এআইয়ের উত্থানে বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকট আড়াল হয়ে যাচ্ছে: ডব্লিউটিও

এআইয়ের উত্থানে বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকট আড়াল হয়ে যাচ্ছে: ডব্লিউটিও
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সম্পর্কিত পণ্যের বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। এটা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক এবং বাণিজ্যের অন্যান্য বড় ধরনের পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবকে ‘আড়াল’ করছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-আইওয়েলা।
জেনেভায় সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ওকোনজো-আইওয়েলা বলেন, ‘এআই খাতে বিনিয়োগের গতি কমে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রকৃত দুর্বলতা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।’
ডব্লিউটিওর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে এআই-সম্পর্কিত সেমিকন্ডাক্টর, রাসায়নিক এবং শিল্প সরঞ্জামের মতো পণ্যের বাণিজ্য আগের বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে, এআই-বহির্ভূত পণ্যের বাণিজ্যে মাত্র ৭ শতাংশ বেড়েছে।
ওকোনজো-আইওয়েলা বলেন, এআই খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে যদি কোনো ধরনের ‘বুদবুদ’ তৈরি হয়ে থাকে এবং পরে তা ফেটে যায়, তাহলে বর্তমান বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হবে।
বিশ্ব বাণিজ্য বর্তমানে নানামুখী চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে এআই খাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বিনিয়োগের বড় একটি উৎস হয়ে উঠেছে। গত মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেছিলেন, এআই খাতে বিনিয়োগের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে তৈরি জ্বালানি সংকটের ধাক্কা বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার তুলনায় ভালোভাবে সামলাতে পারছে।
তবে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন খরচ ও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ে।
প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই অবকাঠামো তৈরিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। ব্যাংক অব আমেরিকা গ্লোবাল রিসার্চ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই খাতের উন্নয়ন ও অবকাঠামো তৈরিতে প্রায় ৮০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে পারে।
অন্যদিকে এআই খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যানথ্রোপিকের দারিও আমোদেই এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানসহ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা বলেছেন, এই শিল্পকে অবশ্যই এআই উন্নয়নের ‘গতি কমাতে’ হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও এর বিস্তৃতির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বড় ভূমিকা পালন করছে। ২০২৫ সালে বিশ্ব পণ্য বাণিজ্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে শুরুতে পূর্বাভাস দিয়েছিল ডব্লিউটিও। তবে শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হয় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এআই অবকাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্যের বাণিজ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ায় এ পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংস্থাটির অর্থনীতিবিদরা।
২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বিশ্বের মোট পণ্য বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ ছিল এআই-সংক্রান্ত পণ্য। তবে এর সুফল সব অঞ্চলে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। ২০২৫ সালে এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৬০ শতাংশের বেশি ছিল এশিয়ার দখলে। অন্যদিকে একই সময়ে বিশ্বের মোট ঝুঁকি মূলধন বিনিয়োগের ৭৬ শতাংশ পেয়েছে উত্তর আমেরিকা।
এআই নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো করে আইন তৈরি করছে। এতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন বাজারে ভিন্ন নিয়ম চালু হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে আরো বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ডব্লিউটিও।
সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সম্পর্কিত পণ্যের বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। এটা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক এবং বাণিজ্যের অন্যান্য বড় ধরনের পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবকে ‘আড়াল’ করছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-আইওয়েলা।
জেনেভায় সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ওকোনজো-আইওয়েলা বলেন, ‘এআই খাতে বিনিয়োগের গতি কমে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রকৃত দুর্বলতা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।’
ডব্লিউটিওর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে এআই-সম্পর্কিত সেমিকন্ডাক্টর, রাসায়নিক এবং শিল্প সরঞ্জামের মতো পণ্যের বাণিজ্য আগের বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে, এআই-বহির্ভূত পণ্যের বাণিজ্যে মাত্র ৭ শতাংশ বেড়েছে।
ওকোনজো-আইওয়েলা বলেন, এআই খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে যদি কোনো ধরনের ‘বুদবুদ’ তৈরি হয়ে থাকে এবং পরে তা ফেটে যায়, তাহলে বর্তমান বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হবে।
বিশ্ব বাণিজ্য বর্তমানে নানামুখী চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে এআই খাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বিনিয়োগের বড় একটি উৎস হয়ে উঠেছে। গত মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেছিলেন, এআই খাতে বিনিয়োগের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে তৈরি জ্বালানি সংকটের ধাক্কা বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার তুলনায় ভালোভাবে সামলাতে পারছে।
তবে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন খরচ ও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ে।
প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই অবকাঠামো তৈরিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। ব্যাংক অব আমেরিকা গ্লোবাল রিসার্চ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই খাতের উন্নয়ন ও অবকাঠামো তৈরিতে প্রায় ৮০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে পারে।
অন্যদিকে এআই খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যানথ্রোপিকের দারিও আমোদেই এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানসহ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা বলেছেন, এই শিল্পকে অবশ্যই এআই উন্নয়নের ‘গতি কমাতে’ হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও এর বিস্তৃতির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বড় ভূমিকা পালন করছে। ২০২৫ সালে বিশ্ব পণ্য বাণিজ্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে শুরুতে পূর্বাভাস দিয়েছিল ডব্লিউটিও। তবে শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হয় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এআই অবকাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্যের বাণিজ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ায় এ পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংস্থাটির অর্থনীতিবিদরা।
২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বিশ্বের মোট পণ্য বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ ছিল এআই-সংক্রান্ত পণ্য। তবে এর সুফল সব অঞ্চলে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। ২০২৫ সালে এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৬০ শতাংশের বেশি ছিল এশিয়ার দখলে। অন্যদিকে একই সময়ে বিশ্বের মোট ঝুঁকি মূলধন বিনিয়োগের ৭৬ শতাংশ পেয়েছে উত্তর আমেরিকা।
এআই নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো করে আইন তৈরি করছে। এতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন বাজারে ভিন্ন নিয়ম চালু হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে আরো বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ডব্লিউটিও।
সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

