে নিয়মকানুন বেশ জটিল এবং নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলাফল সব সময় আগে থেকে অনুমান করা যায় না। বিনিয়োগকারীরা যদি মনে করেন, প্রকল্প পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রতিযোগিতার সুযোগ নেই কিংবা অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তাহলে তারা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারেন। বিপরীতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ থাকলে বিদেশি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এআরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা হিসেবে কাজ করতে পারে। চুক্তিটিতে শুল্ক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শ্রমমান বাস্তবায়ন, দুর্নীতি হ্রাস, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। চুক্তির সুফল পেতে এসব প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
জ্বালানি খাতকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরে ক্রিস্টেনসেন বলেন , গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এলএনজি ও এলপিজি রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকটি বড় চুক্তিও হয়েছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে পারমাণবিক সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে ।বিশেষ করে ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও মার্কিন কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত । এ খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। এজন্য নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো, উপযুক্ত নিয়ন্ত্রক পরিবেশ এবং স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায়ও কাজ করছে দুই দেশ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট ও স্বাস্থ্য খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

মেট্রোরেলের ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেলো ভারতীয় প্রতিষ্ঠান







