বাড্ডায় নকল কফি-সস বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

বাড্ডায় নকল কফি-সস বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা
বিশেষ প্রতিনিধি

নকল প্যাকেজিংয়ে কফি ও সস বাজারজাত করার দায়ে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এই তিন প্রতিষ্ঠানসহ দেশের ২৮ জেলায় পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে মোট ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ৪৩টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এর মধ্যে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় বিশেষ অভিযানে কফি ও সসের নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও ইন্দ্রানী রায়ের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অধিদপ্তর জানায়, ‘ন্যাসক্যাফে কফি’, ‘আমেরিকান বারবিকিউ সস’ ও ‘ইয়েলো মাস্টার্ড সস’-এর নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার দায়ে দোহা কর্পোরেট, মাসুম এন্টারপ্রাইজ ও জুনায়েদ এন্টারপ্রাইজকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারায় প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অভিযানে এসআরবি-১ ও বাড্ডা থানা পুলিশ সহযোগিতা করে।
দেশব্যাপী তদারকিতে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ ও নিত্যপণ্যের মূল্য পরিস্থিতির পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত বা ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম আদায় করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল-ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে সঠিক ও হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করতেও সতর্ক করা হয়। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ বা ভাউচার সংরক্ষণ এবং ক্রেতাদের তা প্রদানের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
জনসচেতনতা বাড়াতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকি কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
অধিদপ্তর ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কিনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছে। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্রয়ের সময় বিক্রেতার কাছ থেকে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহ করতেও অনুরোধ জানানো হয়।
পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তা-অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নকল প্যাকেজিংয়ে কফি ও সস বাজারজাত করার দায়ে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এই তিন প্রতিষ্ঠানসহ দেশের ২৮ জেলায় পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে মোট ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ৪৩টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এর মধ্যে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় বিশেষ অভিযানে কফি ও সসের নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও ইন্দ্রানী রায়ের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অধিদপ্তর জানায়, ‘ন্যাসক্যাফে কফি’, ‘আমেরিকান বারবিকিউ সস’ ও ‘ইয়েলো মাস্টার্ড সস’-এর নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার দায়ে দোহা কর্পোরেট, মাসুম এন্টারপ্রাইজ ও জুনায়েদ এন্টারপ্রাইজকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারায় প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অভিযানে এসআরবি-১ ও বাড্ডা থানা পুলিশ সহযোগিতা করে।
দেশব্যাপী তদারকিতে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ ও নিত্যপণ্যের মূল্য পরিস্থিতির পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত বা ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম আদায় করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল-ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে সঠিক ও হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করতেও সতর্ক করা হয়। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ বা ভাউচার সংরক্ষণ এবং ক্রেতাদের তা প্রদানের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
জনসচেতনতা বাড়াতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকি কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
অধিদপ্তর ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কিনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছে। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্রয়ের সময় বিক্রেতার কাছ থেকে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহ করতেও অনুরোধ জানানো হয়।
পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তা-অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বাড্ডায় নকল কফি-সস বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা
বিশেষ প্রতিনিধি

নকল প্যাকেজিংয়ে কফি ও সস বাজারজাত করার দায়ে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এই তিন প্রতিষ্ঠানসহ দেশের ২৮ জেলায় পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে মোট ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে ১২ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ৪৩টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এর মধ্যে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় বিশেষ অভিযানে কফি ও সসের নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও ইন্দ্রানী রায়ের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অধিদপ্তর জানায়, ‘ন্যাসক্যাফে কফি’, ‘আমেরিকান বারবিকিউ সস’ ও ‘ইয়েলো মাস্টার্ড সস’-এর নকল প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার দায়ে দোহা কর্পোরেট, মাসুম এন্টারপ্রাইজ ও জুনায়েদ এন্টারপ্রাইজকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারায় প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অভিযানে এসআরবি-১ ও বাড্ডা থানা পুলিশ সহযোগিতা করে।
দেশব্যাপী তদারকিতে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ ও নিত্যপণ্যের মূল্য পরিস্থিতির পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত বা ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম আদায় করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল-ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে সঠিক ও হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করতেও সতর্ক করা হয়। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ বা ভাউচার সংরক্ষণ এবং ক্রেতাদের তা প্রদানের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
জনসচেতনতা বাড়াতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকি কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
অধিদপ্তর ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কিনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছে। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্রয়ের সময় বিক্রেতার কাছ থেকে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহ করতেও অনুরোধ জানানো হয়।
পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তা-অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রোজার প্রথম দিনে ভোক্তার অভিযান







