কুড়িগ্রামে সাংবাদিকের মা-বাবাকে মারধর, থানায় মামলা

কুড়িগ্রামে সাংবাদিকের মা-বাবাকে মারধর, থানায় মামলা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমের জেলা প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের মা-বাবাকে মারধর, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পাঁচ ‘ভূমি দস্যুর’ বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মারধরে আহত অবস্থায় বর্তমানে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পিতা মো. আমিনুল ইসলাম কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, গত ৫ অক্টোবর সদর উপজেলার পলাশবাড়ী কবিরাজ পাড়া এলাকায় নিজ জমি দেখতে যান ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শামসাদ বেগম। এ সময় তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে স্থানীয় ‘ভূমিদস্যু’ রমজান আলী, মামুনুর রশিদ মামুন, মনোয়ারা বেগম। ঘটনার দিনই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবার।
সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার (৭ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পলাশবাড়ী এলাকার ৪ দশমিক ১৬ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ওই জমি সাংবাদিক তামজিদের বাবা আমিনুল ইসলাম ক্রয়সূত্রে পাওয়ার পর প্রায় ৩৪ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এ নিয়ে কুড়িগ্রাম সদর সিভিল জজ আদালতে ২৬৮/২০২৫ নম্বর দেওয়ানি মামলাও চলমান রয়েছে।
সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে তামজিদের বাবা-মা তাদের কেনা জমিতে ইউক্যালিপটাসের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া আসামিরা বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাদের বাধা দেন এবং গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে রমজান আলী বাঁশের লাঠি দিয়ে আমিনুল ইসলামের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। তিনি মাথা সরিয়ে নিলে আঘাতটি তার ডান চোখের নিচে লাগে। এতে ওই স্থানে কালো ও ফোলা জখম হয়। এরপর কয়েকজন আসামি লোহার রড দিয়ে আমিনুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মামুনুর রশিদ মামুন তার বুকের ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় শামসাদ বেগম এগিয়ে এসে তাকে সরিয়ে দিলে আমিনুল ইসলাম রক্ষা পান।
এজাহারে আরও বলা হয়, এ সময় মনোয়ারা বেগম শামসাদ বেগমের চুলের মুঠি ধরে টানা-হেঁচড়া করেন এবং রমজান আলী তার পড়নের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করেন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
গুরুতর আহত আমিনুল ইসলামকে স্থানীয় লোকজন অটোরিকশায় করে কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার স্ত্রী শামসাদ বেগম স্থানীয় পল্লিচিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক তামজিদ হাসান বলেন, বিবদমান জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। আমার বাবা মা আমাদের কেনা জমিতে চারা রোপণ করতে যায়। সেখানে বিবাদীরা আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। তারা আমার বাবা-মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। আমি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
জানতে চাইলে ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিবাদী পক্ষও আরেকটি মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমের জেলা প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের মা-বাবাকে মারধর, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পাঁচ ‘ভূমি দস্যুর’ বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মারধরে আহত অবস্থায় বর্তমানে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পিতা মো. আমিনুল ইসলাম কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, গত ৫ অক্টোবর সদর উপজেলার পলাশবাড়ী কবিরাজ পাড়া এলাকায় নিজ জমি দেখতে যান ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শামসাদ বেগম। এ সময় তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে স্থানীয় ‘ভূমিদস্যু’ রমজান আলী, মামুনুর রশিদ মামুন, মনোয়ারা বেগম। ঘটনার দিনই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবার।
সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার (৭ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পলাশবাড়ী এলাকার ৪ দশমিক ১৬ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ওই জমি সাংবাদিক তামজিদের বাবা আমিনুল ইসলাম ক্রয়সূত্রে পাওয়ার পর প্রায় ৩৪ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এ নিয়ে কুড়িগ্রাম সদর সিভিল জজ আদালতে ২৬৮/২০২৫ নম্বর দেওয়ানি মামলাও চলমান রয়েছে।
সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে তামজিদের বাবা-মা তাদের কেনা জমিতে ইউক্যালিপটাসের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া আসামিরা বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাদের বাধা দেন এবং গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে রমজান আলী বাঁশের লাঠি দিয়ে আমিনুল ইসলামের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। তিনি মাথা সরিয়ে নিলে আঘাতটি তার ডান চোখের নিচে লাগে। এতে ওই স্থানে কালো ও ফোলা জখম হয়। এরপর কয়েকজন আসামি লোহার রড দিয়ে আমিনুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মামুনুর রশিদ মামুন তার বুকের ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় শামসাদ বেগম এগিয়ে এসে তাকে সরিয়ে দিলে আমিনুল ইসলাম রক্ষা পান।
এজাহারে আরও বলা হয়, এ সময় মনোয়ারা বেগম শামসাদ বেগমের চুলের মুঠি ধরে টানা-হেঁচড়া করেন এবং রমজান আলী তার পড়নের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করেন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
গুরুতর আহত আমিনুল ইসলামকে স্থানীয় লোকজন অটোরিকশায় করে কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার স্ত্রী শামসাদ বেগম স্থানীয় পল্লিচিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক তামজিদ হাসান বলেন, বিবদমান জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। আমার বাবা মা আমাদের কেনা জমিতে চারা রোপণ করতে যায়। সেখানে বিবাদীরা আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। তারা আমার বাবা-মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। আমি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
জানতে চাইলে ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিবাদী পক্ষও আরেকটি মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুড়িগ্রামে সাংবাদিকের মা-বাবাকে মারধর, থানায় মামলা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমের জেলা প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের মা-বাবাকে মারধর, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পাঁচ ‘ভূমি দস্যুর’ বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মারধরে আহত অবস্থায় বর্তমানে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পিতা মো. আমিনুল ইসলাম কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, গত ৫ অক্টোবর সদর উপজেলার পলাশবাড়ী কবিরাজ পাড়া এলাকায় নিজ জমি দেখতে যান ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শামসাদ বেগম। এ সময় তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে স্থানীয় ‘ভূমিদস্যু’ রমজান আলী, মামুনুর রশিদ মামুন, মনোয়ারা বেগম। ঘটনার দিনই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবার।
সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার (৭ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পলাশবাড়ী এলাকার ৪ দশমিক ১৬ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ওই জমি সাংবাদিক তামজিদের বাবা আমিনুল ইসলাম ক্রয়সূত্রে পাওয়ার পর প্রায় ৩৪ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এ নিয়ে কুড়িগ্রাম সদর সিভিল জজ আদালতে ২৬৮/২০২৫ নম্বর দেওয়ানি মামলাও চলমান রয়েছে।
সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে তামজিদের বাবা-মা তাদের কেনা জমিতে ইউক্যালিপটাসের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া আসামিরা বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাদের বাধা দেন এবং গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে রমজান আলী বাঁশের লাঠি দিয়ে আমিনুল ইসলামের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। তিনি মাথা সরিয়ে নিলে আঘাতটি তার ডান চোখের নিচে লাগে। এতে ওই স্থানে কালো ও ফোলা জখম হয়। এরপর কয়েকজন আসামি লোহার রড দিয়ে আমিনুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মামুনুর রশিদ মামুন তার বুকের ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় শামসাদ বেগম এগিয়ে এসে তাকে সরিয়ে দিলে আমিনুল ইসলাম রক্ষা পান।
এজাহারে আরও বলা হয়, এ সময় মনোয়ারা বেগম শামসাদ বেগমের চুলের মুঠি ধরে টানা-হেঁচড়া করেন এবং রমজান আলী তার পড়নের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করেন। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
গুরুতর আহত আমিনুল ইসলামকে স্থানীয় লোকজন অটোরিকশায় করে কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার স্ত্রী শামসাদ বেগম স্থানীয় পল্লিচিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক তামজিদ হাসান বলেন, বিবদমান জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। আমার বাবা মা আমাদের কেনা জমিতে চারা রোপণ করতে যায়। সেখানে বিবাদীরা আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। তারা আমার বাবা-মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। আমি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
জানতে চাইলে ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিবাদী পক্ষও আরেকটি মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুড়িগ্রামে সার বিতরণে বিশৃঙ্খলা, উপপরিচালককে স্ট্যান্ড রিলিজ







