মূলধন বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করছে ইসলামী ব্যাংক

মূলধন বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করছে ইসলামী ব্যাংক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

অনুমোদিত মূলধন দুই হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ তথ্য শেয়ারধারীদের জানিয়েছে ব্যাংকটি।
এর আগে, গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে মূলধন বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে হবে। এ জন্য শিগগিরই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাংকটির।
ব্যাংকটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, এস আলম গোষ্ঠীর অনিয়মের কারণে ব্যাংকটি মূলধন সংকটে পড়েছে। এ সংকট কাটাতে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগকারী আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মূলধন বাড়ানোর পরামর্শটি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দেওয়া ইসলামী ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, ব্যাংকের সংঘস্মারকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং বিশেষ সাধারণ সভায় শেয়ারধারীদের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি প্রায় ৭৯ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা।
ব্যাংকটির তথ্যানুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ছিল ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা। তাতে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও কমে গেছে। আর্থিক সংকটে থাকা ইসলামী ব্যাংক ২০২৩ সালের পর শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি বর্তমানে ব্যাংকটির শেয়ার ‘জেড’ শ্রেণিতে রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেয়। পরে ব্যাংকটি থেকে নামে-বেনামে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা তুলে নেয় গ্রুপটি। এসব ঋণের বড় অংশই এখন খেলাপি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ হারায় এস আলম গ্রুপ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বাধীন পরিচালকদের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম পরিচালিত হলেও, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

অনুমোদিত মূলধন দুই হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ তথ্য শেয়ারধারীদের জানিয়েছে ব্যাংকটি।
এর আগে, গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে মূলধন বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে হবে। এ জন্য শিগগিরই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাংকটির।
ব্যাংকটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, এস আলম গোষ্ঠীর অনিয়মের কারণে ব্যাংকটি মূলধন সংকটে পড়েছে। এ সংকট কাটাতে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগকারী আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মূলধন বাড়ানোর পরামর্শটি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দেওয়া ইসলামী ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, ব্যাংকের সংঘস্মারকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং বিশেষ সাধারণ সভায় শেয়ারধারীদের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি প্রায় ৭৯ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা।
ব্যাংকটির তথ্যানুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ছিল ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা। তাতে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও কমে গেছে। আর্থিক সংকটে থাকা ইসলামী ব্যাংক ২০২৩ সালের পর শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি বর্তমানে ব্যাংকটির শেয়ার ‘জেড’ শ্রেণিতে রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেয়। পরে ব্যাংকটি থেকে নামে-বেনামে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা তুলে নেয় গ্রুপটি। এসব ঋণের বড় অংশই এখন খেলাপি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ হারায় এস আলম গ্রুপ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বাধীন পরিচালকদের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম পরিচালিত হলেও, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

মূলধন বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করছে ইসলামী ব্যাংক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

অনুমোদিত মূলধন দুই হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ তথ্য শেয়ারধারীদের জানিয়েছে ব্যাংকটি।
এর আগে, গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে মূলধন বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে হবে। এ জন্য শিগগিরই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাংকটির।
ব্যাংকটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, এস আলম গোষ্ঠীর অনিয়মের কারণে ব্যাংকটি মূলধন সংকটে পড়েছে। এ সংকট কাটাতে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগকারী আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মূলধন বাড়ানোর পরামর্শটি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দেওয়া ইসলামী ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, ব্যাংকের সংঘস্মারকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং বিশেষ সাধারণ সভায় শেয়ারধারীদের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি প্রায় ৭৯ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা।
ব্যাংকটির তথ্যানুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ছিল ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা। তাতে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও কমে গেছে। আর্থিক সংকটে থাকা ইসলামী ব্যাংক ২০২৩ সালের পর শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি বর্তমানে ব্যাংকটির শেয়ার ‘জেড’ শ্রেণিতে রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেয়। পরে ব্যাংকটি থেকে নামে-বেনামে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা তুলে নেয় গ্রুপটি। এসব ঋণের বড় অংশই এখন খেলাপি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ হারায় এস আলম গ্রুপ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বাধীন পরিচালকদের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম পরিচালিত হলেও, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর





