আবারও পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

আবারও পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্ধারিত দিনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সিআইডি। এনিয়ে ২০ বারের মতো সময় পেছানো হয়েছে প্রতিবেদন জমা দানের তারিখ। আগামী ৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন।
জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত দিনে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারেননি। ফলে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ ঠিক করেন আদালত।
এর আগে, গত ২০ আগস্টও মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। সেদিনও তদন্ত শেষ না হওয়ায় ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় আবারও পিছিয়ে গেলো প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।
প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেছিলো গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সংস্থাটি। অভিযোগপত্রে ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান অভিযুক্ত করে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ আরও কয়েকজনের নাম রাখা হয়।
গত ১৫ জানুয়ারি ডিবির ওই অভিযোগপত্রে আপত্তি জানিয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি।
ডিবির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির বিষয়টিও হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যের অংশ ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচিন প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় তার অটোরিকশা পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
এতে বলা হয়েছে, গুলিতে গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

নির্ধারিত দিনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সিআইডি। এনিয়ে ২০ বারের মতো সময় পেছানো হয়েছে প্রতিবেদন জমা দানের তারিখ। আগামী ৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন।
জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত দিনে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারেননি। ফলে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ ঠিক করেন আদালত।
এর আগে, গত ২০ আগস্টও মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। সেদিনও তদন্ত শেষ না হওয়ায় ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় আবারও পিছিয়ে গেলো প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।
প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেছিলো গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সংস্থাটি। অভিযোগপত্রে ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান অভিযুক্ত করে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ আরও কয়েকজনের নাম রাখা হয়।
গত ১৫ জানুয়ারি ডিবির ওই অভিযোগপত্রে আপত্তি জানিয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি।
ডিবির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির বিষয়টিও হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যের অংশ ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচিন প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় তার অটোরিকশা পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
এতে বলা হয়েছে, গুলিতে গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

আবারও পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্ধারিত দিনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সিআইডি। এনিয়ে ২০ বারের মতো সময় পেছানো হয়েছে প্রতিবেদন জমা দানের তারিখ। আগামী ৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন।
জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত দিনে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারেননি। ফলে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ ঠিক করেন আদালত।
এর আগে, গত ২০ আগস্টও মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। সেদিনও তদন্ত শেষ না হওয়ায় ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় আবারও পিছিয়ে গেলো প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।
প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেছিলো গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সংস্থাটি। অভিযোগপত্রে ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান অভিযুক্ত করে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ আরও কয়েকজনের নাম রাখা হয়।
গত ১৫ জানুয়ারি ডিবির ওই অভিযোগপত্রে আপত্তি জানিয়ে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি।
ডিবির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির বিষয়টিও হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যের অংশ ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচিন প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় তার অটোরিকশা পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
এতে বলা হয়েছে, গুলিতে গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

হাদি হত্যা মামলার আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী







