বিএনপির এমপি সরোয়ারের সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই

বিএনপির এমপি সরোয়ারের সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির এমপি সরোয়ার আলমগীরের পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। জামায়াত প্রার্থী চাইলে নিয়মিত আপিল করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গতকাল মঙ্গলবার সারোয়ার আলমগীরকে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগদান থেকে বিরত রাখতে করা আপিল আবেদনের ওপর আদেশের এ দিন ধার্য করা হয়। এদিন বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে আপিলকারী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে গত ৯ জুলাই সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। তার আবেদনে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া থেকে সরোয়ারকে বিরত রাখার আরজিও রয়েছে।
ভোটের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে।
ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করেন। এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত সেটা মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। আদালতের নির্দেশনার কারণে ওই সময় তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। পরে আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে দ্রুত রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখা হয়।
গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। এই রায়ের পর ওইদিন গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি সন্ধ্যায় সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে ১৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন নুরুল আমীন।
আবেদনে বলা হয়, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং তাকে শপথ পড়ানো হয়।

চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির এমপি সরোয়ার আলমগীরের পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। জামায়াত প্রার্থী চাইলে নিয়মিত আপিল করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গতকাল মঙ্গলবার সারোয়ার আলমগীরকে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগদান থেকে বিরত রাখতে করা আপিল আবেদনের ওপর আদেশের এ দিন ধার্য করা হয়। এদিন বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে আপিলকারী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে গত ৯ জুলাই সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। তার আবেদনে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া থেকে সরোয়ারকে বিরত রাখার আরজিও রয়েছে।
ভোটের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে।
ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করেন। এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত সেটা মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। আদালতের নির্দেশনার কারণে ওই সময় তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। পরে আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে দ্রুত রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখা হয়।
গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। এই রায়ের পর ওইদিন গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি সন্ধ্যায় সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে ১৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন নুরুল আমীন।
আবেদনে বলা হয়, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং তাকে শপথ পড়ানো হয়।

বিএনপির এমপি সরোয়ারের সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির এমপি সরোয়ার আলমগীরের পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। জামায়াত প্রার্থী চাইলে নিয়মিত আপিল করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গতকাল মঙ্গলবার সারোয়ার আলমগীরকে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগদান থেকে বিরত রাখতে করা আপিল আবেদনের ওপর আদেশের এ দিন ধার্য করা হয়। এদিন বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে আপিলকারী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে গত ৯ জুলাই সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। তার আবেদনে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া থেকে সরোয়ারকে বিরত রাখার আরজিও রয়েছে।
ভোটের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে।
ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করেন। এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত সেটা মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। আদালতের নির্দেশনার কারণে ওই সময় তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। পরে আপিলের শুনানি শেষে ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে দ্রুত রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ৩ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখা হয়।
গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। এই রায়ের পর ওইদিন গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি সন্ধ্যায় সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে ১৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন নুরুল আমীন।
আবেদনে বলা হয়, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে এবং তাকে শপথ পড়ানো হয়।

চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারকে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ






