ফেসবুকে ‘ধর্ম অবমাননার’ পোস্ট, বিক্ষোভের মধ্যে হেফাজতে নিল পুলিশ

ফেসবুকে ‘ধর্ম অবমাননার’ পোস্ট, বিক্ষোভের মধ্যে হেফাজতে নিল পুলিশ
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ হওয়ার পর সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। কৃপেশ চন্দ্র রায় নামের ৪০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির ভাষ্য, তার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে ফেসবুকে অবনানকর পোস্ট দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডিও করেছিলেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে বাদাঘাট ইউনিয়নের রাজারগাঁও থেকে কৃপেশকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাহিরপুর থানার ওসি মো. ফারুক আহমেদ এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, কৃপেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বছর খানেক ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ‘kripash ray’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘ধর্মীয় অবমাননাকর’ পোস্ট ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা হয়।
এরপর মধ্যরাতে তাহিরপুর থানায় গিয়ে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কৃপেশ রায়। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তার নামে ফেসবুকে আইডি খুলে, তার পরিবারের সদস্যদের ছবি ব্যবহার করে ওই ‘সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক’ প্রচার চালানো হচ্ছে।
এদিকে কৃপেশ রায়কে গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে এলাকায় একদল লোক বিক্ষোভ-মিছিল শুরু করেন। খবর পেয়ে তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুনাব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রাজারগাঁও ছুটে যান। তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কেউ যেন এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন।
পরে পুলিশও ওই গ্রামে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের দাবির মুখে কৃপেশকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ সদস্যরা কৃপেশকে তাহিরপুর থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানান।
কৃপেশ রায়ের প্রতিবেশী কাঞ্চন রায় জানান, কৃপেশের মূল ফেসবুক আইডিতে তিনি রয়েছেন। যে আইডি দিয়ে সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হয়েছে সেটা থেকে তাকেসহ অনেককে রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছিল। রবিবার ওই আইডি থেকেই আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। পরে রাতে কৃপেশ থানায় জিডি করেন।
কৃপেশের চাচাতো ভাই কিরণ রায় জানান, কৃপেশ সিলেট লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কনেস্টেবল হিসেবে কাজ করতেন। বছরখানেক ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, কৃপেশ পুলিশের গরহাজির সদস্য। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। তার জিডির বিষয়টিও তদন্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, উত্তেজিত জনতাকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ হওয়ার পর সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। কৃপেশ চন্দ্র রায় নামের ৪০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির ভাষ্য, তার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে ফেসবুকে অবনানকর পোস্ট দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডিও করেছিলেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে বাদাঘাট ইউনিয়নের রাজারগাঁও থেকে কৃপেশকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাহিরপুর থানার ওসি মো. ফারুক আহমেদ এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, কৃপেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বছর খানেক ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ‘kripash ray’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘ধর্মীয় অবমাননাকর’ পোস্ট ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা হয়।
এরপর মধ্যরাতে তাহিরপুর থানায় গিয়ে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কৃপেশ রায়। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তার নামে ফেসবুকে আইডি খুলে, তার পরিবারের সদস্যদের ছবি ব্যবহার করে ওই ‘সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক’ প্রচার চালানো হচ্ছে।
এদিকে কৃপেশ রায়কে গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে এলাকায় একদল লোক বিক্ষোভ-মিছিল শুরু করেন। খবর পেয়ে তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুনাব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রাজারগাঁও ছুটে যান। তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কেউ যেন এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন।
পরে পুলিশও ওই গ্রামে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের দাবির মুখে কৃপেশকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ সদস্যরা কৃপেশকে তাহিরপুর থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানান।
কৃপেশ রায়ের প্রতিবেশী কাঞ্চন রায় জানান, কৃপেশের মূল ফেসবুক আইডিতে তিনি রয়েছেন। যে আইডি দিয়ে সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হয়েছে সেটা থেকে তাকেসহ অনেককে রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছিল। রবিবার ওই আইডি থেকেই আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। পরে রাতে কৃপেশ থানায় জিডি করেন।
কৃপেশের চাচাতো ভাই কিরণ রায় জানান, কৃপেশ সিলেট লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কনেস্টেবল হিসেবে কাজ করতেন। বছরখানেক ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, কৃপেশ পুলিশের গরহাজির সদস্য। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। তার জিডির বিষয়টিও তদন্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, উত্তেজিত জনতাকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ফেসবুকে ‘ধর্ম অবমাননার’ পোস্ট, বিক্ষোভের মধ্যে হেফাজতে নিল পুলিশ
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ হওয়ার পর সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। কৃপেশ চন্দ্র রায় নামের ৪০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির ভাষ্য, তার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে ফেসবুকে অবনানকর পোস্ট দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডিও করেছিলেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে বাদাঘাট ইউনিয়নের রাজারগাঁও থেকে কৃপেশকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাহিরপুর থানার ওসি মো. ফারুক আহমেদ এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, কৃপেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বছর খানেক ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ‘kripash ray’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘ধর্মীয় অবমাননাকর’ পোস্ট ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা হয়।
এরপর মধ্যরাতে তাহিরপুর থানায় গিয়ে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কৃপেশ রায়। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তার নামে ফেসবুকে আইডি খুলে, তার পরিবারের সদস্যদের ছবি ব্যবহার করে ওই ‘সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক’ প্রচার চালানো হচ্ছে।
এদিকে কৃপেশ রায়কে গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে এলাকায় একদল লোক বিক্ষোভ-মিছিল শুরু করেন। খবর পেয়ে তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুনাব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রাজারগাঁও ছুটে যান। তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কেউ যেন এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন।
পরে পুলিশও ওই গ্রামে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের দাবির মুখে কৃপেশকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ সদস্যরা কৃপেশকে তাহিরপুর থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানান।
কৃপেশ রায়ের প্রতিবেশী কাঞ্চন রায় জানান, কৃপেশের মূল ফেসবুক আইডিতে তিনি রয়েছেন। যে আইডি দিয়ে সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হয়েছে সেটা থেকে তাকেসহ অনেককে রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছিল। রবিবার ওই আইডি থেকেই আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। পরে রাতে কৃপেশ থানায় জিডি করেন।
কৃপেশের চাচাতো ভাই কিরণ রায় জানান, কৃপেশ সিলেট লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কনেস্টেবল হিসেবে কাজ করতেন। বছরখানেক ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, কৃপেশ পুলিশের গরহাজির সদস্য। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। তার জিডির বিষয়টিও তদন্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, উত্তেজিত জনতাকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার







