ন্যাম ভবনে বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো মরিয়মকে: পুলিশ

ন্যাম ভবনে বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো মরিয়মকে: পুলিশ
সিজেডএন ডেস্ক

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনে তার শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় গাজী নজরুলের কাছ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মরিয়মের বারান্দায় ঘুমানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুল জানিয়েছেন, মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ তার আত্মীয়। সম্পর্কের দিক থেকে তিনি নজরুলের ভাগনে। মরিয়মকে তিনি নাতনি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় এলে গাজী নজরুল মরিয়মের বাবার বাসায় থাকতেন এবং সেখান থেকেই সংসদীয় কাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এভাবে মরিয়মের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তিনি মরিয়মকে বিয়ে করেন।
আদালতের আবেদনে বলা হয়, গত ১৭ জুন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মরিয়মকে বিয়ে করেন গাজী নজরুল। পরে তার নিজ এলাকায় বিয়ের কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয়। বিয়ের পর গাজী নজরুল তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে নিয়ে ন্যাম ভবনে থাকতেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে নিয়ে ন্যাম ভবনে থাকার সময় মরিয়মকে গাজী নজরুলের শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় মাঝেমধ্যে ঘুমাতে হতো বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুলের কাছ থেকে মামলার ঘটনার বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্যের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সেদিন রাতে গাজী নজরুল, মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রাতেই মামলাটির তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর গত বুধবার মামলার তৃতীয় আসামি ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-২। পরে তাকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনে তার শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় গাজী নজরুলের কাছ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মরিয়মের বারান্দায় ঘুমানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুল জানিয়েছেন, মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ তার আত্মীয়। সম্পর্কের দিক থেকে তিনি নজরুলের ভাগনে। মরিয়মকে তিনি নাতনি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় এলে গাজী নজরুল মরিয়মের বাবার বাসায় থাকতেন এবং সেখান থেকেই সংসদীয় কাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এভাবে মরিয়মের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তিনি মরিয়মকে বিয়ে করেন।
আদালতের আবেদনে বলা হয়, গত ১৭ জুন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মরিয়মকে বিয়ে করেন গাজী নজরুল। পরে তার নিজ এলাকায় বিয়ের কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয়। বিয়ের পর গাজী নজরুল তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে নিয়ে ন্যাম ভবনে থাকতেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে নিয়ে ন্যাম ভবনে থাকার সময় মরিয়মকে গাজী নজরুলের শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় মাঝেমধ্যে ঘুমাতে হতো বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুলের কাছ থেকে মামলার ঘটনার বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্যের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সেদিন রাতে গাজী নজরুল, মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রাতেই মামলাটির তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর গত বুধবার মামলার তৃতীয় আসামি ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-২। পরে তাকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ন্যাম ভবনে বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো মরিয়মকে: পুলিশ
সিজেডএন ডেস্ক

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনে তার শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় গাজী নজরুলের কাছ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মরিয়মের বারান্দায় ঘুমানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুল জানিয়েছেন, মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ তার আত্মীয়। সম্পর্কের দিক থেকে তিনি নজরুলের ভাগনে। মরিয়মকে তিনি নাতনি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় এলে গাজী নজরুল মরিয়মের বাবার বাসায় থাকতেন এবং সেখান থেকেই সংসদীয় কাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এভাবে মরিয়মের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তিনি মরিয়মকে বিয়ে করেন।
আদালতের আবেদনে বলা হয়, গত ১৭ জুন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মরিয়মকে বিয়ে করেন গাজী নজরুল। পরে তার নিজ এলাকায় বিয়ের কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয়। বিয়ের পর গাজী নজরুল তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে নিয়ে ন্যাম ভবনে থাকতেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে নিয়ে ন্যাম ভবনে থাকার সময় মরিয়মকে গাজী নজরুলের শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় মাঝেমধ্যে ঘুমাতে হতো বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুলের কাছ থেকে মামলার ঘটনার বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্যের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সেদিন রাতে গাজী নজরুল, মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রাতেই মামলাটির তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর গত বুধবার মামলার তৃতীয় আসামি ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-২। পরে তাকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।









