বাবার মরদেহ ঘরে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আয়েশা

বাবার মরদেহ ঘরে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আয়েশা
নওগাঁ সংবাদদাতা

বটবৃক্ষের মতো আগলে রাখা প্রিয় অভিভাবক বাবার মরদেহ ঘরে রেখেই এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন এক তরুণী। বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার জীববিজ্ঞান (বায়োলজি) বিষয়ে পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মৌ। তিনি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। নজিপুর মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন আয়েশা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন আয়েশার বাবা মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাবার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। তবে মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পরিবারের সদস্যরা আয়েশাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেন। তাদের মানসিক সমর্থনে পরীক্ষায় অংশ নেন আয়েশা।
আয়েশার বাবা মরহুম মিজানুর রহমান পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসাপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ধামইরহাট উপজেলার গাংরা ইসলামিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বুধবার সকালে তার পৈতৃক ভিটা মঙ্গলবাড়ি গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রিয়জন হারানোর এমন গভীর শোক বুকে চেপে রেখেও পরীক্ষা কেন্দ্রে আয়েশার উপস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। শোকের মধ্যেও তার মানসিক দৃঢ়তা, ধৈর্য এবং শিক্ষার প্রতি একাগ্রতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। শিক্ষক ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আয়েশার প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

বটবৃক্ষের মতো আগলে রাখা প্রিয় অভিভাবক বাবার মরদেহ ঘরে রেখেই এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন এক তরুণী। বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার জীববিজ্ঞান (বায়োলজি) বিষয়ে পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মৌ। তিনি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। নজিপুর মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন আয়েশা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন আয়েশার বাবা মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাবার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। তবে মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পরিবারের সদস্যরা আয়েশাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেন। তাদের মানসিক সমর্থনে পরীক্ষায় অংশ নেন আয়েশা।
আয়েশার বাবা মরহুম মিজানুর রহমান পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসাপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ধামইরহাট উপজেলার গাংরা ইসলামিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বুধবার সকালে তার পৈতৃক ভিটা মঙ্গলবাড়ি গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রিয়জন হারানোর এমন গভীর শোক বুকে চেপে রেখেও পরীক্ষা কেন্দ্রে আয়েশার উপস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। শোকের মধ্যেও তার মানসিক দৃঢ়তা, ধৈর্য এবং শিক্ষার প্রতি একাগ্রতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। শিক্ষক ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আয়েশার প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

বাবার মরদেহ ঘরে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আয়েশা
নওগাঁ সংবাদদাতা

বটবৃক্ষের মতো আগলে রাখা প্রিয় অভিভাবক বাবার মরদেহ ঘরে রেখেই এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন এক তরুণী। বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার জীববিজ্ঞান (বায়োলজি) বিষয়ে পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মৌ। তিনি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। নজিপুর মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন আয়েশা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন আয়েশার বাবা মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাবার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। তবে মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পরিবারের সদস্যরা আয়েশাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেন। তাদের মানসিক সমর্থনে পরীক্ষায় অংশ নেন আয়েশা।
আয়েশার বাবা মরহুম মিজানুর রহমান পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসাপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ধামইরহাট উপজেলার গাংরা ইসলামিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বুধবার সকালে তার পৈতৃক ভিটা মঙ্গলবাড়ি গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রিয়জন হারানোর এমন গভীর শোক বুকে চেপে রেখেও পরীক্ষা কেন্দ্রে আয়েশার উপস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। শোকের মধ্যেও তার মানসিক দৃঢ়তা, ধৈর্য এবং শিক্ষার প্রতি একাগ্রতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। শিক্ষক ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আয়েশার প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

এইচএসসিতে অনুপস্থিতদের পুনরায় পরীক্ষায় সুযোগ







