ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ স্থানে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ স্থানে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাঁচ স্থানে পরপর ৮-৯টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িদ সন্দেহে আটক তিনজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোর্পদ করেছেন উপস্থিত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন।
আজ রবিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেটে, বাংলাদেশ কুয়েত–মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় তাঁদের আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)। তাঁদের মধ্যে নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়, রেজাউলের বাড়ি নাটোর এবং সোহেলের বাড়ি রাজশাহীতে ।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আটক দুইজনের পরিচয়ও জানা যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাঁচ স্থানে পরপর ৮-৯টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িদ সন্দেহে আটক তিনজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোর্পদ করেছেন উপস্থিত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন।
আজ রবিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেটে, বাংলাদেশ কুয়েত–মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় তাঁদের আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)। তাঁদের মধ্যে নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়, রেজাউলের বাড়ি নাটোর এবং সোহেলের বাড়ি রাজশাহীতে ।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আটক দুইজনের পরিচয়ও জানা যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ স্থানে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাঁচ স্থানে পরপর ৮-৯টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িদ সন্দেহে আটক তিনজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোর্পদ করেছেন উপস্থিত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন।
আজ রবিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেটে, বাংলাদেশ কুয়েত–মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় তাঁদের আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)। তাঁদের মধ্যে নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়, রেজাউলের বাড়ি নাটোর এবং সোহেলের বাড়ি রাজশাহীতে ।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আটক দুইজনের পরিচয়ও জানা যায়নি।









