‘একটা জ্যাতা নমো পুড়মু’– চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া সেই বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

‘একটা জ্যাতা নমো পুড়মু’– চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া সেই বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

‘আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু, আপনারে বাইছা নিছি’– বলে পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া সেই বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে তাকে হুমকির নয়, অন্য একটি মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডলকে মুঠোফোনে পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ফরিদ গাজীর বিরুদ্ধে। তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য। তার বাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ফরিদ গাজীর বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
অভিযোগের বিষয়ে একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ফরিদ উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘দাদু আমার একটা শখ জাগছে, বুঝছেন? আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু (পোড়াব), আপনারে বাইছা নিছি, এ ক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী? আপনার কোনো প্রতিক্রিয়া আছে? যদিও আপনারে সকালে খুঁইজা আইছিলাম, আপনি মনে হয় স্টেশনে (এলাকা) নাই। আপনি এলাকায় আসতেছেন কবে নাগাদ?’
এ বিষয়ে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘আমি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর আগেও মুঠোফোনে হুমকি দিয়েছিলেন ফরিদ গাজী। তখন ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবিও করেছিলেন। তখনকার কথা আমি রেকর্ড করতে পারেননি।’
তিনি বলেন, ‘ফরিদ একজন সন্ত্রাসী। এ জন্য আমি শঙ্কিত। এ ঘটনায় আমি থানায় জিডি করেছি।’
বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) বলেন, ‘ফরিদ গাজীর বিষয়ে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। জেলা বিএনপির নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।’
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, ‘এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতাদের তদন্ত করে ফরিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলায় পাঠাতে বলা হয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে জেলা বিএনপি।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হুমকি দেওয়ার একটি কল রেকর্ড আমি শুনেছি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একটি জিডি করেছেন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ছিলেন না ফরিদ গাজী। তবে ক্ষমতার পালাবদলের পর তার রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত দুই বছরে তার বিরুদ্ধে মারধর, লুটপাট ও দখলসংক্রান্ত একাধিক অভিযোগে থানায় জিডি ও মামলা করা হয়েছে। এর আগেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

‘আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু, আপনারে বাইছা নিছি’– বলে পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া সেই বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে তাকে হুমকির নয়, অন্য একটি মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডলকে মুঠোফোনে পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ফরিদ গাজীর বিরুদ্ধে। তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য। তার বাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ফরিদ গাজীর বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
অভিযোগের বিষয়ে একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ফরিদ উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘দাদু আমার একটা শখ জাগছে, বুঝছেন? আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু (পোড়াব), আপনারে বাইছা নিছি, এ ক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী? আপনার কোনো প্রতিক্রিয়া আছে? যদিও আপনারে সকালে খুঁইজা আইছিলাম, আপনি মনে হয় স্টেশনে (এলাকা) নাই। আপনি এলাকায় আসতেছেন কবে নাগাদ?’
এ বিষয়ে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘আমি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর আগেও মুঠোফোনে হুমকি দিয়েছিলেন ফরিদ গাজী। তখন ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবিও করেছিলেন। তখনকার কথা আমি রেকর্ড করতে পারেননি।’
তিনি বলেন, ‘ফরিদ একজন সন্ত্রাসী। এ জন্য আমি শঙ্কিত। এ ঘটনায় আমি থানায় জিডি করেছি।’
বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) বলেন, ‘ফরিদ গাজীর বিষয়ে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। জেলা বিএনপির নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।’
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, ‘এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতাদের তদন্ত করে ফরিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলায় পাঠাতে বলা হয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে জেলা বিএনপি।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হুমকি দেওয়ার একটি কল রেকর্ড আমি শুনেছি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একটি জিডি করেছেন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ছিলেন না ফরিদ গাজী। তবে ক্ষমতার পালাবদলের পর তার রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত দুই বছরে তার বিরুদ্ধে মারধর, লুটপাট ও দখলসংক্রান্ত একাধিক অভিযোগে থানায় জিডি ও মামলা করা হয়েছে। এর আগেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

‘একটা জ্যাতা নমো পুড়মু’– চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া সেই বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

‘আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু, আপনারে বাইছা নিছি’– বলে পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া সেই বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে তাকে হুমকির নয়, অন্য একটি মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডলকে মুঠোফোনে পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ফরিদ গাজীর বিরুদ্ধে। তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য। তার বাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ফরিদ গাজীর বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
অভিযোগের বিষয়ে একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ফরিদ উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘দাদু আমার একটা শখ জাগছে, বুঝছেন? আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু (পোড়াব), আপনারে বাইছা নিছি, এ ক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী? আপনার কোনো প্রতিক্রিয়া আছে? যদিও আপনারে সকালে খুঁইজা আইছিলাম, আপনি মনে হয় স্টেশনে (এলাকা) নাই। আপনি এলাকায় আসতেছেন কবে নাগাদ?’
এ বিষয়ে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘আমি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর আগেও মুঠোফোনে হুমকি দিয়েছিলেন ফরিদ গাজী। তখন ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবিও করেছিলেন। তখনকার কথা আমি রেকর্ড করতে পারেননি।’
তিনি বলেন, ‘ফরিদ একজন সন্ত্রাসী। এ জন্য আমি শঙ্কিত। এ ঘটনায় আমি থানায় জিডি করেছি।’
বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) বলেন, ‘ফরিদ গাজীর বিষয়ে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। জেলা বিএনপির নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।’
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, ‘এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতাদের তদন্ত করে ফরিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলায় পাঠাতে বলা হয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে জেলা বিএনপি।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হুমকি দেওয়ার একটি কল রেকর্ড আমি শুনেছি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একটি জিডি করেছেন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ছিলেন না ফরিদ গাজী। তবে ক্ষমতার পালাবদলের পর তার রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত দুই বছরে তার বিরুদ্ধে মারধর, লুটপাট ও দখলসংক্রান্ত একাধিক অভিযোগে থানায় জিডি ও মামলা করা হয়েছে। এর আগেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০






-CznNewsLab-100bcf.jpg)
