টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের জন্য ৬ নির্দেশনা

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের জন্য ৬ নির্দেশনা
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সংরক্ষণে ইঞ্জিনচালিত নৌযানের প্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন প্রবেশমুখে লাল নিশান টানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে হাউসবোট ও পর্যটকদের জন্য ৬টি নির্দেশনা সংবলিত বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হকের নেতৃত্বে টাঙ্গুয়ার হাওরের জয়পুর, গোলাবাড়ি ও রামসিংহপুর দাসপাড়া চ্যানেলের প্রবেশমুখে এসব লাল নিশান টানানো হয়। এসব চ্যানেল দিয়ে মধ্যনগর ও কলমাকান্দা থেকে বিভিন্ন নৌযান হাওরে প্রবেশ করে।
এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, জয়পুর গোলাবাড়ি ভিসিজি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহমদ কবির, ইন্দ্রপুর ভিসিজি কমিটির সভাপতি অখিল তালুকদারসহ হাওরপাড়ের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গুয়ার হাওরে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক, মাইক ও উচ্চ শব্দে গান বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব হাউসবোটকে জয়পুর-গোলাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন এলাকা ও কোর জোনে হাউসবোট বা ট্রলার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে
বিলবোর্ডে আরও বলা হয়েছে, হাওরে পাখি শিকার, পাখি ক্রয়-বিক্রয় ও বহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে হিজল, করচসহ কোনো ধরনের গাছপালা কাটা যাবে না। এসব নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার (পুহাস) সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএভুক্ত এলাকায় পর্যটকবাহী হাউসবোট প্রবেশ বন্ধে প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ চ্যানেলগুলোতে লাল নিশান টানানো হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটক ও হাউসবোট সংশ্লিষ্টদের জন্য নির্দেশনাগুলো স্পষ্টভাবে জানাতে বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এসব বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সংরক্ষণে ইঞ্জিনচালিত নৌযানের প্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন প্রবেশমুখে লাল নিশান টানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে হাউসবোট ও পর্যটকদের জন্য ৬টি নির্দেশনা সংবলিত বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হকের নেতৃত্বে টাঙ্গুয়ার হাওরের জয়পুর, গোলাবাড়ি ও রামসিংহপুর দাসপাড়া চ্যানেলের প্রবেশমুখে এসব লাল নিশান টানানো হয়। এসব চ্যানেল দিয়ে মধ্যনগর ও কলমাকান্দা থেকে বিভিন্ন নৌযান হাওরে প্রবেশ করে।
এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, জয়পুর গোলাবাড়ি ভিসিজি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহমদ কবির, ইন্দ্রপুর ভিসিজি কমিটির সভাপতি অখিল তালুকদারসহ হাওরপাড়ের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গুয়ার হাওরে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক, মাইক ও উচ্চ শব্দে গান বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব হাউসবোটকে জয়পুর-গোলাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন এলাকা ও কোর জোনে হাউসবোট বা ট্রলার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে
বিলবোর্ডে আরও বলা হয়েছে, হাওরে পাখি শিকার, পাখি ক্রয়-বিক্রয় ও বহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে হিজল, করচসহ কোনো ধরনের গাছপালা কাটা যাবে না। এসব নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার (পুহাস) সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএভুক্ত এলাকায় পর্যটকবাহী হাউসবোট প্রবেশ বন্ধে প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ চ্যানেলগুলোতে লাল নিশান টানানো হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটক ও হাউসবোট সংশ্লিষ্টদের জন্য নির্দেশনাগুলো স্পষ্টভাবে জানাতে বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এসব বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের জন্য ৬ নির্দেশনা
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সংরক্ষণে ইঞ্জিনচালিত নৌযানের প্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন প্রবেশমুখে লাল নিশান টানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে হাউসবোট ও পর্যটকদের জন্য ৬টি নির্দেশনা সংবলিত বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হকের নেতৃত্বে টাঙ্গুয়ার হাওরের জয়পুর, গোলাবাড়ি ও রামসিংহপুর দাসপাড়া চ্যানেলের প্রবেশমুখে এসব লাল নিশান টানানো হয়। এসব চ্যানেল দিয়ে মধ্যনগর ও কলমাকান্দা থেকে বিভিন্ন নৌযান হাওরে প্রবেশ করে।
এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, জয়পুর গোলাবাড়ি ভিসিজি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহমদ কবির, ইন্দ্রপুর ভিসিজি কমিটির সভাপতি অখিল তালুকদারসহ হাওরপাড়ের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গুয়ার হাওরে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক, মাইক ও উচ্চ শব্দে গান বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব হাউসবোটকে জয়পুর-গোলাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন এলাকা ও কোর জোনে হাউসবোট বা ট্রলার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে
বিলবোর্ডে আরও বলা হয়েছে, হাওরে পাখি শিকার, পাখি ক্রয়-বিক্রয় ও বহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে হিজল, করচসহ কোনো ধরনের গাছপালা কাটা যাবে না। এসব নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার (পুহাস) সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএভুক্ত এলাকায় পর্যটকবাহী হাউসবোট প্রবেশ বন্ধে প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ চ্যানেলগুলোতে লাল নিশান টানানো হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটক ও হাউসবোট সংশ্লিষ্টদের জন্য নির্দেশনাগুলো স্পষ্টভাবে জানাতে বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এসব বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।









