৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধা

৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধা
লালমনিরহাট সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার লালমনিরহাট সীমান্তের পৃথক তিনটি পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে জেলার হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে এসে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছেন পশ্চিমবঙ্গে, তাদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তাদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার বা আটক কেন্দ্র’ তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পর থেকেই একাধিক কথিত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এছাড়া পাটগ্রাম উপজেলার পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা।
খবর পেয়ে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। গ্রামবাসীর সহায়তায় এবং বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এতে করে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি।
বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার লালমনিরহাট সীমান্তের পৃথক তিনটি পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে জেলার হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে এসে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছেন পশ্চিমবঙ্গে, তাদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তাদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার বা আটক কেন্দ্র’ তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পর থেকেই একাধিক কথিত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এছাড়া পাটগ্রাম উপজেলার পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা।
খবর পেয়ে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। গ্রামবাসীর সহায়তায় এবং বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এতে করে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি।
বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধা
লালমনিরহাট সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার লালমনিরহাট সীমান্তের পৃথক তিনটি পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে জেলার হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে এসে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছেন পশ্চিমবঙ্গে, তাদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তাদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার বা আটক কেন্দ্র’ তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পর থেকেই একাধিক কথিত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এছাড়া পাটগ্রাম উপজেলার পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা।
খবর পেয়ে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। গ্রামবাসীর সহায়তায় এবং বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এতে করে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি।
বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় বিএসএফের ১০ পুশইন চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি


