ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর

ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় ভাঙচুরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার বিষয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও হামলার শিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউএনও দেবাশীষ বসাক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়াল ব্রিজ এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল রানা ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোতালেব হোসেন পান্না মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশের পর ইউএনও দেবাশীষ বসাকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। একপর্যায়ে কয়েকজন নেতা-কর্মী ইউএনওর কার্যালয় ও আশপাশের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভাঙচুরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। হামলার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, দৈনিক সংগ্রামের বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি ফজলুর রহমান, প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম, নেক্সাস টিভির জেলা প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম শরীফ ও এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল মজিদ।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণ করা ভাঙচুরের ভিডিও ও ছবি মুছে দেন।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা ও মোতালেব হোসেন পান্নার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে বিক্ষুব্ধ পক্ষ ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিস্তারিত জানানো হবে।’
বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় ভাঙচুরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার বিষয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও হামলার শিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউএনও দেবাশীষ বসাক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়াল ব্রিজ এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল রানা ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোতালেব হোসেন পান্না মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশের পর ইউএনও দেবাশীষ বসাকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। একপর্যায়ে কয়েকজন নেতা-কর্মী ইউএনওর কার্যালয় ও আশপাশের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভাঙচুরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। হামলার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, দৈনিক সংগ্রামের বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি ফজলুর রহমান, প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম, নেক্সাস টিভির জেলা প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম শরীফ ও এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল মজিদ।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণ করা ভাঙচুরের ভিডিও ও ছবি মুছে দেন।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা ও মোতালেব হোসেন পান্নার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে বিক্ষুব্ধ পক্ষ ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিস্তারিত জানানো হবে।’
বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় ভাঙচুরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার বিষয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও হামলার শিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউএনও দেবাশীষ বসাক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়াল ব্রিজ এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল রানা ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোতালেব হোসেন পান্না মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশের পর ইউএনও দেবাশীষ বসাকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। একপর্যায়ে কয়েকজন নেতা-কর্মী ইউএনওর কার্যালয় ও আশপাশের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভাঙচুরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। হামলার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, দৈনিক সংগ্রামের বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি ফজলুর রহমান, প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম, নেক্সাস টিভির জেলা প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম শরীফ ও এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল মজিদ।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণ করা ভাঙচুরের ভিডিও ও ছবি মুছে দেন।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা ও মোতালেব হোসেন পান্নার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে বিক্ষুব্ধ পক্ষ ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিস্তারিত জানানো হবে।’
বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।









