নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার

নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও আগের তিন মাসের বকেয়া পরিশোধে ব্যাংক খাত থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার। এ জন্য ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম ডেকেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত সরকারের স্বল্পমেয়াদি অর্থের প্রয়োজন মেটাতে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু করা হয়। রাজস্ব আয় ও সরকারি ব্যয়ের মধ্যে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলে ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ বিল ছাড়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের বিল ইস্যুর প্রয়োজন হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ট্রেজারি বিল-বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। আজকের নিলামে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা তুললে এক মাসে ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, যা বর্তমান সরকারের এক মাসে নেওয়া সর্বোচ্চ ঋণ।
এর আগে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা, আগস্টে ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং সেপ্টেম্বরে সাড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। তবে এসব ঋণের বড় অংশ আগের বিল-বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে পরিশোধ বা পুনঃঅর্থায়নে ব্যয় হয়।
তবে ট্রেজারি বিল-বন্ডের নিলামের মাধ্যমে নেওয়া এ ঋণের হিসাব নিট নয়। নতুন নেওয়া ঋণের বড় অংশ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া আগের বিল-বন্ড পরিশোধ বা রি-ইস্যুতে ব্যয় হয়। এ কারণে ট্রেজারি বিল-বন্ডের নিলামে উত্তোলিত ঋণের তুলনায় নিট ঋণের স্থিতি অনেক কম হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ২৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক দিয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা।
এদিকে, সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদহারও বেড়েছে। ৯১ দিন মেয়াদি বিলের ইল্ড ৫ অক্টোবরের ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ অক্টোবর ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আয় না হওয়ায় সরকারকে ব্যাংক খাত থেকে বাড়তি ঋণ নিতে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে ঋণের চাপ কমাতে চলতি অর্থবছরে ৩২ হাজার কোটি টাকার সুকুক ছাড়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকারের ঋণ ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে নতুন বেতন ও ভাতা কার্যকর হবে।
প্রথম ধাপে আগামী ১ নভেম্বর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী তিন বকেয়া অর্থও পরিশোধ করার কথা রয়েছে। নতুন এই বেতনকাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু অর্থনীতি ও সরকারের সক্ষমতার জন্য ভালো লক্ষণ নয়। রাজস্ব আয় না বাড়িয়ে ব্যয় বাড়ালে সরকারের ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়বে এবং বেসরকারি খাত আরও সংকুচিত হবে।

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও আগের তিন মাসের বকেয়া পরিশোধে ব্যাংক খাত থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার। এ জন্য ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম ডেকেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত সরকারের স্বল্পমেয়াদি অর্থের প্রয়োজন মেটাতে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু করা হয়। রাজস্ব আয় ও সরকারি ব্যয়ের মধ্যে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলে ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ বিল ছাড়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের বিল ইস্যুর প্রয়োজন হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ট্রেজারি বিল-বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। আজকের নিলামে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা তুললে এক মাসে ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, যা বর্তমান সরকারের এক মাসে নেওয়া সর্বোচ্চ ঋণ।
এর আগে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা, আগস্টে ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং সেপ্টেম্বরে সাড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। তবে এসব ঋণের বড় অংশ আগের বিল-বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে পরিশোধ বা পুনঃঅর্থায়নে ব্যয় হয়।
তবে ট্রেজারি বিল-বন্ডের নিলামের মাধ্যমে নেওয়া এ ঋণের হিসাব নিট নয়। নতুন নেওয়া ঋণের বড় অংশ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া আগের বিল-বন্ড পরিশোধ বা রি-ইস্যুতে ব্যয় হয়। এ কারণে ট্রেজারি বিল-বন্ডের নিলামে উত্তোলিত ঋণের তুলনায় নিট ঋণের স্থিতি অনেক কম হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ২৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক দিয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা।
এদিকে, সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদহারও বেড়েছে। ৯১ দিন মেয়াদি বিলের ইল্ড ৫ অক্টোবরের ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ অক্টোবর ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আয় না হওয়ায় সরকারকে ব্যাংক খাত থেকে বাড়তি ঋণ নিতে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে ঋণের চাপ কমাতে চলতি অর্থবছরে ৩২ হাজার কোটি টাকার সুকুক ছাড়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকারের ঋণ ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে নতুন বেতন ও ভাতা কার্যকর হবে।
প্রথম ধাপে আগামী ১ নভেম্বর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী তিন বকেয়া অর্থও পরিশোধ করার কথা রয়েছে। নতুন এই বেতনকাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু অর্থনীতি ও সরকারের সক্ষমতার জন্য ভালো লক্ষণ নয়। রাজস্ব আয় না বাড়িয়ে ব্যয় বাড়ালে সরকারের ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়বে এবং বেসরকারি খাত আরও সংকুচিত হবে।

নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও আগের তিন মাসের বকেয়া পরিশোধে ব্যাংক খাত থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার। এ জন্য ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম ডেকেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত সরকারের স্বল্পমেয়াদি অর্থের প্রয়োজন মেটাতে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু করা হয়। রাজস্ব আয় ও সরকারি ব্যয়ের মধ্যে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলে ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ বিল ছাড়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের বিল ইস্যুর প্রয়োজন হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ট্রেজারি বিল-বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। আজকের নিলামে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা তুললে এক মাসে ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, যা বর্তমান সরকারের এক মাসে নেওয়া সর্বোচ্চ ঋণ।
এর আগে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা, আগস্টে ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং সেপ্টেম্বরে সাড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। তবে এসব ঋণের বড় অংশ আগের বিল-বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে পরিশোধ বা পুনঃঅর্থায়নে ব্যয় হয়।
তবে ট্রেজারি বিল-বন্ডের নিলামের মাধ্যমে নেওয়া এ ঋণের হিসাব নিট নয়। নতুন নেওয়া ঋণের বড় অংশ মেয়াদ পূর্ণ হওয়া আগের বিল-বন্ড পরিশোধ বা রি-ইস্যুতে ব্যয় হয়। এ কারণে ট্রেজারি বিল-বন্ডের নিলামে উত্তোলিত ঋণের তুলনায় নিট ঋণের স্থিতি অনেক কম হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ২৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক দিয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা।
এদিকে, সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদহারও বেড়েছে। ৯১ দিন মেয়াদি বিলের ইল্ড ৫ অক্টোবরের ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ অক্টোবর ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আয় না হওয়ায় সরকারকে ব্যাংক খাত থেকে বাড়তি ঋণ নিতে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে ঋণের চাপ কমাতে চলতি অর্থবছরে ৩২ হাজার কোটি টাকার সুকুক ছাড়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকারের ঋণ ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে নতুন বেতন ও ভাতা কার্যকর হবে।
প্রথম ধাপে আগামী ১ নভেম্বর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী তিন বকেয়া অর্থও পরিশোধ করার কথা রয়েছে। নতুন এই বেতনকাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু অর্থনীতি ও সরকারের সক্ষমতার জন্য ভালো লক্ষণ নয়। রাজস্ব আয় না বাড়িয়ে ব্যয় বাড়ালে সরকারের ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়বে এবং বেসরকারি খাত আরও সংকুচিত হবে।

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকেই বাড়তি বেতন






