টেন্ডারের ধামাচাপা দিতে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তুলেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, দাবি যুবদল নেতার

টেন্ডারের ধামাচাপা দিতে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তুলেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, দাবি যুবদল নেতার
পাবনা প্রতিনিধি

হাসপাতালের টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা ধামাচাপা দিতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তুলেছেন বলে দাবি করেছেন পাবনার সুজানগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু।
তার দাবি, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণী।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পাবনার সুজানগর পৌর সুপার মার্কেটে পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন যুবদল নেতা পিন্টু। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুপ্রভা রাণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমএসআর খাতের ছয়টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ডা. সুপ্রভা রাণী দরপত্রে এমন শর্ত জুড়িয়ে দেন যে, সুজানগর ও পাবনার উপযুক্ত লাইসেন্সধারী ঠিকাদারাও দরপত্র জমা দিতে পারেননি। এমনকি টেন্ডার যাচাই-বাছাই কমিটিও নিজের মতো করে করেন, নিয়ম থাকলেও কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে রাখা হয়নি। দরপত্র জমাদানকারীরা সুপ্রভা রাণীর পরিচিত এবং তার স্বামীর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে আমি শুধু তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। কিন্তু তিনি নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে আমার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছেন। তিনি এমনিতেই নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না। টেন্ডারে অনিয়মের পর তিনি ছুটিতে আছেন। অথচ তিনি গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন যে আমার জন্য নাকি তিনি হাসপাতালে যেতে পারেন না।’
সংবাদ সম্মেলনে সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাদের হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, এস এম রাসেল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণী বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম করিনি। কেউ অভিযোগ করলে সেটা করতেই পারে, কিন্তু আমি অনিয়ম করেছি এটা প্রমাণ করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে রি-টেন্ডার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাই ভয়ে আমি অফিসে যেতে পারছি না বলেই ছুটিতে আছি।’

হাসপাতালের টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা ধামাচাপা দিতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তুলেছেন বলে দাবি করেছেন পাবনার সুজানগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু।
তার দাবি, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণী।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পাবনার সুজানগর পৌর সুপার মার্কেটে পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন যুবদল নেতা পিন্টু। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুপ্রভা রাণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমএসআর খাতের ছয়টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ডা. সুপ্রভা রাণী দরপত্রে এমন শর্ত জুড়িয়ে দেন যে, সুজানগর ও পাবনার উপযুক্ত লাইসেন্সধারী ঠিকাদারাও দরপত্র জমা দিতে পারেননি। এমনকি টেন্ডার যাচাই-বাছাই কমিটিও নিজের মতো করে করেন, নিয়ম থাকলেও কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে রাখা হয়নি। দরপত্র জমাদানকারীরা সুপ্রভা রাণীর পরিচিত এবং তার স্বামীর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে আমি শুধু তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। কিন্তু তিনি নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে আমার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছেন। তিনি এমনিতেই নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না। টেন্ডারে অনিয়মের পর তিনি ছুটিতে আছেন। অথচ তিনি গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন যে আমার জন্য নাকি তিনি হাসপাতালে যেতে পারেন না।’
সংবাদ সম্মেলনে সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাদের হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, এস এম রাসেল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণী বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম করিনি। কেউ অভিযোগ করলে সেটা করতেই পারে, কিন্তু আমি অনিয়ম করেছি এটা প্রমাণ করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে রি-টেন্ডার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাই ভয়ে আমি অফিসে যেতে পারছি না বলেই ছুটিতে আছি।’

টেন্ডারের ধামাচাপা দিতে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তুলেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, দাবি যুবদল নেতার
পাবনা প্রতিনিধি

হাসপাতালের টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা ধামাচাপা দিতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তুলেছেন বলে দাবি করেছেন পাবনার সুজানগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু।
তার দাবি, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণী।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পাবনার সুজানগর পৌর সুপার মার্কেটে পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন যুবদল নেতা পিন্টু। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুপ্রভা রাণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমএসআর খাতের ছয়টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ডা. সুপ্রভা রাণী দরপত্রে এমন শর্ত জুড়িয়ে দেন যে, সুজানগর ও পাবনার উপযুক্ত লাইসেন্সধারী ঠিকাদারাও দরপত্র জমা দিতে পারেননি। এমনকি টেন্ডার যাচাই-বাছাই কমিটিও নিজের মতো করে করেন, নিয়ম থাকলেও কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে রাখা হয়নি। দরপত্র জমাদানকারীরা সুপ্রভা রাণীর পরিচিত এবং তার স্বামীর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে আমি শুধু তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। কিন্তু তিনি নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে আমার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছেন। তিনি এমনিতেই নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না। টেন্ডারে অনিয়মের পর তিনি ছুটিতে আছেন। অথচ তিনি গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন যে আমার জন্য নাকি তিনি হাসপাতালে যেতে পারেন না।’
সংবাদ সম্মেলনে সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাদের হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, এস এম রাসেল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণী বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম করিনি। কেউ অভিযোগ করলে সেটা করতেই পারে, কিন্তু আমি অনিয়ম করেছি এটা প্রমাণ করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে রি-টেন্ডার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাই ভয়ে আমি অফিসে যেতে পারছি না বলেই ছুটিতে আছি।’

টেন্ডার না পেয়ে যুবদল নেতার হুমকি, ভয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না স্বাস্থ্য কর্মকর্তা