এআইয়ের উত্থানে বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকট আড়াল হয়ে যাচ্ছে: ডব্লিউটিও
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সম্পর্কিত পণ্যের বাণিজ্য দ্রুত বাড়ছে। এটা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক এবং বাণিজ্যের অন্যান্য বড় ধরনের পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবকে ‘আড়াল’ করছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-আইওয়েলা।
জেনেভায় সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ওকোনজো-আইওয়েলা বলেন, ‘এআই খাতে বিনিয়োগের গতি কমে গেলে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রকৃত দুর্বলতা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।’
ডব্লিউটিওর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে এআই-সম্পর্কিত সেমিকন্ডাক্টর, রাসায়নিক এবং শিল্প সরঞ্জামের মতো পণ্যের বাণিজ্য আগের বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে, এআই-বহির্ভূত পণ্যের বাণিজ্যে মাত্র ৭ শতাংশ বেড়েছে।
ওকোনজো-আইওয়েলা বলেন, এআই খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে যদি কোনো ধরনের ‘বুদবুদ’ তৈরি হয়ে থাকে এবং পরে তা ফেটে যায়, তাহলে বর্তমান বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হবে।
বিশ্ব বাণিজ্য বর্তমানে নানামুখী চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে এআই খাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বিনিয়োগের বড় একটি উৎস হয়ে উঠেছে। গত মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেছিলেন, এআই খাতে বিনিয়োগের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে তৈরি জ্বালানি সংকটের ধাক্কা বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার তুলনায় ভালোভাবে সামলাতে পারছে।
তবে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন খরচ ও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ে।
প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই অবকাঠামো তৈরিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। ব্যাংক অব আমেরিকা গ্লোবাল রিসার্চ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই খাতের উন্নয়ন ও অবকাঠামো তৈরিতে প্রায় ৮০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে পারে।
অন্যদিকে এআই খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যানথ্রোপিকের দারিও আমোদেই এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানসহ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা বলেছেন, এই শিল্পকে অবশ্যই এআই উন্নয়নের ‘গতি কমাতে’ হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও এর বিস্তৃতির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বড় ভূমিকা পালন করছে। ২০২৫ সালে বিশ্ব পণ্য বাণিজ্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে শুরুতে পূর্বাভাস দিয়েছিল ডব্লিউটিও। তবে শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হয় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এআই অবকাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্যের বাণিজ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ায় এ পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংস্থাটির অর্থনীতিবিদরা।
২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বিশ্বের মোট পণ্য বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ ছিল এআই-সংক্রান্ত পণ্য। তবে এর সুফল সব অঞ্চলে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। ২০২৫ সালে এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৬০ শতাংশের বেশি ছিল এশিয়ার দখলে। অন্যদিকে একই সময়ে বিশ্বের মোট ঝুঁকি মূলধন বিনিয়োগের ৭৬ শতাংশ পেয়েছে উত্তর আমেরিকা।
এআই নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো করে আইন তৈরি করছে। এতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন বাজারে ভিন্ন নিয়ম চালু হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে আরো বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ডব্লিউটিও।
সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস

এআইয়ের যুগে টিকে থাকতে যা করবেন






